ইযক-লা লাহুম আখূহুম নূহুন ‘আলা-তাত্তাকূন।উচ্চারণ
স্মরণ কর যখন তাদের ভাই নূহ তাদেরকে বলেছিল, “তোমরা কি ভয় কর না? ৭৬ তাফহীমুল কুরআন
যখন তাদের ভাই নূহ তাদেরকে বলেছিল, তোমরা কি আল্লাহকে ভয় কর না?মুফতী তাকী উসমানী
যখন তাদের ভাই নূহ তাদেরকে বললঃ তোমরা কি সাবধান হবেনা?মুজিবুর রহমান
যখন তাদের ভ্রাতা নূহ তাদেরকে বললেন, তোমাদের কি ভয় নেই?মাওলানা মুহিউদ্দিন খান
যখন এদের ভাই নূহ্ এদেরকে বলল, ‘তোমরা কি সাবধান হবে না ? ইসলামিক ফাউন্ডেশন
যখন তাদের ভাই নূহ তাদেরকে বলেছিল, ‘তোমরা কি তাকওয়া অবলম্বন করবে না’?আল-বায়ান
যখন তাদের ভ্রাতা নূহ তাদেরকে বলেছিল- ‘তোমরা কি ভয় করবে না (আল্লাহকে)?তাইসিরুল
দেখো! তাদের ভাই নূহ তাদের বলেছিলেন -- "তোমরা কি ধর্মপরায়ণতা অবলন্বন করবে না?মাওলানা জহুরুল হক
৭৬
অন্যান্য স্থানে হযরত নূহ তাঁর নিজের জাতিকে যে প্রাথমিক সম্বোধন করেছিলেন তার শব্দাবলী নিম্নরূপঃ
اعْبُدُوا اللَّهَ مَا لَكُمْ مِنْ إِلَهٍ غَيْرُهُ أَفَلَا تَتَّقُونَ
“আল্লাহর বন্দেগী করো, তিনি ছাড়া তোমাদের আর কোন ইলাহ নেই, তাহলে তোমরা কি ভয় করো? ”(আল মু‘মিনুন ২৩ আয়াত)
اعْبُدُوا اللَّهَ وَاتَّقُوهُ وَأَطِيعُونِ
“আল্লাহর বন্দেগী করো, তাঁকে ভয় করো এবং আমার আনুগত্য করো।” (নূহ ৩ আয়াত)
তাই এখানে হযরত নূহের এ উক্তির অর্থ নিছক ভীতি নয় বরং আল্লাহ ভীতি। অর্থাৎ তোমাদেরও কি আল্লাহর ভয় নেই? তাঁকে বাদ দিয়ে অন্যের বন্দেগী করার সময় তোমরা একটুও ভেবে দেখো না, এ বিদ্রোহাত্মক নীতির পরিণাম কি হবে? দাওয়াতের সূচনায় ভয় দেখাবার কারণ হচ্ছে এই যে, যতক্ষণ নাকোন ব্যক্তি বা দলকে তার ভুল নীতির অশুভ পরিণামের ভীতি অনুভব করানো যায় ততক্ষণ সে সঠিক কথা ও তার যুক্তির প্রতি ভ্রুক্ষেপ করতে উদ্যোগী হয় না, মানুষের মনে সঠিক পথের অনুসন্ধিৎসা তখনই জন্ম নেয় যখন তার মনে এ চিন্তা জাগে যে, সে কোন বাঁকা পথে যাচ্ছে না তো, যেখানে ধ্বংসের কোন আশঙ্কা আছে।
১০৬. যখন তাদের ভাই নূহ তাদেরকে বলেছিলেন, তোমরা কি তাকওয়া অবলম্বন করবে না?
(১০৬) যখন ওদের ভাই(1) নূহ ওদেরকে বলল, ‘তোমরা কি সাবধান হবে না?
(1) ভাই এই জন্যই বলা হয়েছে যে, যেহেতু নূহ ছিলেন ঐ জাতিরই একজন।