কাযা-লিকা ওয়া আওরছনা-হা-কাওমান আ-খারীন।উচ্চারণ
এই হয়েছে তাদের পরিণাম। আমি অন্যদেরকে এসব জিনিসের উত্তরাধিকারী বানিয়ে দিয়েছি। ২৪ তাফহীমুল কুরআন
ওই রকমই হল তাদের পরিণাম। আর আমি এসব জিনিসের ওয়ারিশ বানিয়ে দিলাম অপর এক সম্প্রদায়কে। #%১০%#মুফতী তাকী উসমানী
এরূপই ঘটেছিল এবং আমি এই সমুদয়ের উত্তরাধিকারী করেছিলাম ভিন্ন সম্প্রদায়কে।মুজিবুর রহমান
এমনিই হয়েছিল এবং আমি ওগুলোর মালিক করেছিলাম ভিন্ন সম্প্রদায়কে।মাওলানা মুহিউদ্দিন খান
এইরূপই ঘটিয়াছিল এবং আমি এই সমুদয়ের উত্তরাধিকারী করেছিলাম ভিন্ন সম্প্রদায়কে।ইসলামিক ফাউন্ডেশন
এমনটিই হয়েছিল এবং আমি এগুলোর উত্তরাধিকারী করেছিলাম অন্য কওমকে।আল-বায়ান
এমনটাই হয়েছিল, অতঃপর আমি অন্য জাতির লোকদেরকে সে সবের উত্তরাধিকারী করে দিয়েছিলাম।তাইসিরুল
এইভাবেই, আর এইসব আমরা অন্য এক জাতিকে উত্তরাধিকার করতে দিয়েছিলাম।মাওলানা জহুরুল হক
২৪
হযরত হাসান বাসারী বলেনঃ এর অর্থ বনী ইসরাঈল, যাদেরকে ফেরাউনের কওমের ধ্বংসের পর আল্লাহর মিসরের উত্তরাধিকারী করেছিলেন। কাতাদা বলেনঃ এর অর্থ অন্য জাতির লোক, যারা ফেরাউনের অনুসারীদের ধ্বংস করার পরে মিসরের উত্তরাধিকারী হয়েছিলো। কারণ, ইতিহাসে কোথাও উল্লেখ নেই যে, মিসর থেকে বের হওয়ার পর বনী ইসরাঈলরা আর কখনো সেখানে ফিরে গিয়েছিলো এবং সে দেশের কর্তৃত্ব গ্রহণ করেছিলো। পরবর্তীকালের মুফাসসিরদের মধ্যেও এই মতভেদ দেখা যায়। (বিস্তারিত জানার জন্য দেখুন, তাফহীমুল কুরআন, সূরা আশ শুআরা, টীকা ৪৫)।
অর্থাৎ বনী ইসরাঈলকে। এক বর্ণনা অনুযায়ী ফির‘আউন সসৈন্যে নিমজ্জিত হওয়ার পর সমগ্র মিসরে তাদের কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠিত হয় আর এভাবে আল্লাহ তাআলা নিপীড়িত সম্প্রদায়টিকে তাদের উৎপীড়ক জাতির স্থানে অধিষ্ঠিত করে দেন (দেখুন সূরা আরাফ ৭ : ১৩৭, শুআরা ২৬ : ৫৯)। -অনুবাদক
২৮. এরূপই ঘটেছিল এবং আমরা এ সবকিছুর উত্তরাধিকারী করেছিলাম ভিন্ন(১) সম্প্রদায়কে।
(১) অন্যত্র বলা হয়েছে যে, এই ভিন্ন জাতি হচ্ছে বনী-ইসরাঈল। (সূরা আশ-শু'আরা: ৫৯) অবশ্য বনী ইসরাঈল পুনরায় মিসরে আগমন করেছিল বলে ইতিহাসে প্রমাণ পাওয়া যায় না। সূরা আশ-শু'আরার ৫৯ নং আয়াতের তফসীরে এর বিস্তারিত জবাবও দেয়া হয়েছে।
(২৮) এরূপই ঘটেছিল(1) এবং আমি এ সম্প্রদায়ের উত্তরাধিকারী করলাম ভিন্ন সম্প্রদায়কে। (2)
(1) كذلك অর্থাৎ, এ ব্যাপারটা ঐভাবেই ঘটেছে, যেভাবে বর্ণনা করা হল।
(2) কারো কারো নিকট এ থেকে লক্ষ্য হল বানী-ইস্রাঈল। তবে কারো কারো নিকট বানী-ইস্রাঈলের পুনরায় মিশর ফিরে আসার কথা ঐতিহাসিকভাবে প্রমাণিত নয়। অতএব মিশর রাজ্যের উত্তরাধিকারী অন্য কোন জাতি হয়ে থাকবে, বানী-ইস্রাঈল নয়।