ওয়া নাজ্জাইনা-হু ওয়া আহলাহূমিনাল কারবিল ‘আজীম।উচ্চারণ
আমি তাঁকে ও তাঁর পরিবারবর্গকে উদ্ধার করি ভয়াবহ যন্ত্রণা থেকে, ৪১ তাফহীমুল কুরআন
আমি তাকে ও তার পরিবারবর্গকে নাজাত দিয়েছিলাম মহাসংকট থেকে।মুফতী তাকী উসমানী
তাকে ও তার পরিবারবর্গকে আমি উদ্ধার করেছিলাম মহা সংকট হতে।মুজিবুর রহমান
আমি তাকে ও তার পরিবারবর্গকে এক মহাসংকট থেকে রক্ষা করেছিলাম।মাওলানা মুহিউদ্দিন খান
তাকে এবং তার পরিবারবর্গকে আমি উদ্ধার করেছিলাম মহাসংকট হতে। ইসলামিক ফাউন্ডেশন
আর তাকে ও তার পরিজনকে আমি মহাবিপদ থেকে উদ্ধার করেছিলাম।আল-বায়ান
তাকে আর তার পরিবারবর্গকে আমি মহা বিপদ থেকে উদ্ধার করেছিলাম।তাইসিরুল
আর আমরা তাঁকে ও তাঁর পরিজনকে ভীষণ সংকট থেকে উদ্ধার করেছিলাম,মাওলানা জহুরুল হক
৪১
অর্থাৎ একটি চরিত্রহীন ও জালেম জাতির ক্রমাগত বিরোধিতার কারণে তিনিই যে ভয়াবহ যন্ত্রণা, ক্লেশ ও কষ্টের সম্মুখীন হচ্ছিলেন। এর মধ্যে এ বিষয়টির প্রতিও একটি সূক্ষ্ম ইঙ্গিত রযেছে যে, নূহ আলাইহিস সালাম ও তাঁর সাথিদেরকে যেভাবে সেই মহাক্লেশ থেকে উদ্ধার করা হয়েছে, ঠিক তেমনি শেষ পর্যন্ত আমি মুহাম্মাদ ﷺ ও তাঁর সঙ্গী-সাথিদেরকেও মক্কাবাসীরা যে মহাক্লেশের মধ্যে নিক্ষেপ করেছে তা থেকে উদ্ধার করবো।
৭৬. আর তাকে এবং তার পরিবারবর্গকে আমরা উদ্ধার করেছিলাম মহাসংকট থেকে।
(৭৬) তাকে এবং তার পরিবারবর্গকে(1) আমি মহাসঙ্কট হতে রক্ষা করেছিলাম।
(1) أَهْلٌ এর অর্থ নূহ (আঃ)-এর প্রতি বিশ্বাস স্থাপনকারী, তাঁর বাড়ির মু’মিন ব্যক্তিরাও এর অন্তর্ভুক্ত। কোন কোন মুফাসসির তাদের মোট সংখা ৮০ জন বলেছেন। তাঁর স্ত্রী ও একজন ছেলে (কিনআন) তাদের অন্তর্ভুক্ত নয়। কারণ তারা মু’মিন ছিল না। তারাও তুফানে ডুবে গিয়েছিল। ‘মহাসঙ্কট’ বলতে সেই মহা প্লাবনকে বুঝানো হয়েছে, যাতে ঐ সম্প্রদায় ডুবে ধ্বংস হয়ে গিয়েছিল।