ওয়া নাহনুআকরবুইলাইহি মিনকুম ওয়ালা-কিল্লা-তুবসিরূন।উচ্চারণ
এবং তোমরা নিজ চোখে দেখতে পাও যে, সে মৃত্যুমুখে পতিত হচ্ছে সে সময় তোমরা বিদায়ী প্রাণবায়ূকে ফিরিয়ে আন না কেন? তাফহীমুল কুরআন
এবং তোমাদের চেয়ে আমিই তার বেশি কাছে থাকি, কিন্তু তোমরা দেখতে পাও না।মুফতী তাকী উসমানী
আর আমি তোমাদের অপেক্ষা তার নিকটতর, কিন্তু তোমরা দেখতে পাওনা।মুজিবুর রহমান
তখন আমি তোমাদের অপেক্ষা তার অধিক নিকটে থাকি; কিন্তু তোমরা দেখ না।মাওলানা মুহিউদ্দিন খান
আর আমি তোমাদের অপেক্ষা তার নিকটতর, কিন্তু তোমরা দেখতে পাও না। ইসলামিক ফাউন্ডেশন
আর তোমাদের চাইতে আমি তার খুব কাছে; কিন্তু তোমরা দেখতে পাও না।আল-বায়ান
আর আমি তোমাদের চেয়ে তার (অর্থাৎ প্রাণের) নিকটবর্তী, কিন্তু তোমরা দেখতে পাওনা।তাইসিরুল
আমরা তখন তোমাদের চাইতে তার বেশী নিকটবর্তী কিন্তু তোমরা দেখতে পাও না।মাওলানা জহুরুল হক
৮৫. আর আমরা তোমাদের চেয়ে তার কাছাকাছি, কিন্তু তোমরা দেখতে পাও না।(১)
(১) অর্থাৎ এমতাবস্থায়ও আমরা আমাদের ফেরেশতাদের নিয়ে তোমাদের নিকটেই থাকি। এখানে ফেরেশতাগণ বান্দার নিকটে থাকার কথা বলা হয়েছে। এমতটিই সবচেয়ে সঠিক মত। ইবনে কাসীর এটাই গ্ৰহণ করেছেন। তিনি এর প্রমাণস্বরূপ বলছেন যে, এর পরে বলা হয়েছে, “কিন্তু তোমরা দেখতে পাও না”। কারণ, ফেরেশতাদেরকে দেখতে পাওয়া যায় না। যেমন অন্য আয়াতে বলা হয়েছে, (وَهُوَ الْقَاهِرُ فَوْقَ عِبَادِهِ وَيُرْسِلُ عَلَيْكُمْ حَفَظَةً حَتَّىٰ إِذَا جَاءَ أَحَدَكُمُ الْمَوْتُ تَوَفَّتْهُ رُسُلُنَا وَهُمْ لَا يُفَرِّطُونَ ٭ ثُمَّ رُدُّوا إِلَى اللَّهِ مَوْلَاهُمُ الْحَقِّ أَلَا لَهُ الْحُكْمُ وَهُوَ أَسْرَعُ الْحَاسِبِينَ) “তিনিই স্বীয় বান্দাদের উপর পরাক্রমশালী এবং তিনিই রক্ষক পাঠান। অবশেষে যখন তোমাদের কারো মৃত্যু উপস্থিত হয় তখন আমার পাঠানোরা তার মৃত্যু ঘটায় এবং তারা কোন ভুল করে না। তারপর তাদের প্রকৃত প্রতিপালক আল্লাহর দিকে তারা ফিরে আসে। দেখুন, কর্তৃত্ব তো তাঁরই এবং হিসেব গ্রহনে তিনিই সবচেয়ে তৎপর।” (সূরা আল আন’আম: ৬১–৬২) সেখানে যেভাবে ফেরেশতা পাঠানোর কথা বলা হয়েছে এখানেও এটাই উদ্দেশ্য। (ইবন কাসীর)
(৮৫) আর আমি তোমাদের অপেক্ষা তার অধিক নিকটতর, (1) কিন্তু তোমরা দেখতে পাও না। (2)
(1) অর্থাৎ, আমি স্বীয় জ্ঞান, ক্ষমতা ও দর্শন করার দিক দিয়ে তোমাদের চাইতেও বেশী মৃতের নিকটবর্তী। অথবা نحن (আমরা) বলতে আল্লাহর কর্মীবৃন্দ তথা মৃত্যুর ফিরিশতাদেরকে বুঝানো হয়েছে, যাঁরা মানুষের জান কবজ করেন।
(2) অর্থাৎ, অজ্ঞতার কারণে তোমাদের এই বোধটুকুও নেই যে, আল্লাহ তোমাদের গ্রীবাস্থিত ধমনী (ঘাড়ের শিরা) অপেক্ষাও বেশী নিকটে। অথবা জান কবযকারী ফিরিশতাকে তোমরা দেখতে পাও না।