إِذۡ جَآءَ رَبَّهُۥ بِقَلۡبٖ سَلِيمٍ

ইযজাআ রব্বাহূবিকালবিন ছালীম।উচ্চারণ

যখন সে তাঁর রবের সামনে হাজির হয় “বিশুদ্ধ চিত্ত” নিয়ে। ৪৪ তাফহীমুল কুরআন

যখন সে তার প্রতিপালকের কাছে উপস্থিত হয়েছিল বিশুদ্ধ অন্তরে।মুফতী তাকী উসমানী

স্মরণ কর, সে তার রবের নিকট উপস্থিত হয়েছিল বিশুদ্ধ চিত্তে।মুজিবুর রহমান

যখন সে তার পালনকর্তার নিকট সুষ্ঠু চিত্তে উপস্থিত হয়েছিল,মাওলানা মুহিউদ্দিন খান

স্মরণ কর, সে তার প্রতিপালকের নিকট উপস্থিত হয়েছিল বিশুদ্ধচিত্তে; ইসলামিক ফাউন্ডেশন

যখন সে বিশুদ্ধচিত্তে তার রবের নিকট উপস্থিত হয়েছিল।আল-বায়ান

সে যখন তার প্রতিপালকের কাছে বিশুদ্ধ অন্তর নিয়ে হাজির হল,তাইসিরুল

স্মরণ কর! তিনি তাঁর প্রভুর কাছে এসেছিলেন বিশুদ্ধ চিত্ত নিয়ে, --মাওলানা জহুরুল হক

তাফহীমুল কুরআন

৪৪

রবের সামনে হাজির হওয়ার অর্থ হচ্ছে, তাঁর দিকে রুজু হওয়া এবং সবার দিক থেকে মুখ ফিরিয়ে নিয়ে একমাত্র তাঁর দিকে মুখ করা। আর বিশুদ্ধ চিত্ত (قلب السليم) মানে হচ্ছে “সঠিক ও নিষ্কলূষ অন্তকরণ।” অর্থাৎ সব রকমের বিশ্বাসগত ও নৈতিক ত্রুটিমুক্ত অন্তর। যেখানে কুফরী ও শিরক এবং সন্দেহ-সংশয়ের লেশ মাত্রও নেই। যার মধ্যে নাফরমানী ও বিদ্রোহের কোন সামান্যতম অনুভূতিও পাওয়া যায় না। যার মধ্যে কোন প্রকান প্যাঁচ ও জটিলতা নেই। যা সব ধরনের অসৎ প্রবণতা ও অপবিত্র কামনা-বাসনার সম্পূর্ণ প্রভাবমুক্ত। যার মধ্যে কারো বিরুদ্ধে হিংসা, বিদ্বেষ ও অকল্যাণ কামনা পাওয়া যায় না এবং যার নিয়তে কোনপ্রকার ত্রুটি ও কৃত্রিমতা নেই।

তাফসীরে মুফতি তাকি উসমানী

তাফসীরে জাকারিয়া

৮৪. স্মরণ করুন, যখন তিনি তার রবের কাছে উপস্থিত হয়েছিলেন বিশুদ্ধচিত্তে(১);

(১) সুদ্দী বলেন, অর্থাৎ শির্কমুক্ত হয়ে আল্লাহর কাছে আসলেন। (তাবারী)

তাফসীরে আহসানুল বায়ান

(৮৪) স্মরণ কর, সে তার প্রতিপালকের নিকট সুস্থ হৃদয়ে উপস্থিত হয়েছিল;