কাযযাবাত কাওমুনূহিনিল মুরছালীন।উচ্চারণ
নূহের ৭৪ সম্প্রদায় রসূলদেরকে মিথ্যুক বললো। ৭৫ তাফহীমুল কুরআন
নূহের সম্প্রদায় রাসূলগণকে অস্বীকার করেছিলমুফতী তাকী উসমানী
নূহের সম্প্রদায় রাসূলদের প্রতি মিথ্যা আরোপ করেছিল।মুজিবুর রহমান
নূহের সম্প্রদায় পয়গম্বরগণকে মিথ্যারোপ করেছে।মাওলানা মুহিউদ্দিন খান
নূহের সম্প্রদায় রাসূলগণের প্রতি মিথ্যা আরোপ করেছিল। ইসলামিক ফাউন্ডেশন
নূহ-এর কওম রাসূলদেরকে অস্বীকার করেছিল।আল-বায়ান
নূহের কওম রসুলগণকে মিথ্যে ব’লে প্রত্যাখান করেছিল।তাইসিরুল
নূহের স্বজাতি রসূলগণকে প্রত্যাখ্যান করেছিল।মাওলানা জহুরুল হক
৭৪
তুলনামূলক অধ্যয়নের জন্য দেখুন আল আ’রাফ ৫৯-৬৪, ইউনুস ৭১-৭৩, হূদ ২৫-৪৮, বনী ইসরাঈল ৩, আল আম্বিয়া ৭৬-৭৭, আল মু’মিনুন ২৩-৩০, আল ফুরকান ৩৭ আয়াত এবং এছাড়া নূহ আলাইহিস সালামের ঘটনা সম্পর্কে বিস্তারিত জানার জন্য নিম্নোক্ত স্থানগুলো সামনে রাখুনঃ আল আনকাবুত ১৪-১৫, আস সাফফাত ৭৫-৮২, আল কামার ৯-১৫ আয়াত এবং সূরা নূহ সম্পূর্ণ।
৭৫
যদিও তারা একজন মাত্র রসূলকে অস্বীকার করেছিল কিন্তু যেহেতু রসূলকে অস্বীকার করা আসলে তিনি আল্লাহর পক্ষ থেকে যে পয়গাম নিয়ে এসেছেন তাকে অস্বীকার করা হয়, তাই যে ব্যক্তি বা দল কোন একজন রসূলকেও অস্বীকার করে সে আল্লাহর দৃষ্টিতে সকল রসূলকে অস্বীকারকারীতে পরিণত হয়। এটি একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ নীতিগত সত্য। কুরআনের বিভিন্ন স্থানে বিভিন্ন পদ্ধতিতে একথা বর্ণনা করা হয়েছে। এমনকি তাদেরকেও কাফের গণ্য করা হয়েছে যারা কেবলমাত্র একজন নবীকে অস্বীকার করতো এবং অন্যান্য সকল নবীকে মানতো। এর কারণ হচ্ছে, যে ব্যক্তি রিসালাতের মূল পয়গাম মেনে নেয় সে অনিবার্যভাবে প্রত্যেক রসূলকে মেনে নেবে। কিন্তু যে ব্যক্তি কোন একজন রসূলকে অস্বীকার করে সে যদি অন্য সকল রসূলকে মানেও তাহলে কোন গোত্র, দল বা সংকীর্ণ স্বার্থপ্রীতি অথবা পূর্ব পুরুষদের অনুসৃতির কারণেই মানে, রিসালাতের মূল পয়গামকে মানে না। অন্যথায় একই সত্য একজন পেশ করলে মেনে নেবে এবং অন্যজন পেশ করলে অস্বীকার করবে, এটা কখনো সম্ভব ছিল না।
১০৫. নূহের সম্প্রদায় রাসূলগণের প্রতি মিথ্যা আরোপ করেছিল।
(১০৫) নূহের সম্প্রদায় রসূলগণকে মিথ্যা মনে করেছিল। (1)
(1) নূহ (আঃ)-এর জাতি যদিও শুধুমাত্র নূহ (আঃ)-কেই মিথ্যাবাদী মনে করেছিল, কিন্তু একজন নবীকে মিথ্যা ভাবা সকল নবীকে মিথ্যা ভাবার সমান। সেই জন্যই বলা হয়েছে নূহের সম্প্রদায় রসূলগণকে মিথ্যা মনে করেছিল।