ওয়া জা‘আলনা- যুররিইইয়াতাহূহুমুল বাকীন।উচ্চারণ
শুধু তাঁর বংশধরদেরকেই টিকিয়ে রাখি ৪২ তাফহীমুল কুরআন
আর আমি তার বংশধরকেই (দুনিয়ায়) বাকি রেখেছি।মুফতী তাকী উসমানী
তার বংশধরদেরকেই আমি বিদ্যমান রেখেছি বংশ পরম্পরায়।মুজিবুর রহমান
এবং তার বংশধরদেরকেই আমি অবশিষ্ট রেখেছিলাম।মাওলানা মুহিউদ্দিন খান
তার বংশধরদেরকেই আমি বিদ্যমান রেখেছি বংশপরম্পরায়, ইসলামিক ফাউন্ডেশন
আর তার বংশধরদেরকেই আমি অবশিষ্ট রেখেছিলাম,আল-বায়ান
আর তার বংশধরদেরকেই আমি বংশানুক্রমে বিদ্যমান রাখলাম।তাইসিরুল
আর তাঁর সন্তান-সন্ততিকে আমরা বানিয়েছিলাম প্রকৃত টিকে থাকা দল,মাওলানা জহুরুল হক
৪২
এর দু’টি অর্থ হতে পারে। এক, যারা হযরত নূহের বিরোধিতা করেছিল তাদের বংশধারা দুনিয়ার বুক থেকে নিশ্চিহ্ন করে দেয়া হয়েছে এবং হযরত নূহেরই বংশধারাকে টিকিয়ে রাখা হয়েছে। দুই, সমস্ত মানব বংশধারাকে খতম করে দেয়া হয়েছে এবং সামনের দিকে কেবলমাত্র নূহ আলাইহিস সালামের সন্তানদের মাধ্যমে এ দুনিয়ার জনবসতিকে বিস্তৃতি দান করা হয়েছে। সাধারণভাবে মুফসসিরগণ এ দ্বিতীয় অর্থটিই গ্রহণ করেছেন। কিন্তু কুরআন মজীদের শব্দবলী এ অর্থটির ব্যাপারে সুস্পষ্ট নয়। আসল ব্যাপারটা কি তা আল্লাহ ছাড়া কেউ জানে না।
৭৭. আর তার বংশধরদেরকেই আমরা বিদ্যমান রেখেছি (বংশপরম্পরায়)(১),
(১) ইবনে আব্বাস বলেন, এর অর্থ শুধু নূহের সন্তানরাই অবশিষ্ট ছিল। (তাবারী)
(৭৭) তার বংশধরদেরকেই আমি অবশিষ্ট রেখেছি; (1)
(1) অধিকাংশ মুফাসসিরীনদের মতে নূহ (আঃ)-এর অবশিষ্ট বংশধর বলতে তাঁর তিনটি সন্তান ছিল; হাম, সাম ও ইয়াফেস। মানুষের পরবর্তী জন্মধারা তাদের থেকেই চলে আসছে। যার জন্য নূহ (আঃ)-কে দ্বিতীয় আদম বলা হয়। অর্থাৎ আদম (আঃ)-এর মত, আদম (আঃ)-এর পর তিনি দ্বিতীয় মানব-পিতা। সামের বংশ থেকে আরব, পারসীক, রোম এবং ইয়াহুদী ও নাসারার জন্ম। হামের বংশ থেকে সুডান (পূর্ব থেকে পশ্চিম পর্যন্ত) অর্থাৎ সিন্ধী, ভারতীয়, (দক্ষিণ মিসরের) নূবী, (আফ্রিকার) নিগ্রো, হাবশী, ক্বিবত্বী এবং বর্বর ইত্যাদি হয়েছে এবং ইয়াফেসের বংশ থেকে (বুলগারিয়ার) স্বাক্বালিবা, (তুর্কিস্তানের) তুর্কী, খাযার এবং ইয়া’জুজ-মা’জুজ ইত্যাদি জাতির জন্ম হয়েছে। (ফাতহুল ক্বাদীর) (এ ব্যাপারে কোন সঠিক প্রমাণ নেই।) والله أعلم।