লা-ইয়াছমা‘ঊনা ফীহা-লাগওয়াওঁ ওয়ালা-তা’ছীমা-।উচ্চারণ
সেখানে তারা কোন অর্থহীন বা গোনাহর কথা শুনতে পাবে না। ১৩ তাফহীমুল কুরআন
তারা সে জান্নাতে শুনবে না কোন অহেতুক কথা এবং না কোন পাপের কথা।মুফতী তাকী উসমানী
সেখানে তারা শুনবেনা কোন অসার অথবা পাপ বাক্য,মুজিবুর রহমান
তারা তথায় অবান্তর ও কোন খারাপ কথা শুনবে না।মাওলানা মুহিউদ্দিন খান
সেখানে তারা শুনবে না কোন অসার বা পাপবাক্য, ইসলামিক ফাউন্ডেশন
তারা সেখানে শুনতে পাবে না কোন বেহুদা কথা, এবং না পাপের কথা;আল-বায়ান
সেখানে তারা শুনবে না কোন অনর্থক কথাবার্তা, আর পাপের বুলি,তাইসিরুল
তারা সেখানে শুনবে না কোনো খেলোকথা, না কোনো পাপবাক্য, --মাওলানা জহুরুল হক
১৩
এটি জান্নাতের বড় বড় নিয়ামতের একটি। এসব নিয়ামত সম্পর্কে কুরআন মজীদের কয়েকটি স্থানে বর্ণনা করা হয়েছে যে, মানুষের কান সেখানে কোন অনর্থক ও বাজে কথা, মিথ্যা, গীবত ও চোগলখুরী, অপবাদ, গালি, অহংকার ও বাজে গালগপ্প বিদ্রূপ ও উপহাস, তিরস্কার ও বদনামমূলক কথাবার্তা শোনা থেকে রক্ষা পাবে। সেটা কটুভাষী ও অভদ্র লোকদের সমাজ হবে না যে, পরস্পরে কাদা ছুঁড়াছুঁড়ি করবে। সেটা হবে সভ্য ও ভদ্র লোকদের সমাজ যেখানে এসব অর্থহীন ও বেহুদা কথাবার্তার নামগন্ধ পর্যন্ত থাকবে না। আল্লাহ তা’আলা কাউকে যদি সামান্য কিছু শিষ্টতা বোধ ও সুরুচির অধিকারী করে থাকেন তাহলে তিনি ভালভাবেই উপলব্ধি করতে পারবেন যে পার্থিব জীবনে এটা কত বড় কষ্টদায়ক ব্যাপার। জান্নাতে মানুষকে এ থেকে মুক্তির আশ্বাস দেয়া হবে।
২৫. সেখানে তারা শুনবে না কোন আসার বা পাপবাক্য(১),
(১) এটি জান্নাতের বড় বড় নিয়ামতের একটি। এসব নিয়ামত সম্পর্কে কুরআন মজীদের কয়েকটি স্থানে বর্ণনা করা হয়েছে যে, মানুষের কান সেখানে কোন অনর্থক ও বাজে কথা, মিথ্যা, গীবত, চোগলখুরী, অপবাদ, গালি, অহংকার ও বাজে গালগল্প বিদ্রুপ ও উপহাস, তিরস্কার ও বদনামমূলক কথাবার্তা শোনা থেকে রক্ষা পাবে। (যেমনঃ আল-গাশিয়াহঃ ১১, মার্ইয়ামঃ ৬২)
(২৫) তারা শুনবে না কোন অসার অথবা পাপবাক্য।