লা-ফীহা-গাওলুওঁ ওয়ালা-হুম ‘আনহা-ইউনঝাফূন।উচ্চারণ
তা তাদের কোন শারীরিক ক্ষতি করবে না এবং তাতে তাদের বুদ্ধিও ভ্রষ্ট হবে না। ২৭ তাফহীমুল কুরআন
তাতে মাথা ঘুরবে না এবং তাতে তারা হবে না মাতাল।মুফতী তাকী উসমানী
তাতে ক্ষতিকর কিছুই থাকবেনা এবং তারা তাতে মাতালও হবেনা।মুজিবুর রহমান
তাতে মাথা ব্যথার উপাদান নেই এবং তারা তা পান করে মাতালও হবে না।মাওলানা মুহিউদ্দিন খান
এতে ক্ষতিকর কিছু থাকবে না এবং এতে তারা মাতালও হবে না, ইসলামিক ফাউন্ডেশন
তাতে থাকবে না ক্ষতিকর কিছু* এবং তারা এগুলো দ্বারা মাতালও হবে না।আল-বায়ান
নেই তাতে দেহের জন্য ক্ষতিকর কোন কিছু, আর তারা তাতে মাতালও হবে না।তাইসিরুল
এতে মাথাব্যথা নেই, আর তারা এ থেকে মাতালও হবে না।মাওলানা জহুরুল হক
২৭
অর্থাৎ দুনিয়ার শরাবে যে দু’ধরনের দোষ থাকে তা হবে তার স্পর্শ মুক্ত। দুনিয়ার শরাবের এক ধরনের দোষ হচ্ছে মানুষ তার কাছে আসতেই প্রথমে তার পচা দুর্গন্ধ নাকে পৌঁছে যায়। তারপর তার স্বাদ মানুষের জিহ্বাকে তিক্ত ও বিস্বাদ করে দেয়। এরপর গলার নিচে নামার সাথে সাথেই তা পেট চেপে ধরে। তারপর তা মাথায় চড়তে থাকে এবং মাথায় চক্কর দিতে থাকে। এরপর তা যকৃত বা কলিজাকে প্রভাবিত করে এবং মানুষের স্বাস্থের ওপর তার খারাপ প্রভাব পড়তে থাকে। তারপর যখন নেশা খতম হয়ে যেতে থাকে তখন মানুষ নিদ্রালুতা ও অবসাদে আক্রান্ত হয়। এসব হচ্ছে শারীরিক ক্ষতি। দ্বিতীয় ধরনের দোষ হচ্ছে, শরাব পান করে মানুষ বকবক করতে থাকে, উল্টা-পাল্টা আজে-বাজে অর্থহীন কথা বলতে থাকে, এগুলো শরাবের মানসিক ক্ষতি। দুনিয়ায় মানুষ কেবলমাত্র আনন্দ লাভের জন্য এ সমস্ত ক্ষতি বরদাশত করে। আল্লাহ বলেন, জান্নাতের শরাবে আনন্দলাভ করা যাবে পূর্ণভাবে لَذَّةٍ لِلشَّارِبِينَ কিন্তু উপরোক্ত দু’ধরনের ক্ষতির কোনটারই সম্ভাবনা সেখানে থাকবে না।
৪৭. তাতে ক্ষতিকর কিছু থাকবে না এবং তাতে তারা মাতালও হবে না,
(৪৭) ওতে ক্ষতিকর কিছুই থাকবে না এবং ওতে তারা নেশাগ্রস্তও হবে না, (1)
(1) অর্থাৎ পৃথিবীর শারাবের মত তা পান করে বমি, মাথা ব্যথা, মাতলামি ও মতিভ্রমের আশঙ্কা থাকবে না।