فَجُمِعَ ٱلسَّحَرَةُ لِمِيقَٰتِ يَوۡمٖ مَّعۡلُومٖ

ফাজুমি‘আছ ছাহারতুলিমীক-তি ইয়াওমিম মা‘লূম।উচ্চারণ

তাই একদিন নির্দিষ্ট সময়ে ৩১ যাদুকরদেরকে একত্র করা হলো। তাফহীমুল কুরআন

সুতরাং নির্ধারিত এক দিন সুনির্দিষ্ট সময়ে যাদুকরদের একত্র করা হল।মুফতী তাকী উসমানী

অতঃপর এক নির্ধারিত দিনে নির্দিষ্ট সময়ে যাদুকরদেরকে একত্রিত করা হল।মুজিবুর রহমান

অতঃপর এক নির্দিষ্ট দিনে জাদুকরদেরকে একত্রিত করা হল।মাওলানা মুহিউদ্দিন খান

এরপর এক নির্ধারিত দিনে নির্দিষ্ট সময়ে জাদুকরদেরকে একত্র করা হল, ইসলামিক ফাউন্ডেশন

অতঃপর এক নির্ধারিত দিনের নির্দিষ্ট সময়ে যাদুকরদের একত্র করা হল।আল-বায়ান

কাজেই যাদুকরদেরকে একত্রিত করা হল একটি নির্দিষ্ট দিন ক্ষণের জন্য যা ছিল সুবিদিত।তাইসিরুল

সুতরাং জাদুকরদের একত্র করা হ’ল নির্দিষ্ট স্থানে বিজ্ঞাপিত দিনে,মাওলানা জহুরুল হক

তাফহীমুল কুরআন

৩১

সূরা তা-হা-এ উল্লেখিত হয়েছে, কিবতীদের জাতীয় ঈদের দিনকে (يَوْمُ الزِّينَةِ) এ প্রতিদ্বন্দ্বীতার দিন হিসেবে নির্দিষ্ট করা হয়েছিল। দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে উৎসব ও মেলা উপলক্ষ্যে আগত সমস্ত লোকেরা এ বিরাট প্রতিযোগিতা দেখতে পাবে এটাই ছিল উদ্দেশ্য। এজন্য সময় নির্ধারিত করা হয়েছিল সূর্য আকাশে উঠে চারদিকে আলো ছড়িয়ে পড়ার পর। এভাবে প্রকাশ্যে দিবালোকে সবার চোখের সামনে উভয় পক্ষের শক্তির প্রদর্শনী হবে এবং আলোর অভাবে কোন প্রকার সন্দেহ-সংশয় সৃষ্টি হবার অবকাশ থাকবে না।

তাফসীরে মুফতি তাকি উসমানী

তাফসীরে জাকারিয়া

৩৮. অতঃপর এক নির্ধারিত দিনে নির্দিষ্ট সময়ে জাদুকরদেরকে একত্র করা হল,

তাফসীরে আহসানুল বায়ান

(৩৮) অতঃপর এক নির্ধারিত দিনে নির্দিষ্ট সময়ে যাদুকরদের একত্র করা হল। (1)

(1) অতঃপর মিসর ও তার আশ-পাশ হতে যাদুকরদের একটি বিরাট দল জমা করা হল। বিভিন্ন বর্ণনামতে যাদের সংখ্যা ছিল ১২ হাজার বা ১৭ হাজার বা ১৯ হাজার বা ৮০ হাজার। তবে আসল সংখ্যা একমাত্র আল্লাহই জানেন। কারণ, কোন নির্দিষ্ট সংখ্যার ব্যাপারে সঠিক দলীল নেই। এর বিস্তারিত আলোচনা সূরা আ’রাফ ও সূরা ত্বহা য় করা হয়েছে। অর্থাৎ, ফিরআউনের স্বজাতি কিবতীরা আল্লাহর জ্যোতিকে ফুৎকারে নিভাতে চেয়েছিল; কিন্তু আল্লাহ তা পরিপূর্ণ করতে চেয়েছিলেন। বলা বাহুল্য, কুফর ও ঈমানের এ সংঘর্ষ সর্বযুগে এ রকমই হয়ে এসেছে যে, যখনই কুফর তার পূর্ণ শক্তি নিয়ে মুকাবেলার জন্য ঈমানের সামনে এসেছে, মহান আল্লাহ ঈমানকে সম্মানিত ও বিজয়ী করেছেন। {بَلْ نَقْذِفُ بِالْحَقِّ عَلَى الْبَاطِلِ فَيَدْمَغُهُ فَإِذَا هُوَ زَاهِقٌ وَلَكُمُ الْوَيْلُ مِمَّا تَصِفُونَ } (18) سورة الأنبياء