فِي جَنَّـٰتِ ٱلنَّعِيمِ

ফী জান্না-তিন না‘ঈম।উচ্চারণ

সুস্বাদু জিনিস ২৩ এবং নিয়ামতে পরিপূর্ণ জান্নাত, যেখানে তাদেরকে মর্যাদা সহকারে রাখা হবে। তাফহীমুল কুরআন

নি‘আমতপূর্ণ উদ্যানেমুফতী তাকী উসমানী

সুখ কাননে।মুজিবুর রহমান

নেয়ামতের উদ্যানসমূহ।মাওলানা মুহিউদ্দিন খান

সুখদ-কাননে ইসলামিক ফাউন্ডেশন

নি‘আমত-ভরা জান্নাতে,আল-বায়ান

(তারা থাকবে) নি‘য়ামাতের ভরা জান্নাতেতাইসিরুল

আনন্দময় উদ্যানে,মাওলানা জহুরুল হক

তাফহীমুল কুরআন

২৩

এর মধ্যে এদিকেও একটি সূক্ষ্ম ইশারা রয়েছে যে, জান্নাতে আহার্য দ্রব্যাদি খাদ্য হিসেবে নয় বরং স্বাদ উপভোগের জন্য ব্যবহৃত হবে। অর্থাৎ সেখানে খাবার এ উদ্দেশ্যে খাওয়া হবে না যে, শরীরের ক্ষয় হয়ে যাওয়া অংশগুলোর শূন্যতা পূরণ করা হবে। কারণ সে চিরন্তন জীবনে শরীরের অংশগুলোর কোন ক্ষয়ই হবে না। মানুষের সেখানে ক্ষুধাও লাগবে না। এ দুনিয়ায় শরীরের অংশের ক্ষয়ের কারণে মানুষের ক্ষুধা পায়। আর শরীর নিজেকে জীবিত রাখার জন্য সেখানে খাদ্যও চাইবে না। এ কারণে জান্নাতের খাদ্যের জন্য فواكه (ফাওয়াকেহ) শব্দ ব্যবহার করা হয়েছে। এর অর্থের মধ্যে “খাদ্যে পরিণত হওয়া” এর পরিবর্তে “স্বাদ উপভোগ করা” এর অর্থ অধিকতর লক্ষণীয়।

তাফসীরে মুফতি তাকি উসমানী

তাফসীরে জাকারিয়া

৪৩. নেয়ামত-পূর্ণ জান্নাতে

তাফসীরে আহসানুল বায়ান

(৪৩) সুখময় বাগানসমূহে,