লাও নাশা-উ লাজা‘আলনা-হু হুতা-মান ফাজালতুম তাফাক্কাহূন।উচ্চারণ
আমি চাইলে এসব ফসলকে দানাবিহীন ভূষি বানিয়ে দিতে পারি। তখন তোমরা নানা রকমের কথা বলতে থাকবে। তাফহীমুল কুরআন
আমি ইচ্ছা করলে তা চূর্ণ-বিচূর্ণ করে দিতে পারি, ফলে তোমরা হতবুদ্ধি হয়ে পড়বেমুফতী তাকী উসমানী
আমি ইচ্ছা করলে একে খড়-কুটায় পরিণত করতে পারি, তখন হতবুদ্ধি হয়ে পড়বে তোমরা।মুজিবুর রহমান
আমি ইচ্ছা করলে তাকে খড়কুটা করে দিতে পারি, অতঃপর হয়ে যাবে তোমরা বিস্ময়াবিষ্ট।মাওলানা মুহিউদ্দিন খান
আমি ইচ্ছা করলে এটাকে খড়-কুটায় পরিণত করতে পারি, তখন হতবুদ্ধি হয়ে পড়বে তোমরা; ইসলামিক ফাউন্ডেশন
আমি চাইলে তা খড়-কুটায় পরিণত করতে পারি, তখন তোমরা পরিতাপ করতে থাকবে-আল-বায়ান
আমি ইচ্ছে করলে তাকে অবশ্যই খড়কুটা করে দিতে পারি, তখন তোমরা হয়ে যাবে বিস্ময়ে হতবাক।তাইসিরুল
আমরা যদি চাইতাম তবে আমরা আলবৎ তাকে খড়-কুটোয় পরিণত করতে পারতাম, তখন তোমরা হাহুতাশ করতে থাকবে,মাওলানা জহুরুল হক
৬৫. আমরা ইচ্ছে করলে এটাকে খড় কুটোয় পরিণত করতে পারি, তখন হতবুদ্ধি হয়ে পড়বে তোমরা;
(৬৫) আমি ইচ্ছা করলে অবশ্যই একে টুকরা-টুকরা (খড়-কুটায়) পরিণত করতে পারি, তখন হতবুদ্ধি হয়ে পড়বে তোমরা। (1)
(1) ক্ষেতের ফসলকে সবুজ-শ্যামল বানানোর পর যখন তা পাকার উপক্রম হয়, তখন আমি ইচ্ছা করলে তাকে শুকিয়ে খড়-কুটায় পরিণত করে দিতে পারি, যখন তোমরা বিস্ময়ে তা দেখতেই থেকে যাবে। تَفَكُّهٌ শব্দটি ‘আয্বদাদ’ (বিপরীতমুখী অর্থবোধক) শব্দসমূহের অন্তর্ভুক্ত। যার অর্থ, নিয়ামত ও সচ্ছলতাও বটে, আবার দুঃখ ও নিরাশাও বটে। এখানে দ্বিতীয় অর্থেই ব্যবহার হয়েছে। এর বিভিন্ন অর্থ বর্ণনা করা হয়েছে। যেমন, হতবুদ্ধি, হতবাক, বিস্মিত, দুঃখিত হওয়া ইত্যাদি। ظَلَلْتُمْ এর অর্থ صِرْتُمْ এবং تَفَكَّهُوْنَ আসলে ছিল تَتَفَكَّهُوْنَ ।