আররহমা-নু।উচ্চারণ
পরম দয়ালু (আল্লাহ) তাফহীমুল কুরআন
তিনি তো রহমানই, মুফতী তাকী উসমানী
দয়াময় আল্লাহ!মুজিবুর রহমান
করুনাময় আল্লাহ।মাওলানা মুহিউদ্দিন খান
দয়াময় আল্লাহ্, ইসলামিক ফাউন্ডেশন
পরম করুণাময়,আল-বায়ান
পরম দয়ালু (আল্লাহ),তাইসিরুল
আর-রাহমান!মাওলানা জহুরুল হক
মক্কার মুশরিকগণ আল্লাহ তাআলার ‘রহমান’ নামকে স্বীকার করত না। তারা বলত, রহমান কী তা আমরা জানি না, যেমন সূরা ফুরকানে (২৫ : ৬০) বর্ণিত হয়েছে। ‘রহমান’ নামটি তাদের এত অসহ্য হওয়ার কারণ সম্ভবত এই যে, ‘সর্বপ্রকার রহমত আল্লাহ তাআলার জন্য নির্দিষ্ট’ একথা বিশ্বাস করলে তাদের মনগড়া উপাস্যদের হাতে এমন কিছু থাকে না, যার ভিত্তিতে তারা তাদের কাছে ধরনা দেবে এবং মনষ্কাম পূরণের জন্য তাদের পূজা-অর্চনা করবে। আর এভাবে রহমানকে মেনে নিলে আপনা-আপনিই তাদের শিরকের মূলোৎপাটন হয়ে যায়। এ সূরায় আল্লাহ তাআলা ইরশাদ করেছেন, রহমান সেই আল্লাহরই নাম, যার রহমত বিশ্ব-জগত জুড়ে ব্যাপ্ত। তিনি ছাড়া এমন কেউ নেই, যে তোমাদেরকে রিযক, সন্তান বা অন্য কোন নি‘আমত দিতে পারে। তাই ইবাদতের হকদার কেবল তিনিই, অন্য কেউ নয়।
১. আর-রাহমান(১),
(১) অর্থাৎ দয়াময় আল্লাহ। সূরাটিকে ‘আর-রাহমান’ শব্দ দ্বারা শুরু করার তাৎপর্য সম্ভবত এই যে, মক্কার কাফেররা আল্লাহ তা’আলার এই নাম সম্পর্কে অবগত ছিল না। তাই মুসলিমদের মুখে রহমান নাম শুনে ওরা বলাবলি করতঃ রাহমান আবার কি? তাদেরকে অবহিত করার জন্য এখানে এই নাম ব্যবহার করা হয়েছে। (আদওয়াউল বায়ান)
(১) অনন্ত করুণাময় (আল্লাহ);