তাল‘উহা-কাআন্নাহূরুঊছুশশায়া-তীন।উচ্চারণ
তার ফুলের কলিগুলো যেন শয়তানদের মুণ্ডু। ৩৬ তাফহীমুল কুরআন
তার মোচা এমন, যেন তা শয়তানদের মাথা। #%১২%#মুফতী তাকী উসমানী
ওটার মোচা যেন শাইতানের মাথা।মুজিবুর রহমান
এর গুচ্ছ শয়তানের মস্তকের মত।মাওলানা মুহিউদ্দিন খান
এটার মোচা যেন শয়তানের মাথা ইসলামিক ফাউন্ডেশন
এর ফল যেন শয়তানের মাথা;আল-বায়ান
এর চূড়াগুলো যেন শয়ত্বানের মাথা (অর্থাৎ দেখতে খুবই খারাপ।)তাইসিরুল
এর ফলফসল যেন শয়তানদের মুন্ডু।মাওলানা জহুরুল হক
৩৬
এখানে এরূপ ভুল বুঝাবুঝি হওয়া চাই না যে, শয়তানের মাথা কে দেখেছে যে যাক্কুম গাছের ফুলকে তার সাথে তুলনা করা হয়েছে? আসলে এটি একটি কাল্পনিক উপমা। সাধারণভাবে প্রত্যেক ভাষার সাহিত্যে এর সাহায্য গ্রহণ করা হয়ে থাকে। যেমন আমরা একটি মেয়ের পরমা সুন্দরী হবার ধারণা প্রকাশ কারার জন্য বলি, বাহ্! মেয়েটি পরীর মতো সুন্দরী। অন্যদিকে কোন মেয়ের ন্যায় চরম কদাকার রূপ বর্ণনা করার জন্য বলি, মেয়েটি যেন একটি পেত্নী। কোন ব্যক্তির নূরানী চেহারার বর্ণনা দেবার জন্য বলে থাকি, ঠিক ফেরেশতার মতো চেহারা। আর কেউ যদি অত্যন্ত ভয়াল ভীষণ আকৃতি নিয়ে সামনে আসে তাহলে আমরা বলি, তাকে ঠিক শয়তানের মতো দেখাচ্ছে।
এর এক তরজমা করা হয়েছে শয়তানের মাথা। এ কারণেই কেউ কেউ বলেন, আমরা যাকে ফনিমনসা গাছ বলি সেটাই হল যাক্কুম গাছ।
৬৫. এর মোচা যেন শয়তানের মাথা,
(৬৫) এর মোচা শয়তানের মাথার মত। (1)
(1) এটি দেখতে এত নিকৃষ্ট ও কুশ্রী যে, একে শয়তানের মাথার সাথে তুলনা করা হয়েছে; যেমন কোন ভাল লোকের উদাহরণ দিয়ে বলা হয়, ‘ঠিক যেন সে ফিরিশতা।’