যূকূফিতনাতাকুম হা-যাল্লাযী কনতুম বিহী তাছতা‘জিলূন।উচ্চারণ
(এদের বলা হবে) এখন তোমাদের ফিতনার ১১ স্বাদ গ্রহণ করো। এটা সেই বস্তু যার জন্য তোমরা তাড়াহুড়া করছিলে। ১২ তাফহীমুল কুরআন
(বলা হবে) নিজেদের দুষ্কর্মের মজা ভোগ কর। এটাই সেই জিনিস, যা তোমরা তাড়াতাড়ি চাচ্ছিলে। মুফতী তাকী উসমানী
এবং (বলা হবে) তোমরা তোমাদের শাস্তি আস্বাদন কর, তোমরা এই শাস্তিই ত্বরান্বিত করতে চেয়েছিলে।মুজিবুর রহমান
তোমরা তোমাদের শাস্তি আস্বাদন কর। তোমরা একেই ত্বরান্বিত করতে চেয়েছিল।মাওলানা মুহিউদ্দিন খান
‘তোমরা তোমাদের শাস্তি আস্বাদন কর, তোমরা এই শাস্তিই ত্বরান্বিত করতে চেয়েছিলে।’ ইসলামিক ফাউন্ডেশন
বলা হবে, ‘তোমাদের আযাব আস্বাদন কর, এটিতো ‘তোমরা ত্বরান্বিত করতে চেয়েছিলে।’আল-বায়ান
(তাদেরকে বলা হবে) তোমরা তোমাদের (কৃতকর্মের) শাস্তি ভোগ কর, এটা হচ্ছে তাই যার জন্য তোমরা তাড়াহুড়া করছিলে।তাইসিরুল
তোমাদের অত্যাচার তোমরা আস্বাদন কর। এইটিই সেই যেটি তোমরা ত্বরান্বিত করতে চেয়েছিল।মাওলানা জহুরুল হক
১১
এখানে ‘ফিতনা’ শব্দটি দু’টি অর্থ প্রকাশ করছে। একটি অর্থ হচ্ছে, নিজের এ আযাবের স্বাদ গ্রহণ করো। অপর অর্থটি হচ্ছে, তোমরা পৃথিবীতে যে বিভ্রান্তির ধুম্রজাল সৃষ্টি করে রেখেছিলে তার স্বাদ গ্রহণ করো। আরবী ভাষায় এ শব্দটির এ দু’টি অর্থ গ্রহণের সমান অবকাশ আছে।
১২
“তাহলে প্রতিদানের সেদিনটি কবে আসবে” কাফেরদের এ প্রশ্নে এ অর্থও বহন করছিলো যে, তা আসতে বিলম্ব হচ্ছে কেন? আমরা যখন তা অস্বীকার করছি এবং তার অস্বীকৃতির শাস্তি আমাদের জন্য অনিবার্য হয়ে পড়েছে তখন তা আসছে না কেন? এ কারণে তারা যখন জাহান্নামের আগুনে দগ্ধিভূত হতে থাকবে তখন বলা হবে, এটি সেই জিনিস যা তোমরা দ্রুত কামনা করছিলে। এ আয়াতাংশ থেকে স্বতই এ অর্থ প্রকাশ পায় যে, এটা নিছক আল্লাহর করুণা ছিল যে, তোমাদের অবাধ্যতা প্রকাশের সাথে সাথে তিনি তোমাদেরকে পাকড়াও করেননি। বরং তোমাদেরকে ভেবে-চিন্তে দেখার, বুঝার এবং নিজেকে সামলে নেয়ার জন্য তিনি দীর্ঘ অবকাশ দিয়ে এসেছেন। কিন্তু তোমরা এমন নির্বোদ যে, সে অবকাশ থেকে উপকৃত হওয়ার পরিবর্তে সে সময়টি যেন দ্রুত নিয়ে আসা হয় সেই দাবী করে এসেছো। এখন দেখে নাও, যে জিনিসের দ্রুত আগমন কামনা করছিলে তা কেমন জিনিস।
কাফেরদেরকে যখন আখেরাতের শাস্তি সম্পর্কে সতর্ক করা হত, তখন তারা বলত, সে শাস্তি এখনই আসছে না কেন?
১৪. বলা হবে, তোমরা তোমাদের শাস্তি(১) আস্বাদন কর, তোমরা এ শাস্তিই তরান্বিত করতে চেয়েছিলে।
(১) পবিত্র কুরআন এখানে فتنة শব্দটি ব্যবহার করেছে। এখানে ফিতনা শব্দটি দু'টি অর্থ প্রকাশ করছে। একটি অর্থ হচ্ছে, নিজের এ আযাবের স্বাদ গ্ৰহণ করো। অপর অর্থটি হচ্ছে, তোমরা পৃথিবীতে যে বিভ্রান্তির ধূম্রজল সৃষ্টি করে রেখেছিলে তার স্বাদ গ্ৰহণ করো। আরবী ভাষায় এ শব্দটির এ দু’টি অর্থ গ্রহণের সমান অবকাশ আছে। (কুরতুবী)
(১৪) (এবং বলা হবে,) তোমরা তোমাদের শাস্তি(1) আস্বাদন কর। এটা তো তাই, যার জন্য তোমরা তাড়াতাড়ি করছিলে।
(1) فِتْنَةٌ এর অর্থ শাস্তি বা আগুনে দগ্ধ হওয়া।