ওয়া ‘ইনদাহুম ক-সির-তুত্তারফি ‘ঈন।উচ্চারণ
আর তাদের কাছে থাকবে আনত নয়না ২৮ সুলোচনা নারীগণ, ২৯ তাফহীমুল কুরআন
তাদের কাছে থাকবে ডাগর চোখের নারী, যাদের দৃষ্টি (আপন-আপন স্বামীতে) থাকবে নিবদ্ধ। #%১০%#মুফতী তাকী উসমানী
আর তাদের সঙ্গে থাকবে আনত নয়না আয়তলোচনা হুরবৃন্দ।মুজিবুর রহমান
তাদের কাছে থাকবে নত, আয়তলোচনা তরুণীগণ।মাওলানা মুহিউদ্দিন খান
তাদের সঙ্গে থাকবে আনতনয়না, আয়তলোচনা হূরীগণ। ইসলামিক ফাউন্ডেশন
তাদের কাছে থাকবে আনতনয়না, ডাগরচোখা।আল-বায়ান
তাদের কাছে থাকবে সংযত নয়না, সতী সাধ্বী, ডাগর ডাগর সুন্দর চক্ষু বিশিষ্টা সুন্দরীরা (হুরগণ)।তাইসিরুল
আর তাদের কাছে থাকবে সলাজ-নম্র আয়তলোচন, --মাওলানা জহুরুল হক
২৮
অর্থাৎ নিজের স্ত্রী ছাড়া অন্য কারো প্রতি দৃষ্টি নিক্ষেপ করে না।
২৯
সম্ভবত এরা সেসব মেয়ে হবে যারা প্রাপ্ত বয়স্কা হবার আগেই দুনিয়া থেকে বিদায় নিয়েছে এবং যাদের পিতামাতা জান্নাতলাভের অধিকারী হয়নি। অনুমানের ভিত্তিতে একথা বলা যেতে পারে যে, এ ধরনের ছেলেদেরকে যেমন জান্নাতবাসীদের সেবায় নিযুক্ত করে দেয়া হবে এবং তারা হামেশা বালকই থাকবে ঠিক তেমনি এ ধরনের মেয়েদেরকে জান্নাতবাসীদের জন্য হূরে পরিণত করা হবে এবং তারা চিরকাল উঠতি বালিকাই থাকবে। অবশ্য এ ব্যাপারে আল্লাহই ভালো জানেন।
এ আয়াতসমূহে যে নারীদের ছবি আঁকা হয়েছে, তারা হল জান্নাতের হুর। তাদের দৃষ্টি আপন-আপন স্বামীতেই আবদ্ধ থাকবে। অন্য কারও দিকে তারা চোখ তুলে তাকাবে না। আয়াতের আরও একটি ব্যাখ্যা আছে। কোন কোন মুফাসসির বলেন, তারা (এমনি তো অকল্পনীয় রূপসী হবেই, তাছাড়াও) আপন-আপন স্বামীদের চোখে এতটাই সুন্দরী হবে যে, তারা তাদের অন্য কোন নারীর দিকে আকৃষ্টই হতে দেবে না।
৪৮. তাদের সঙ্গে থাকবে আনতনয়না(১), ডাগর চোখ বিশিষ্ট(২) (হূরীগণ)।
(১) এখানে জান্নাতের হুরীদের বৈশিষ্ট্য বর্ণিত হয়েছে। এ আয়াতে প্রথমে তাদের গুণ বর্ণিত হয়েছে যে, তারা হবে ‘আনতনয়না’। যেসব স্বামীর সাথে আল্লাহ তা'আলা তাদের দাম্পত্য সম্পর্ক স্থাপন করে দেবেন, তারা তাদের ছাড়া কোন ভিন্ন পুরুষের প্রতি দৃষ্টিপাত করবে না। কোন কোন মুফাসসির এর অর্থ করেছেন, তারা তাদের স্বামীদের দৃষ্টি নত রাখবে। অর্থাৎ তারা নিজেরা এমন ‘অনিন্দ্য সুন্দরী ও স্বামীর প্রতি নিবেদিতা’ হবে যে, স্বামীদের মনে অন্য কোন নারীর প্রতি দৃষ্টিপাত করার বাসনাই হবে না। (দেখুন: তাবারী; আদওয়াউল বায়ান)
(২) এখানে হুরীদের দ্বিতীয় গুণ বর্ণিত হয়েছে। বলা হয়েছে যে, তাদের চোখ বড় বড় হবে। মেয়েদের চোখ বড় হলে সুন্দর দেখায়। (দেখুন: তাবারী; আদওয়াউল বায়ান)
(৪৮) তাদের সঙ্গে থাকবে আনতনয়না, আয়তলোচনা তরুণীগণ। (1)
(1) ‘আয়ত’ বা বড় ও ডাগর ‘লোচন’ বা চক্ষু হওয়া সৌন্দর্য্যের পরিচয়। অর্থাৎ বড় ও টানা চক্ষুবিশিষ্টা সুন্দরী তরুণী।