وَإِذَا مَسَّ ٱلنَّاسَ ضُرّٞ دَعَوۡاْ رَبَّهُم مُّنِيبِينَ إِلَيۡهِ ثُمَّ إِذَآ أَذَاقَهُم مِّنۡهُ رَحۡمَةً إِذَا فَرِيقٞ مِّنۡهُم بِرَبِّهِمۡ يُشۡرِكُونَ

ওয়া ইযা-মাছছান্না-ছা দু ররুন দা‘আও রব্বাহুম মুনীবীনা ইলাইহি ছু ম্মা ইযাআযা-কাহুম মিনহু রহামাতান ইযা-ফারীকুম মিনহুম বিরব্বিহিম ইউশরিকূন।উচ্চারণ

লোকদের অবস্থা হচ্ছে এই যে, যখন তারা কোন কষ্ট পায় তখন নিজেদের রবের দিকে ফিরে তাকে ডাকতে থাকে ৫২ তারপর যখন তিনি নিজের দয়ার কিছু স্বাদ তাদেরকে আস্বাদন করান তখন সহসা তাদের মধ্য থেকে কিছু লোক শিরকে লিপ্ত হয়ে যায়, ৫৩ তাফহীমুল কুরআন

মানুষকে যখন কোন দুঃখ-কষ্ট স্পর্শ করে, তখন তারা তাদের প্রতিপালকের অভিমুখী হয়ে তাঁকেই ডাকে, তারপর তিনি যখন নিজের পক্ষ হতে তাদেরকে কোন রহমতের স্বাদ গ্রহণ করান, অমনি তাদের একদল নিজ প্রতিপালকের সাথে শিরক শুরু করে দেয়মুফতী তাকী উসমানী

মানুষকে যখন দুঃখ-দৈন্য স্পর্শ করে তখন তারা বিশুদ্ধ চিত্তে তাদের রাববকে ডাকে, অতঃপর তিনি যখন তাদেরকে স্বীয় অনুগ্রহ আস্বাদন করান তখন তাদের এক দল তাদের রবের সাথে শরীক করে –মুজিবুর রহমান

মানুষকে যখন দুঃখ-কষ্ট স্পর্শ করে, তখন তারা তাদের পালনকর্তাকে আহবান করে তাঁরই অভিমুখী হয়ে। অতঃপর তিনি যখন তাদেরকে রহমতের স্বাদ আস্বাদন করান, তখন তাদের একদল তাদের পালনকর্তার সাথে শিরক করতে থাকে,মাওলানা মুহিউদ্দিন খান

মানুষকে যখন দুঃখ-দৈন্য স্পর্শ করে তখন এরা বিশুদ্ধচিত্তে এদের প্রতিপালককে ডাকে। এরপর তিনি যখন এদেরকে স্বীয় অনুগ্রহ আস্বাদন করান তখন এদের একদল এদের প্রতিপালকের শরীক করে থাকে ; ইসলামিক ফাউন্ডেশন

আর মানুষকে যখন দুঃখ-কষ্ট স্পর্শ করে তখন তারা তাদের রবের প্রতি বিনীতভাবে ফিরে এসে তাকে ডাকে। তারপর যখন তিনি তাদের স্বীয় রহমত আস্বাদন করান, তখন তাদের মধ্যকার একটি দল তাদের রবের সাথে শরীক করে;আল-বায়ান

মানুষকে যখন দুঃখ-বিপদ স্পর্শ করে তখন তারা তাদের প্রতিপালককে ডাকে তাঁর অভিমুখী হয়ে। অতঃপর তিনি যখন তাদেরকে নিজ অনুগ্রহ আস্বাদন করান তখন তাদের একদল তাদের প্রতিপালকের অংশীদার সাব্যস্ত করে বসেতাইসিরুল

আর মানুষকে যখন দুঃখকষ্ট স্পর্শ করে তখন তারা তাদের প্রভুকে আহ্বান করে তাঁর প্রতি একান্ত মনোযোগী হয়ে, তারপর যখন তিনি তাদের তাঁর তরফ থেকে অনুগ্রহ আস্বাদন করান তখন দেখো! তাদের মধ্যের একদল তাদের প্রভুর সঙ্গে অংশী দাঁড় করায়, --মাওলানা জহুরুল হক

তাফহীমুল কুরআন

৫২

তাদের হৃদয়ের অভ্যন্তরে যে তাওহীদের প্রমাণ রয়ে গেছে একথাটিই তার সুস্পষ্ট প্রমাণ। যেসব সহায়কের ভিত্তিতে আশার প্রাসাদ গড়ে উঠেছিল যখনই সেগুলো ভেঙে পড়তে থাকে তখনি তাদের অন্তর ভেতর থেকেই স্বতঃস্ফূর্তভাবে এই বলে চিৎকার করতে থাকে যে, বিশ্ব-জাহানের মালিকই আসল শাসন কর্তৃত্বের অধিকারী এবং তাঁরই সাহায্যে তারা নিজেদের ধ্বংসরোধ ও ক্ষতিপূরণ করতে পারে।

৫৩

অর্থাৎ অন্যান্য উপাস্যদেরকে মানত ও নযরানা পেশ করার কাজ শুরু হয়ে যায়। এই সঙ্গে একথাও বলা হতে থাকে যে, অমুক হযরতের বদৌলতে এবং অমুক মাজারের অনুগ্রহে এ বিপদ সরে গেছে।

তাফসীরে মুফতি তাকি উসমানী

তাফসীরে জাকারিয়া

৩৩. আর মানুষকে যখন দুঃখ-দৈন্য স্পর্শ করে তখন তারা তাদের রবকে ডাকে তাঁরই অভিমুখী হয়ে। তারপর তিনি যখন তাদেরকে স্বীয় অনুগ্রহ আস্বাদন করান, তখন তাদের একদল তাদের রবের সাথে শির্ক করে;

তাফসীরে আহসানুল বায়ান

(৩৩) মানুষকে যখন দুঃখ-দৈন্য স্পর্শ করে, তখন ওরা বিশুদ্ধ-চিত্তে ওদের প্রতিপালককে ডাকে; অতঃপর তিনি যখন ওদের প্রতি অনুগ্রহ করেন, তখন ওদের একদল ওদের প্রতিপালকের সাথে অংশী স্থাপন করে থাকে।