রব্বানাকশিফ ‘আন্নাল ‘আযা-বা ইন্না-মু’মিনূন।উচ্চারণ
(এখন এরা বলে) হে প্রভু, আমাদের ওপর থেকে আযাব সরিয়ে দাও। আমরা ঈমান আনবো। তাফহীমুল কুরআন
(তখন তারা বলবে) হে আমাদের প্রতিপালক! আমাদের থেকে এই শাস্তি অপসারণ করুন। আমরা অবশ্যই ঈমান আনব।মুফতী তাকী উসমানী
তখন তারা বলবেঃ হে আমাদের রাব্ব! আমাদেরকে এই শাস্তি হতে মুক্তি দিন, আমরা ঈমান আনব।মুজিবুর রহমান
হে আমাদের পালনকর্তা আমাদের উপর থেকে শাস্তি প্রত্যাহার করুন, আমরা বিশ্বাস স্থাপন করছি।মাওলানা মুহিউদ্দিন খান
তখন এরা বলবে, ‘হে আমাদের প্রতিপালক ! আমাদের হতে শাস্তি দূর কর, অবশ্যই আমরা ঈমান আনব।’ ইসলামিক ফাউন্ডেশন
(তখন তারা বলবে) ‘হে আমাদের রব, আমাদের থেকে আযাব দূর করুন; নিশ্চয় আমরা মুমিন হব।’আল-বায়ান
(তখন তারা আরয করবে)- হে আমাদের পালনকর্তা! আমাদের থেকে শাস্তি সরিয়ে দিন, আমরা ঈমান আনলাম।তাইসিরুল
আমাদের প্রভু! আমাদের থেকে শাস্তি সরিয়ে নাও, নিঃসন্দেহ আমরা বিশ্বাসী হচ্ছি।মাওলানা জহুরুল হক
১২. (তারা বলবে) হে আমাদের রব! আমাদের থেকে শাস্তি দূর করুন, নিশ্চয় আমরা মুমিন হব।
(১২) তখন ওরা বলবে, ‘হে আমাদের প্রতিপালক! আমাদের উপর হতে শাস্তি দূর কর, আমরা বিশ্বাস স্থাপন করব।’ (1)
(1) প্রথম ব্যাখ্যা অনুপাতে এ কথা মক্কার কাফেররা বলেছে। আর দ্বিতীয় ব্যাখ্যা অনুপাতে এ কথা কিয়ামতের নিকটবর্তী সময়ের কাফেররা বলবে।