ফাইন্নামা-হিয়া ঝাজরতুওঁ ওয়া-হিদাতুন ফাইযা-হুম ইয়ানজু রূন।উচ্চারণ
ব্যস, একটিমাত্র বিকট ধমক হবে এবং সহসাই এরা স্বচক্ষে (সেই সবকিছু যার খবর দেয়া হচ্ছে) দেখতে থাকবে। ১২ তাফহীমুল কুরআন
ব্যস, তা তো একটি মাত্র মহানাদ হবে, আর অমনি তারা (যত সব বীভৎস দৃশ্য) দেখতে শুরু করবে।মুফতী তাকী উসমানী
ওটা একটি মাত্র প্রচন্ড শব্দ। আর তখনই তারা প্রত্যক্ষ করবে।মুজিবুর রহমান
বস্তুতঃ সে উত্থান হবে একটি বিকট শব্দ মাত্র-যখন তারা প্রত্যক্ষ করতে থাকবে।মাওলানা মুহিউদ্দিন খান
তা একটি মাত্র প্রচণ্ড শব্দ-আর তখনই এরা প্রত্যক্ষ করবে। ইসলামিক ফাউন্ডেশন
তা হবে কেবল এক আওয়াজ আর তৎক্ষণাৎ তারা দেখতে পাবে।আল-বায়ান
ওটা (হবে) মাত্র একটা প্রচন্ড শব্দ, আর তখনই তারা স্বচক্ষে (সব কিছু) দেখতে পাবে।তাইসিরুল
তখন সেটি কিন্তু একটিমাত্র মহাগর্জন হবে, তখন দেখো! তারা চেয়ে থাকবে।মাওলানা জহুরুল হক
১২
অর্থাৎ এ ঘটনা সংঘটিত হবার যখন এসে যাবে তখন দুনিয়াকে পুনরায় উত্থিত করা কঠিন কাজ হবে না। একটি মাত্র বিকট ধমক ঘুমন্তদেরকে জাগিয়ে উঠিয়ে দেবার জন্য যথেষ্ট হবে। “বিকট ধমক” শব্দটি বড়ই তাৎপর্যপূর্ণ। এর মাধ্যমে মৃতুর পর পুনরুত্থানের এমন কিছু ছবি চোখের সামনে ভেসে ওঠে যা থেকে বুঝা যায়, সৃষ্টির প্রথম দিন থেকে নিয়ে কিয়ামত পর্যন্ত যত মানুষ মরে গিয়েছিল সবাই যেন শুয়ে ঘুমোচ্ছে এবং হঠাৎ কেউ ধমক দিয়ে বললো, “উঠে পড়ো” আর সঙ্গে সঙ্গেই মুহূর্তের মধ্যে তারা সবাই দাঁড়িয়ে গেলো।
১৯. অতঃপর তা তো একটিমাত্ৰ প্ৰচণ্ড ধমক—আর তখনই তারা দেখবে।(১)
(১) زجرة শব্দের একাধিক অর্থ হয়ে থাকে। এর এক অর্থ, ‘প্রচণ্ড ধমক’ বা ‘ভয়ানক শব্দ’। এখানে মৃতদেরকে জীবিত করার উদ্দেশ্যে ইসরাফীল আলাইহিস সালাম এর শিংগায় দ্বিতীয় ফুৎকার বোঝানো হয়েছে। (ফাতহুল কাদীর)
(১৯) মাত্র একটি প্রচন্ড শব্দ হবে;(1) তখন ওরা প্রত্যক্ষ করবে। (2)
(1) অর্থাৎ, তারা আল্লাহ তাআলার একই আদেশ এবং ইস্রাফীল (আঃ)-এর শৃঙ্গায় এক (দ্বিতীয়) ফুৎকারে কবর থেকে জীবিত হয়ে বের হয়ে আসবে।
(2) অর্থাৎ, তাদের সম্মুখে কিয়ামতের ভয়ানক দৃশ্য এবং হাশরের ময়দানের কঠিন অবস্থা হবে; যা তারা প্রত্যক্ষ করবে। زجرة এর আসল অর্থঃ ধমক। এখানে ফুৎকার বা বিকট আওয়াজকে زجرة বলা হয়েছে, কারণ এর উদ্দেশ্য হল ধমক দেওয়া।