قُلۡ مَنۢ بِيَدِهِۦ مَلَكُوتُ كُلِّ شَيۡءٖ وَهُوَ يُجِيرُ وَلَا يُجَارُ عَلَيۡهِ إِن كُنتُمۡ تَعۡلَمُونَ

কুল মাম বিইয়াদিহী মালাকূতুকুল্লি শাইয়িওঁ ওয়া হুওয়া ইউজীরু ওয়ালা-ইউজা-রু ‘আলাইহি ইন কুনতুম তা‘লামূন।উচ্চারণ

তাদেরকে জিজ্ঞেস করো, বলো যদি তোমরা জেনে থাকো, কার কর্তৃত্ব ৮১ চলছে প্রত্যেকটি জিনিসের ওপর? আর কে তিনি যিনি আশ্রয় দেন এবং তাঁর মোকাবিলায় কেউ আশ্রয় দিতে পারে না? তাফহীমুল কুরআন

বল, কে তিনি, যার হাতে সবকিছুর পূর্ণ কর্তৃত্ব এবং যিনি আশ্রয় দান করেন এবং তার বিপরীতে কেউ কাউকে আশ্রয় দিতে পারে না (বল) যদি জান?মুফতী তাকী উসমানী

জিজ্ঞেস করঃ যদি তোমরা জান তাহলে বল সব কিছুর কর্তৃত্ব কার হাতে, কে আশ্রয় দান করেন, যাঁর উপর আশ্রয়দাতা নেই?মুজিবুর রহমান

বলুনঃ তোমাদের জানা থাকলে বল, কার হাতে সব বস্তুর কর্তৃক যিনি রক্ষা করেন এবং যার কবল থেকে কেউ রক্ষা করতে পারে না ?মাওলানা মুহিউদ্দিন খান

জিজ্ঞাসা কর, ‘সকল কিছুর কর্তৃত্ব কার হাতে, যিনি আশ্রয় দান করেন এবং যাঁহার ওপর আশ্রয়দাতা নেই, যদি তোমরা জান ?’ ইসলামিক ফাউন্ডেশন

বল, ‘তিনি কে যার হাতে সকল কিছুর কর্তৃত্ব, যিনি আশ্রয় দান করেন এবং যাঁর ওপর কোন আশ্রয়দাতা নেই?’ যদি তোমরা জান।আল-বায়ান

বলঃ সব কিছুর একচ্ছত্র কর্তৃত্ব কার হাতে? তিনি (সকলকে) আশ্রয় দেন, তাঁর উপর কোন আশ্রয় দাতা নেই, (বল) তোমরা যদি জান।তাইসিরুল

বল -- "কে তিনি যাঁর হাতে সব-কিছুর কর্তৃত্ব রয়েছে, আর কে নিরাপত্তা প্রদান করেন অথচ তাঁকে নিরাপত্তা প্রদান করতে হয় না, যদি তোমরা জানো?"মাওলানা জহুরুল হক

তাফহীমুল কুরআন

৮১

মূলে-----শব্দ ব্যবহার করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে-----(বাদশাহী) ও-----(মালিকানা) উভয়েরই অর্থ। আর এর সঙ্গে রয়েছে চরম আতিশয্যের অর্থও। এ বিস্তারিত বর্ণনার প্রেক্ষিতে আয়াতে পেশকৃত প্রশ্নের পূর্ণ অর্থ হচ্ছেঃ প্রত্যেকটি জিনিসের ওপর নিরংকুশ কর্তৃত্ব কার এবং প্রত্যেকটি জিনিসের ওপর পুরোপুরি মালিকানা ক্ষমতা আছে কার হাতে?

তাফসীরে মুফতি তাকি উসমানী

তাফসীরে জাকারিয়া

৮৮. বলুন, কার হাতে সমস্ত বস্তুর কর্তৃত্ব? যিনি আশ্রয় প্রদান করেন অথচ তাঁর বিপক্ষে কেউ কাউকে আশ্রয় দিতে পারে না(১), যদি তোমরা জান (তবে বল)।

(১) অর্থাৎ আল্লাহ তা’আলা যাকে আযাব, মুসীবত ও দুঃখ-কষ্ট থেকে আশ্রয় দান করেন কারও সাধ্য নেই যে তার কোন অনিষ্ট করে। পক্ষান্তরে আল্লাহ তা’আলা যদি কাউকে বালা-মুসিবস, দুঃখ-কষ্টে নিপতিত হতে দেন তবে কারও সাধ্য নেই যে, তার মোকাবেলায় কাউকে আশ্রয় দিয়ে তাঁর আযাব থেকে বাঁচিয়ে নেয়। দুনিয়ার দিক দিয়েও এ কথা সত্য যে, আল্লাহ যার উপকার করতে চান, তাকে কেউ বাধা দিতে পারে না এবং যাকে কষ্ট ও আযাব দিতে চান, তা থেকেও কেউ তাকে বাঁচাতে পারে না। আখিরাতের দিক দিয়েও এই বিষয়বস্তু নির্ভুল যে, যাকে তিনি আযাব দেবেন, তাকে কেউ বাঁচাতে পারবে না এবং যাকে জান্নাত ও সুখ দেবেন, তাকে কেউ ফেরাতে পারবে না। তাঁর অনুমতি ব্যতীত কেউ সুপারিশও করতে পারবে না। (দেখুন: সা'দী)

তাফসীরে আহসানুল বায়ান

(৮৮) জিজ্ঞেস কর, ‘সব কিছুর কর্তৃত্ব কার হাতে, যিনি আশ্রয় দান করেন(1) এবং যাঁর বিরুদ্ধে কোন আশ্রয়দাতা নেই,(2) যদি তোমরা জানো?’

(1) অর্থাৎ যাকে তিনি রক্ষা করতে চান ও নিজ আশ্রয়ে স্থান দেন, তার কি কেউ কোন ক্ষতি সাধন করতে পারে?

(2) অর্থাৎ তিনি যার ক্ষতি করতে চান, আল্লাহ্‌ ব্যাতিত পৃথিবীতে এমন কোন শক্ত আছে কি যে তাকে খতির হাত থেকে রক্ষা করতে পারে? বা তাকে আশ্রয় দিতে পারে?