فَعَتَوۡاْ عَنۡ أَمۡرِ رَبِّهِمۡ فَأَخَذَتۡهُمُ ٱلصَّـٰعِقَةُ وَهُمۡ يَنظُرُونَ

ফা‘আতাও ‘আন আমরি রব্বিহিম ফাআখাযাতহুমুসসা-‘ইকাতুওয়া হুম ইয়ানজুরূন।উচ্চারণ

কিন্তু এ সতর্কীকরণ সত্ত্বেও তারা তাদের রবের হুকুম অমান্য করলো। অবশেষে তারা দেখতে দেখতে অকস্মাত আগমনকারী আযাব ৪১ তাদের ওপর আপতিত হলো। তাফহীমুল কুরআন

কিন্তু তারা তাদের প্রতিপালকের আদেশ অমান্য করল। ফলে তাদেরকে আক্রান্ত করল বজ্র এবং তারা তা দেখছিল। #%১৫%#মুফতী তাকী উসমানী

কিন্তু তারা তাদের রবের আদেশ অমান্য করল; ফলে তাদের প্রতি বজ্রাঘাত হল এবং তারা তা দেখতে ছিল।মুজিবুর রহমান

অতঃপর তারা তাদের পালনকর্তার আদেশ অমান্য করল এবং তাদের প্রতি বজ্রঘাত হল এমতাবস্থায় যে, তারা তা দেখেছিল।মাওলানা মুহিউদ্দিন খান

কিন্তু এরা এদের প্রতিপালকের আদেশ অমান্য করল ; ফলে এদের প্রতি বজ্রাঘাত হল এবং এরা তা দেখছিল। ইসলামিক ফাউন্ডেশন

অতঃপর তারা তাদের রবের আদেশ সম্পর্কে ঔদ্ধত্য প্রকাশ করল। ফলে বজ্রাঘাত তাদেরকে পাকড়াও করল, আর তারা তা দেখছিল।আল-বায়ান

কিন্তু তারা ধৃষ্টতার সঙ্গে তাদের প্রতিপালকের আদেশ অমান্য করল। ফলে বজ্রাঘাত তাদেরকে পাকড়াও করল যা তারা চেয়ে চেয়ে দেখছিল।তাইসিরুল

তথাপি তাদের প্রভুর আদেশের বিরুদ্ধে তারা দাঁড়িয়েছিল, ফলে এক বজ্রনাদ তাদের পাকড়ালো, আর তারা তাকিয়ে রয়েছিল।মাওলানা জহুরুল হক

তাফহীমুল কুরআন

৪১

এ আযাবের কথা বুঝাতে কুরআন মজীদের বিভিন্ন স্থানে বিভিন্ন শব্দ ব্যবহার করা হয়েছে। কোথাও একে رُجْفة (ভীতি প্রদর্শনকারী ও প্রকম্পিতকারী বিপদ) বলা হয়েছে। কোথাও একে صيحة (বিষ্ফোরণ ও বজ্রধ্বনি) বলে আখ্যায়িত করা হয়েছে। কোথাও একে বুঝাতে طاغية (কঠিনতম বিপদ) শব্দ ব্যবহার করা হয়েছে। আর এখানে একেই صاعية বলা হয়েছে যার অর্থ বিদ্যুতের মত অকস্মাৎ আগমনকারী বিপদ এবং কঠোর বজ্রধ্বনি উভয়ই। সম্ভবত এ আযাব এমন এক ভূমিকম্পের আকারে এসেছিলো যার সাথে আতঙ্ক সৃষ্টিকারী শব্দও ছিল।

তাফসীরে মুফতি তাকি উসমানী

হযরত সালিহ ‘আলায়হিস সালাম তাদেরকে বলেছিলেন, ‘তোমাদেরকে তিনদিন পর চরম শাস্তি দেওয়া হবে। আগামীকাল তোমাদের চেহারা হলুদ হয়ে যাবে। তার পরের দিন হবে লাল এবং তৃতীয় দিন কালো। পরদিন ভোরে আসবে আসল শাস্তি। তারা যখন এসব আলামত দেখতে পাচ্ছিল তখন উচিত তো ছিল তওবা করা, তা না করে উল্টো তারা হযরত সালিহ আলায়হিস সালামকেই হত্যা করতে উদ্যত হল। কিন্তু আল্লাহ তাআলা তাকে রক্ষা করলেন এবং চতুর্থদিন ভোরে বজ্রাঘাত ও অগ্নিবর্ষণ দ্বারা তাদেরকে ধ্বংস করে দিলেন। -অনুবাদক

তাফসীরে জাকারিয়া

৪৪. অতঃপর তারা তাদের রবের আদেশ মানতে অহংকার করল; ফলে তাদেরকে পাকড়াও করল বজ্র(১) এবং তারা তা দেখছিল।

(১) সামূদ জাতির উপর আপতিত এ আযাবের কথা বুঝাতে কুরআন মজীদের বিভিন্ন স্থানে বিভিন্ন শব্দ ব্যবহার করা হয়েছে। কোথাও একে رجفة (ভীতি প্রদর্শনকারী ও প্রকম্পিত্যকারী বিপদ) বলা হয়েছে। (সূরা আল-আরাফ: ৭৮) কোথাও একে صيحة (বিস্ফোরণ ও বজ্রধ্বনি) বলে আখ্যায়িত করা হয়েছে। (সূরা হূদ: ৬৭) কোথাও একে বুঝাতে طاغية (কঠিনতম বিপদ) শব্দ ব্যবহার করা হয়েছে। (সূরা আল-হাক্কাহ: ৫) আর এখানে একেই صاعقة বলা হয়েছে, যার অর্থ বিদ্যুতের মত অকস্মাৎ আগমনকারী বিপদ এবং কঠোর বজ্রধ্বনি উভয়ই। সম্ভবত: এ আযাব এমন এক ভূমিকম্পের আকারে এসেছিলো যার সাথে আতংক সৃষ্টিকারী শব্দও ছিল। (দেখুন: ইরাব আল-কুরআন)

তাফসীরে আহসানুল বায়ান

(৪৪) কিন্তু তারা তাদের প্রতিপালকের আদেশ অমান্য করল; ফলে তাদের প্রতি বজ্রাঘাত হল(1) এবং তারা দেখছিল।

(1) এই صَاعِقَةٌ (বজ্রাঘাত)টি ছিল আসমানী বিকট এক প্রকার শব্দ এবং তার সাথে নিম্নদেশ থেকে ছিল رَجْفَةٌ (ভূমিকম্পন)। যেমন, সূরা আ’রাফের ৭৮নং আয়াতে আছে।