ওয়া আন্নাহূহুওয়া আগনা-ওয়া আকনা-।উচ্চারণ
একথা যে, “তিনিই সম্পদশালী করেছেন এবং স্থায়ী সম্পদ দান করেছেন।” ৪৩ তাফহীমুল কুরআন
এবং এই যে, তিনিই ধনবান বানান এবং সম্পদ সংরক্ষিত করান। #%২৫%#মুফতী তাকী উসমানী
আর এই যে, তিনিই অভাবমুক্ত করেন ও সম্পদ দান করেন।মুজিবুর রহমান
এবং তিনিই ধনবান করেন ও সম্পদ দান করেন।মাওলানা মুহিউদ্দিন খান
আর এই যে, তিনিই অভাবমুক্ত করেন ও সম্পদ দান করেন, ইসলামিক ফাউন্ডেশন
আর তিনিই অভাবমুক্ত করেন ও সম্পদ দান করেন।আল-বায়ান
আর এই যে, তিনিই অভাবমুক্ত করেন আর সম্পদ দেন,তাইসিরুল
আর এই যে, তিনিই ধনদৌলত দেন ও সুখ-সমৃদ্ধি প্রদান করেন,মাওলানা জহুরুল হক
৪৩
মূল আয়াতে اقني শব্দ ব্যবহৃত হয়েছে। ভাষাবিদ ও মুফাসসিরগণ এর বিভিন্ন অর্থ বর্ণনা করেছেন। কাতাদা বলেনঃ ইবনে আব্বাস এর অর্থ বলেছেন ارضي সম্মত করে দিয়েছেন। ইবনে আব্বাস থেকে ইকরিমা এর অর্থ বর্ণনা করেছেন قنع সন্তুষ্ট করে দিয়েছেন। ইমাম রাযী বলেনঃ মানুষকে তার প্রয়োজনের অতিরিক্ত যা-ই দেয়া হয়ে থাকে তাকেই اقناء বলে। আবু উবায়দা এবং আরো কিছু সংখ্যক ভাষাভিজ্ঞের মতে اقني শব্দটির উদ্ভব قنية শব্দ থেকে। এর অর্থ অবশিষ্ট ও সংরক্ষিত থাকার মত সম্পদ। যেমনঃ ঘর-বাড়ী, জমিজমা, বাগান, গবাদিপশু ইত্যাদি। ইবনে যায়েদ এসব অর্থ থেকে ভিন্ন অর্থ গ্রহণ করেছেন। তিনি বলেন اقني শব্দটি এখানে افقر দরিদ্র করে দিয়েছে অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে। এভাবে আয়াতের অর্থ দাঁড়ায় তিনি যাকে ইচ্ছা সম্পদশালী করেছেন এবং যাকে ইচ্ছা দরিদ্র বানিয়েছেন।
اقنى--এর আরেক অর্থ করা হয়ে থাকে ‘গরীব বানান’। হযরত ইবন আব্বাস (রা.) আয়াতটির অর্থ করেছেন, ‘তিনিই ধনবান বানান ও সন্তুষ্ট করেন’। -অনুবাদক
৪৮. আর এই যে, তিনিই অভাবমুক্ত করেন এবং সম্পদ দান করেন(১),
(১) غناء শব্দের অর্থ ধনাঢ্যতা এবং أغنى শব্দের অর্থ অপরকে ধনাঢ্য করা। أقنى শব্দটি قنية থেকে উদ্ভূত। এর অর্থ সংরক্ষিত ও রিজার্ভ সম্পদ। (আততাহরীর ওয়াত তানওয়ীর) আয়াতের উদ্দেশ্য এই যে, আল্লাহ তা'আলাই মানুষকে ধনবান ও অভাবমুক্ত করেন এবং তিনিই যাকে ইচ্ছা সম্পদ দান করেন; যাতে সে তা সংরক্ষিত করে। (মুয়াস্সার)
(৪৮) আর এই যে, তিনিই অভাবমুক্ত করেন ও সম্পদ দান করেন, (1)
(1) অর্থাৎ, কাউকে এত ধন-সম্পদ দান করেন যে, সে কারো মুখাপেক্ষী হয় না এবং তার যাবতীয় প্রয়োজন পূরণ হয়ে যায়। আর কাউকে এত সম্পদ দেন যে, তার নিকট প্রয়োজনের অতিরিক্ত বেঁচে যায় এবং সে তা সংরক্ষিত রাখে।