ইল্লা-কীলান ছালা-মান ছালা-মা-।উচ্চারণ
বরং যে কথাই শুনবে তা হবে যথাযথ ও ঠিকঠাক। ১৪ তাফহীমুল কুরআন
তবে সেখানে হবে কেবল শান্তিপূর্ণ কথা, কেবলই শান্তিপূর্ণ কথা।মুফতী তাকী উসমানী
‘সালাম’ আর ‘সালাম’ বাণী ব্যতীত।মুজিবুর রহমান
কিন্তু শুনবে সালাম আর সালাম।মাওলানা মুহিউদ্দিন খান
‘সালাম’ আর ‘সালাম’ বাণী ব্যতীত। ইসলামিক ফাউন্ডেশন
শুধু এই বাণী ছাড়া, ‘সালাম, সালাম’আল-বায়ান
এমন কথা ছাড়া যা হবে শান্তিময়, নিরাপদ,তাইসিরুল
শুধু এই কথা ছাড়া -- "সালাম! সালাম!"মাওলানা জহুরুল হক
১৪
মূল আয়াতটি হচ্ছে إِلَّا قِيلًا سَلَامًا سَلَامًا কিছুসংখ্যক মুফাসসির ও অনুবাদক এর অর্থ করেছেন সেখানে সব দিক থেকেই কেবল ‘সালাম’ ‘সালাম’ শব্দ শুনা যাবে। কিন্তু এর সঠিক অর্থ হচ্ছে সঠিক, সুস্থ ও যথাযথ কথা। অর্থাৎ এমন কথাবার্তা যা দোষ-ত্রুটি মুক্ত, যার মধ্যে পূর্ববর্তী বাক্যে উল্লেখিত মন্দ দিকগুলো নেই। ইংরেজীতে safe শব্দটি যে অর্থে ব্যবহৃত এখানে সালাম শব্দটি প্রায় সেই একই অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে।
২৬. ‘সালাম’ আর ‘সালাম’ বাণী ছাড়া।
(২৬) সালাম-সালাম (শান্তি) বাণী ব্যতীত। (1)
(1) অর্থাৎ, পৃথিবীতে তো পরস্পর দন্ধ-বিবাদ হয়। এমনকি (আপন) ভায়ে-ভায়ে ও বোনে-বোনেও বিবাদ লেগে থাকে। এই ঝগড়া-বিবাদের ফলে অন্তরে জন্ম নেয় এমন ঘৃণা, বিদ্বেষ ও শত্রুতা, যা একে অপরের বিরুদ্ধে অশ্লীল ভাষা ব্যবহার, গালি-গালাজ এবং গীবত ও চুগলী ইত্যাদি করার উপর উদ্বুদ্ধ করে। জান্নাত এ সমস্ত চারিত্রিক নোংরামি ও পঙ্কিলতা থেকে কেবল পবিত্রই হবে না, বরং সেখানে শুধু সালাম আর সালামেরই ধ্বনি মুখরিত হবে; ফিরিশতাদের পক্ষ থেকেও এবং জান্নাতবাসীদের পরস্পরের পক্ষ থেকেও। যার অর্থ হল, সেখানে সালাম-সম্ভাষণ তো হবে, কিন্তু অন্তর ও জিভের সেই নোংরামি থাকবে না, যা পৃথিবীতে ব্যাপকহারে বিদ্যমান রয়েছে। এমনকি বড় বড় দ্বীনদার ব্যক্তিরাও এ জঘন্য অভ্যাস থেকে সুরক্ষিত নয়।