ইল্লা-মান হুওয়া সা-লিল জাহীম।উচ্চারণ
সে ব্যক্তিকে ছাড়া যে জাহান্নামের প্রজ্জ্বলিত আগুনে প্রবেশকারী হবে। ৯০ তাফহীমুল কুরআন
সেই ব্যক্তিকে ছাড়া, যে জাহান্নামে প্রবেশ করবে।মুফতী তাকী উসমানী
শুধু প্রজ্জ্বলিত আগুনে প্রবেশকারীকে ব্যতীত।মুজিবুর রহমান
শুধুমাত্র তাদের ছাড়া যারা জাহান্নামে পৌছাবে।মাওলানা মুহিউদ্দিন খান
কেবল প্রজ্বলিত অগ্নিতে প্রবেশকারীকে ব্যতীত। ইসলামিক ফাউন্ডেশন
জ্বলন্ত আগুনে প্রবেশকারী ছাড়া।আল-বায়ান
পারবে কেবল তাকে, যে জ্বলন্ত আগুনে প্রবেশকারী।তাইসিরুল
তাকে ব্যতীত যে জ্বলন্ত আগুনে পুড়তে চায়।মাওলানা জহুরুল হক
৯০
এ আয়াতের দ্বিতীয় অনুবাদ এও হতে পারেঃ “কাজেই তোমরা ও তোমাদের এ ইবাদাত, এর ভিত্তিতে তোমরা কাউকে ফিতনার মধ্যে নিক্ষেপ করতে পারো না কিন্তু একমাত্র তাকে যে ....................।” এ দ্বিতীয় অনুবাদের প্রেক্ষিতে এর অর্থ হবে, হে পথভ্রষ্টের দল। এই যে, তোমরা আমাদের পূজা করছো এবং আমাদেরকে আল্লাহর রব্বুল আলামীনের সন্তান গণ্য করছো, এর মাধ্যমে তোমরা আমাদেরকে ফিতনার মধ্যে নিক্ষেপ করতে পারো না। এর মাধ্যমে তো কেবলমাত্র এমন নির্বোধই ফিতনার মধ্যে নিক্ষিপ্ত হতে পারে, যে সর্বনাশের শেষ সীমায় পৌঁছে গেছে। অন্য কথায় বলা যায়, ফেরেশতারা তাদেরকে বলছেঃ “পাতো এ ফাঁদ অন্য পাখির জন্য।”
১৬৩. শুধু প্ৰজ্জলিত আগুনে যে দগ্ধ হবে সে ছাড়া।(১)
(১) ইবনে আব্বাস বলেন, তোমরা কাউকে পথভ্রষ্ট করতে পারবে না, আর আমিও তোমাদের কাউকে পথভ্রষ্ট করব না। তবে যার জন্য আমার ফয়সালা হয়ে গেছে সে জাহান্নামে দগ্ধ হবে, তার কথা ভিন্ন। (তাবারী) কাতাদাহ বলেন, তোমরা তোমাদের বাতিল দিয়ে আমার বান্দাদের কাউকে পথভ্ৰষ্ট করতে পারবে না, তবে যে জাহান্নামের আমল করে তোমাদেরকে বন্ধু বানিয়েছে সে ছাড়া। (তাবারী)
(১৬৩) কেবল তাকে বিভ্রান্ত করতে পারবে, যে জাহান্নামে প্রবেশ করবে। (1)
(1) অর্থাৎ, তোমরা ও তোমাদের বাতিল উপাস্য, তাদেরকে ছাড়া কাউকে পথভ্রষ্ট করার ক্ষমতা রাখো না, যারা আল্লাহর জ্ঞানে পূর্ব থেকেই জাহান্নামী এবং সে জন্যই তারা কুফর ও শিরকের উপর অটল আছে।