وَإِنَّهُۥ لَتَنزِيلُ رَبِّ ٱلۡعَٰلَمِينَ

ওয়া ইন্নাহূলাতানঝীলুরব্বিল ‘আ-লামীন।উচ্চারণ

এটি ১১৮ রব্বুল আলামীনের নাযিল করা জিনিস। ১১৯ তাফহীমুল কুরআন

নিশ্চয়ই এ কুরআন রাব্বুল আলামীনের পক্ষ হতে অবতীর্ণ।মুফতী তাকী উসমানী

নিশ্চয়ই ইহা (আল কুরআন) জগতসমূহের রাব্ব হতে অবতারিত।মুজিবুর রহমান

এই কোরআন তো বিশ্ব-জাহানের পালনকর্তার নিকট থেকে অবতীর্ণ।মাওলানা মুহিউদ্দিন খান

নিশ্চয়ই আল-কুরআন জগতসমূহের প্রতিপালক হতে অবতীর্ণ। ইসলামিক ফাউন্ডেশন

আর নিশ্চয় এ কুরআন সৃষ্টিকুলের রবেরই নাযিলকৃত।আল-বায়ান

অবশ্যই এ কুরআন জগতসমূহের প্রতিপালকের নিকট হতে অবতীর্ণ।তাইসিরুল

আর নিঃসন্দেহ এটি নিশ্চয়ই বিশ্বজগতের প্রভুর তরফ থেকে এক অবতারণ।মাওলানা জহুরুল হক

তাফহীমুল কুরআন

১১৮

ঐতিহাসিক বর্ণনা শেষ করে এবার আলোচনার ধারা ফিরিয়ে দেয়া হয়েছে এমন এক বিষয়ের দিকে যার মাধ্যমে সূরার সূচনা করা হয়েছিল। এ বিষয়টি বুঝতে হলে আর একবার পেছন ফিরে প্রথম রুকু’টি দেখে নেয়া উচিত।

১১৯

অর্থাৎ এ “সুস্পষ্ট কিতাব” টি যার আয়াত এখানে শোনানো হচ্ছে এবং এ “কথা” যা থেকে লোকেরা মুখ ফিরিয়ে নিচ্ছে। এটা কোন মানুষের মনগড়া জিনিস নয়। মুহাম্মাদ ﷺ নিজে রচনা করেননি। বরং রব্বুল আলামীন নাযিল করেছেন।

তাফসীরে মুফতি তাকি উসমানী

তাফসীরে জাকারিয়া

১৯২. আর নিশ্চয় এটা (আল-কুরআন) সৃষ্টিকুলের রব হতে নাযিলকৃত।

তাফসীরে আহসানুল বায়ান

(১৯২) নিঃসন্দেহে কুরআন বিশ্বজগতের প্রতিপালকের অবতীর্ণকৃত (গ্রন্থ)।