নাঝালা বিহির রূহুলআমীন।উচ্চারণ
একে নিয়ে আমানতদার রূহ ১২০ তাফহীমুল কুরআন
রূহুল-আমীন তা নিয়ে অবতরণ করেছে। #%৫৪%#মুফতী তাকী উসমানী
জিবরাঈল ইহা নিয়ে অবতরণ করেছে –মুজিবুর রহমান
বিশ্বস্ত ফেরেশতা একে নিয়ে অবতরণ করেছে।মাওলানা মুহিউদ্দিন খান
জিব্রাঈল এটা নিয়ে অবতরণ করেছে ইসলামিক ফাউন্ডেশন
বিশ্বস্ত আত্মা* এটা নিয়ে অবতরণ করেছে।আল-বায়ান
বিশ্বস্ত আত্মা (জিবরাঈল) একে নিয়ে অবতরণ করেছেতাইসিরুল
রুহুল আমীন এটি নিয়ে অবতরণ করেছেন --মাওলানা জহুরুল হক
১২০
অর্থাৎ জিব্রীল আলাইহিস সালাম, যেমন কুরআনের অন্যত্র বলা হয়েছেঃ
قُلْ مَنْ كَانَ عَدُوًّا لِجِبْرِيلَ فَإِنَّهُ نَزَّلَهُ عَلَى قَلْبِكَ بِإِذْنِ اللَّهِ
“বলে দাও, যে ব্যক্তি জিব্রীলের সাথে শত্রুতা রাখে তার জানা উচিত, সে-ই এ কুরআন আল্লাহর হুকুমে তোমার অন্তরে নাযিল করেছে।” (আল বাকারাহঃ ৯৭ আয়াত)
এখানে তাঁর নাম না নিয়ে তাঁর জন্য “রূহুল আমীন” (আমানতদার বা বিশ্বস্ত রূহ) পদবী ব্যবহার করে একথা ব্যক্ত করতে চাওয়া হয়েছে যে, রব্বুল আলামীনের পক্ষ থেকে এ নাযিলকৃত জিনিসটি নিয়ে কোন বস্তুগত শক্তি আসেনি, যার মধ্যে পরিবর্তন ও অবক্ষয়ের সম্ভাবনা আছে বরং এসেছে একটি নির্ভেজাল রূহ। তাঁর মধ্যে বস্তুবাদিতার কোন গন্ধ নেই। তিনি পুরোপুরি আমানতদার। আল্লাহর বাণী যেভাবে তাঁকে সোপর্দ করে দেয়া হয় ঠিক তেমনি হুবহু তিনি তা পৌঁছিয়ে দেন। নিজের পক্ষ থেকে কিছু বাড়ানো বা কমানো অথবা নিজেই কিছু রচনা করে নেয়া তার পক্ষে সম্ভব নয়।
‘রূহুল-আমীন’ হযরত জিবরীল (আ.)-এর উপাধি। অর্থ ‘বিশ্বস্ত আত্মা’।
১৯৩. বিশ্বস্ত রূহ (জিবরীল) তা নিয়ে নাযিল হয়েছেন।
(১৯৩) বিশ্বস্ত রূহ (জিব্রাঈল) তা নিয়ে অবতরণ করেছে, (1)
(1) মক্কার কাফেররা কুরআন যে আল্লাহর বাণী এবং তা আল্লাহর নিকট হতে অবতীর্ণ, সে কথা অস্বীকার করেছিল। আর তারই ভিত্তিতে মুহাম্মাদ (সাঃ)-এর রিসালাত ও তাঁর দাওয়াতকেও অস্বীকার করেছিল। মহান আল্লাহ নবীদের ঘটনাবলীকে বর্ণনা করে এটা স্পষ্ট করে দিয়েছেন যে, কুরআন নিঃসন্দেহে আল্লাহর বাণী এবং মুহাম্মাদ (সাঃ) আল্লাহর সত্য রসূল। যদি এমন না হত, তাহলে এ নবী যিনি লিখতে-পড়তে জানতেন না, তিনি অতীত নবীদের ও তাঁদের জাতিদের ঘটনাবলী কিভাবে বর্ণনা করতে সক্ষম? অতএব এই কুরআন নিশ্চিতরূপে বিশ্ব-জাহানের প্রতিপালক আল্লাহর নিকট হতে অবতীর্ণ; যা এক আমানতদার ফিরিশতা অর্থাৎ, জিবরীল (আঃ) তাঁর নিকট পৌঁছে দিয়েছেন।