ওয়া আন্নাহূহুওয়া রব্বুশ শি‘র-।উচ্চারণ
একথা যে, “তিনিই শে’রার রব।” ৪৪ তাফহীমুল কুরআন
এবং এই যে, তিনিই শি‘রা নক্ষত্রের প্রতিপালক। #%২৬%#মুফতী তাকী উসমানী
আর এই যে, তিনি ‘শি’রা’ নক্ষত্রের মালিক।মুজিবুর রহমান
তিনি শিরা নক্ষত্রের মালিক।মাওলানা মুহিউদ্দিন খান
আর এই যে, তিনি শি‘রা নক্ষত্রের মালিক। ইসলামিক ফাউন্ডেশন
আর তিনিই শিরার* রব।আল-বায়ান
আর এই যে, শি‘রা (অর্থাৎ লুব্ধক নক্ষত্র)’র তিনিই প্রতিপালক,তাইসিরুল
আর এই যে, তিনিই শি'রা নক্ষত্রের প্রভু,মাওলানা জহুরুল হক
৪৪
শে’রা আকাশের উজ্জ্বলতম নক্ষত্র। আরবীতে একে مرزم الجوزاء الكلب الاكبر , الكلب الجبار , الشعرى العبور প্রভৃতি নামে উল্লেখ করা হয়ে থাকে। ইংরেজী ভাষায় Sirius, Dog star এবং Canis Majoris বলা হয়। এটি সূর্যের চেয়েও ২৩ গুণ বেশী উজ্জ্বল। কিন্তু পৃথিবী থেকে এর দূরত্ব আট আলোকবর্ষেরও বেশী। তাই একে সূর্যের চেয়ে ছোট ও কম উজ্জ্বল দেখা যায়। মিসরবাসীরা এর উপাসনা করতো। কারণ এর উদয়কালে নীল নদে জোয়ার ও প্লাবন হতো। সুতরাং তারা মনে করতো, এর উদয়ের প্রভাবেই এরূপ হয়েছে। জাহেলী যুগে আরবদেরও বিশ্বাস ছিল যে, এ নক্ষত্র মানুষের ভাগ্যের ওপর প্রভাব বিস্তার করে। সেই কারণে এটি আরবদের উপাস্য দেবতাদের মধ্যে অন্তর্ভুক্ত ছিল এবং বিশেষ করে কুরাইশদের প্রতিবেশী খুজা’আ গোত্র এর উপাসনার জন্য বিখ্যাত ছিল। আল্লাহ তা’আলার বক্তব্যের অর্থ হচ্ছে, শে’রা নক্ষত্র তোমাদের ভাগ্য গড়ে না বরং তার রব গড়ে থাকেন।
‘শি‘রা’ এক নক্ষত্রের নাম। জাহেলী যুগে আরবের লোক তার পূজা করত। তারা বিশ্বাস করত, নক্ষত্রটি তাদের কোন উপকার করে। আল্লাহ তাআলা বলছেন, নক্ষত্রটি তো একটি সৃষ্টি। আল্লাহ তাআলাই তার প্রতিপালক। কাজেই সে পূজার উপযুক্ত হয় কী করে?
৪৯. আর এই যে, তিনি শি’রা নক্ষত্রের রব।(১)
(১) شعرى একটি নক্ষত্রের নাম। আরবের কোন কোন সম্প্রদায় এই নক্ষত্রের পূজা করত। তাই বিশেষভাবে এর নাম উল্লেখ করে বলা হয়েছে যে, এই নক্ষত্রের মালিক ও পালনকর্তা আল্লাহ তা'আলাই; যদিও সমস্ত নক্ষত্র, নভোমণ্ডল ও ভূমণ্ডলের স্রষ্টা, মালিক ও পালনকর্তা তিনি। (কুরতুবী)
(৪৯) আর এই যে, তিনি লুব্ধক নক্ষত্রের প্রতিপালক।(1)
(1)( (লুব্ধক বা সিরিয়াস নক্ষত্র।) রব্ব তথা প্রতিপালক তো তিনিই সকল বস্তুর। এখানে এই তারার নাম এই জন্য উল্লেখ করেছেন যে, আরবের কোন কোন গোত্র তার পূজা করত।