ফামা-বাকাত ‘আলাইহিমুছ ছামাউ ওয়াল আরদুওয়ামা-ক-নূমুনজারীন।উচ্চারণ
অতঃপর না আসমান তাদের জন্য কেঁদেছে না যমীন ২৫ এবং সামান্যতম অবকাশও তাদের দেয়া হয়নি। তাফহীমুল কুরআন
অতঃপর তাদের জন্য না আসমান কাঁদল, না যমীন #%১১%# এবং তাদেরকে কিছুমাত্র অবকাশও দেওয়া হল না।মুফতী তাকী উসমানী
আকাশ এবং পৃথিবীর কেহই তাদের জন্য অশ্রুপাত করেনি এবং তাদেরকে অবকাশও দেয়া হয়নি।মুজিবুর রহমান
তাদের জন্যে ক্রন্দন করেনি আকাশ ও পৃথিবী এবং তারা অবকাশও পায়নি।মাওলানা মুহিউদ্দিন খান
আকাশ এবং পৃথিবী কেউই এদের জন্যে অশ্রুপাত করে নাই এবং এদেরকে অবকাশও দেওয়া হয় নাই।ইসলামিক ফাউন্ডেশন
অতঃপর আসমান ও যমীন তাদের জন্য কাঁদেনি এবং তারা অবকাশপ্রাপ্ত ছিল না।আল-বায়ান
আসমান আর যমীন তাদের জন্য কাঁদেনি, আর তাদেরকে একটু অবসরও দেয়া হয়নি।তাইসিরুল
তারপর মহাকাশ ও পৃথিবী তাদের জন্য কাঁদে নি, আর তারা অবকাশপ্রাপ্তও হয়নি।মাওলানা জহুরুল হক
২৫
অর্থাৎ তারা যখন শাসক ছিল তখন তাদের শ্রেষ্ঠত্বের ডঙ্কা বাজতো। পৃথিবীতে তাদের প্রশংসা গীত প্রতিধ্বনিত হতো। তাদের আগে ও পিছে চাটুকারদের ভিড় লেগে থাকতো। তাদের এমন ভাবমূর্তি সৃষ্টি করা হতো যেন গোটা জগতই তাদের গুণাবলীর ভক্ত-অনুরক্ত, তাদের দয়া ও করুণার দানে ঋনী এবং পৃথিবীতে তাদের চেয়ে জনপ্রিয় আর কেউ নেই। কিন্তু যখন তাদের পতন হলো একটি চোখ থেকেও তাদের জন্য অশ্রুপাত হয়নি বরং সবাই প্রাণ ভরে এমন শ্বাস নিয়েছে যেন তার পাঁজরে বিদ্ধ কাঁটাটি বের হয়ে গিয়েছে। একথা সবারই জানা, তারা আল্লাহর বান্দাদের কোন কল্যাণ করেনি যে তারা তার জন্য কাঁদবে। আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্যও কোনো কাজ করেনি যে, আসমান-বাসীরা তাদের ধ্বংসের কারণে আহাজারি করবে। আল্লাহর ইচ্ছানুসারে যতদিন তাদেরকে অবকাশ দেয়া হয়েছে তারা পৃথিবীর বুকের ওপর দুর্বলদের অত্যাচার করেছে। কিন্তু তাদের অপরাধের মাত্রা সীমালঙ্ঘন করলে এমনভাবে ছুঁড়ে ফেলা হয়েছে যেমন ময়লা আবর্জনা ফেলা হয়।
অর্থাৎ তাদের জুলুম-অত্যাচারে গণমানুষ এমনই অতিষ্ঠ ছিল যে, তাদের নিদারুণ উচ্ছেদ কারও অন্তরে করুণা সঞ্চার করল না, তাদের প্রতি কেউ কণামাত্র বিয়োগ বেদনা অনুভব করল না। -অনুবাদক
২৯. অতঃপর আসমান এবং যমীন তাদের জন্য অশ্রুপাত করেনি এবং তারা অবকাশপ্ৰাপ্তও ছিল না।
(২৯) আকাশ ও পৃথিবী কেউই ওদের জন্যে অশ্রুপাত করেনি(1) এবং ওদেরকে অবকাশও দেওয়া হয়নি।
(1) অর্থাৎ, এই ফিরআউনীদের কোন নেক আমলই ছিল না যে, তা আকাশে চড়ত এবং তার ধারাবাহিকতা ছিন্ন হওয়ার ফলে আকাশ কাঁদত। আর না তারা পৃথিবীতে আল্লাহর ইবাদত করেছে যে, তা থেকে বঞ্চিত হওয়ার ফলে পৃথিবী কাঁদত। অর্থাৎ, তাদের ধ্বংসের জন্য আকাশ ও পৃথিবীর মধ্যে কাঁদার কেউ ছিল না। (ফাতহুল ক্বাদীর)