ذِكۡرَىٰ وَمَا كُنَّا ظَٰلِمِينَ

যিকর-ওয়ামা-কুন্না-জা-লিমীন।উচ্চারণ

দেয়ার যোগ্য সতর্ককারী না পাঠিয়ে ধ্বংস করিনি এবং আমি জালেম ছিলাম না। ১২৯ তাফহীমুল কুরআন

যাতে তারা তাদেরকে উপদেশ দান করে। আমি তো জালিম নই।মুফতী তাকী উসমানী

এটা উপদেশ স্বরূপ, আর আমি অত্যাচারী নই।মুজিবুর রহমান

স্মরণ করানোর জন্যে, এবং আমার কাজ অন্যায়াচরণ নয়।মাওলানা মুহিউদ্দিন খান

এটা উপদেশস্বরূপ, আর আমি অন্যায়াচারী নই, ইসলামিক ফাউন্ডেশন

এটা উপদেশস্বরূপ; আর আমি যালিমদের অন্তর্ভুক্ত ছিলাম না।আল-বায়ান

স্মরণ করানোর জন্য। আমি কখনো অন্যায়কারী নই।তাইসিরুল

স্মারকগ্রন্থ, আর আমরা কখনও অন্যায়কারী নই।মাওলানা জহুরুল হক

তাফহীমুল কুরআন

১২৯

অর্থাৎ যখন তারা সতর্ককারীদের সতর্কবাণী এবং উপদেশ দাতাদের উপদেশ গ্রহণ করেনি এবং আমি তাদেরকে ধ্বংস করে দিলাম তখন এ কথা সুস্পষ্ট যে, এটা আমার পক্ষ থেকে তাদের প্রতি কোন জুলুম ছিল না। ধ্বংস করার আগে তাদেরকে বুঝিয়ে সঠিক পথে আনার চেষ্টা না করা হলে অবশ্য তাদের প্রতি জুলুম করা হয়েছে একথা বলা যেতো।

তাফসীরে মুফতি তাকি উসমানী

তাফসীরে জাকারিয়া

২০৯. (তাদের জন্য) স্মরণ হিসেবে, আর আমরা যুলুমকারী নই,

তাফসীরে আহসানুল বায়ান

(২০৯) এ উপদেশস্বরূপ, আর আমি অন্যায় করতে পারি না। (1)

(1) অর্থাৎ, রসূল প্রেরণ না করে ও সতর্ক না করে আমি যদি কোন বস্তীকে ধ্বংস করতাম, তাহলে আমি অত্যাচারী হিসাবে গণ্য হতাম। আমি এরূপ যুলুম করিনি। বরং ন্যায়-সংগতভাবে আমি প্রথমে প্রত্যেকটি বসতির (জাতির) নিকট রসূল প্রেরণ করেছি, যে তাদেরকে আল্লাহর আযাব হতে সতর্ক করেছে। অতঃপর যখন তারা রসূলের কথা অমান্য করেছে, তখন আমি তাদেরকে ধ্বংস করেছি। এই বিষয়টি সূরা বনী-ইস্রাঈলের ১৫নং ও ক্বাস্বাস্বের ৫৯নং আয়াতে বর্ণিত হয়েছে।