আ-খিযীনা মাআ-তা-হুম রব্বুহুম ইন্নাহুম ক-নূকাবলা যা-লিকা মুহছিনীন।উচ্চারণ
তাদের রব যা কিছু তাদের দান করবেন তা সানন্দে গ্রহণ করতে থাকবে। ১৪ সেদিনটি আসার পূর্বে তারা ছিল সৎকর্মশীল। তাফহীমুল কুরআন
তাদের প্রতিপালক তাদেরকে যা-কিছু দেবেন, তারা তা উপভোগ করতে থাকবে। তারা তো এর আগেই সৎকর্মশীল ছিল।মুফতী তাকী উসমানী
উপভোগ করবে তা যা তাদের রাব্ব তাদেরকে প্রদান করবেন; কারণ পার্থিব জীবনে তারা ছিল সৎকর্মপরায়ণ।মুজিবুর রহমান
এমতাবস্থায় যে, তারা গ্রহণ করবে যা তাদের পালনকর্তা তাদেরকে দেবেন। নিশ্চয় ইতিপূর্বে তারা ছিল সৎকর্মপরায়ণ,মাওলানা মুহিউদ্দিন খান
উপভোগ করবে তা যা তাদের প্রতিপালক তাদেরকে দিবেন; কারণ পার্থিব জীবনে তারা ছিল সৎকর্মপরায়ণ, ইসলামিক ফাউন্ডেশন
তাদের রব তাদের যা দিবেন তা তারা খুশীতে গ্রহণকারী হবে। ইতঃপূর্বে এরাই ছিল সৎকর্মশীল।আল-বায়ান
তাদের প্রতিপালক যা তাদেরকে দিবেন তা তারা ভোগ করবে, কারণ তারা পূর্বে (দুনিয়ার জীবনে) ছিল সৎকর্মশীল,তাইসিরুল
তাদের প্রভু যা তাদের দেবেন তারা তা গ্রহণ করতে থাকবে। তারা এর আগে নিশ্চয়ই ছিল সৎকর্মশীল।মাওলানা জহুরুল হক
১৪
যদিও আয়াতের মূল বাক্যাংশ হচ্ছে آخِذِينَ مَا آتَاهُمْ رَبُّهُمْ এবং যার শাব্দিক অনুবাদ শুধু এই যে, “তাদের রব যা দিবেন তা তারা নিতে থাকবে।” কিন্তু এক্ষেত্রে নেয়ার অর্থ শুধু নেয়া নয়, বরং সানন্দচিত্তে নেয়া। যেন কোন দানশীল ব্যক্তি কিছু লোককে হাতে তুলে পুরস্কার দিচ্ছেন আর তারা লাফালাফি করে তা নিচ্ছে। কোন ব্যক্তিকে যখন তার পছন্দের জিনিস দেয়া যায় সে মুহূর্তে নেয়ার মধ্যে আপনা থেকেই সানন্দে নেয়ার অর্থ সৃষ্টি হয়ে যায়। কুরআন মজীদে একস্থানে বলা হয়েছেঃ
أَلَمْ يَعْلَمُوا أَنَّ اللَّهَ هُوَ يَقْبَلُ التَّوْبَةَ عَنْ عِبَادِهِ وَيَأْخُذُ الصَّدَقَاتِ
“মানুষ কি জানে না, আল্লাহই তো বান্দার তাওবা কবুল করেন এবং তাদের সাদকা গ্রহণ করেন।” (তাওবা ১০৪)
এখানে সাদকা গ্রহণ করার অর্থ তা শুধু নেয়া নয়, বরং সন্তুষ্ট হয়ে তা গ্রহণ করা।
১৬. গ্ৰহণ করবে তা যা তাদের রব তাদেরকে দিবেন; নিশ্চয় ইতোপূর্বে তারা ছিল সৎকর্মশীল,
(১৬) গ্রহণ (করে উপভোগ) করবে তা, যা তাদের প্রতিপালক তাদেরকে প্রদান করবেন, কারণ পার্থিব জীবনে তারা ছিল সৎকর্মপরায়ণ।