আল্লাযীনা ইউফছিদূনা ফিল আরদিওয়ালা-ইউসলিহূন।উচ্চারণ
এবং কোন সংস্কার সাধন করে না তাদের আনুগত্য করো না।” ১০০ তাফহীমুল কুরআন
যারা যমীনে অশান্তি বিস্তার করে এবং সংশোধনমূলক কাজ করে না।মুফতী তাকী উসমানী
যারা পৃথিবীতে অশান্তি সৃষ্টি করে এবং শান্তি স্থাপন করেনা।মুজিবুর রহমান
যারা পৃথিবীতে অনর্থ সৃষ্টি করে এবং শান্তি স্থাপন করে না;মাওলানা মুহিউদ্দিন খান
‘যারা পৃথিবীতে অশান্তি সৃষ্টি করে, শান্তি স্থাপন করে না।’ ইসলামিক ফাউন্ডেশন
‘যারা পৃথিবীতে ফাসাদ সৃষ্টি করে এবং শান্তি স্থাপন করে না’।আল-বায়ান
যারা পৃথিবীতে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করে, সংস্কার করে না।’তাইসিরুল
যারা দেশে অশান্তি সৃষ্টি করে আর শান্তিস্থাপন করে না।মাওলানা জহুরুল হক
১০০
অর্থাৎ তোমাদের যেসব রাজনৈতিক ও সামাজিক নেতৃবৃন্দ এবং শাসকদের নেতৃত্বে এ ভ্রান্ত বিকৃত জীবন ব্যবস্থা পরিচালিত হচ্ছে তাদের আনুগত্য পরিহার করো। এরা সব লাগাম ছাড়া। নৈতিকতার সমস্ত সীমা লংঘন করে এরা লাগামহীন পশুতে পরিণত হয়েছে। এদের দ্বারা সমাজ-সভ্যতার কোন সংস্কার হতে পারে না। এরা যে ব্যবস্থা পরিচালনা করবে তার মধ্যে বিকৃতিই ছড়িয়ে পড়বে। তোমাদের জন্য কল্যাণের কোন পথ যদি থাকে তাহলে তা কেবলমাত্র একটিই। অর্থাৎ তোমরা নিজেদের মধ্যে আল্লাহর ভয় সৃষ্টি করো এবং বিপর্যয় সৃষ্টিকারীদের আনুগত্য পরিহার করে আমার আনুগত্য করো। কারণ আমি আল্লাহর রসূল। আমার আমানতদারী ও বিশ্বস্ততা সম্পর্কে তোমরা পূর্ব থেকেই অবগত আছো। আমি একজন নিস্বার্থ ব্যক্তি। নিজের কোন ব্যক্তিগত লাভের জন্য আমি এ সংস্কারমূলক কাজে হাত দেইনি--- এ ছিল হযরত সালেহ আলাইহিস সালামের ঘোষণাপত্রের সংক্ষিপ্ত সার। নিজের জাতির সামনে তিনি এটি পেশ করেছিলেন। এর মধ্যে শুধু ধর্মীয় প্রচারণাই ছিল না বরং একই সঙ্গে তামাদ্দুনিক ও নৈতিক সংস্কার এবং রাজনৈতিক বিপ্লবের দাওয়াতও ছিল।
১৫২. যারা যমীনে বিপর্যয় সৃষ্টি করে এবং সংশোধন করে না।
(১৫২) এরা পৃথিবীতে অশান্তি সৃষ্টি করে এবং শান্তি স্থাপন করে না।’