ওয়াল্লাযীনা হুম বিরব্বিহিম লা-ইউশরিকূন।উচ্চারণ
যারা নিজেদের রবের সাথে কাউকে শরীক করে না ৫৩ তাফহীমুল কুরআন
এবং যারা নিজ প্রতিপালকের সাথে কাউকে শরীক করে নামুফতী তাকী উসমানী
যারা তাদের রবের সাথে শরীক করেনা।মুজিবুর রহমান
যারা তাদের পালনকর্তার সাথে কাউকে শরীক করে নামাওলানা মুহিউদ্দিন খান
যারা তাদের প্রতিপালকের সঙ্গে শরীক করে না, ইসলামিক ফাউন্ডেশন
আর যারা তাদের রবের সাথে শিরক করে না,আল-বায়ান
যারা তাদের প্রতিপালকের সঙ্গে শরীক করে না,তাইসিরুল
আর যারা তাদের প্রভুর সঙ্গে শরিক করে না,মাওলানা জহুরুল হক
৫৩
যদিও আয়াতের প্রতি ঈমান আনার অনিবার্য ফল এ দাঁড়ায় যে মানুষ তাওহীদ বিশ্বাসী ও আল্লাহর একক সত্তার প্রবক্তা হবে কিন্তু এ সত্ত্বেও শির্ক না করার কথা আলাদাভাবে এ জন্য উল্লেখ করা হয়েছে যে, অনেক সময় মানুষ আয়াত মেনে নিয়েও কোন না কোনভাবে শিরকে লিপ্ত হয়। যেমন রিয়া বা প্রদর্শনেচ্ছা। এটিও এক ধরনের শির্ক। অথবা নবী ও অলীগণের শিক্ষার মধ্যে এমন ধরনেরবাড়াবাড়ি করা যা শির্ক পর্যন্ত পৌঁছিয়ে দেয়। অথবা আল্লাহ ছাড়া অন্য সত্তার কাছে প্রার্থনা ও ফরিয়াদ করা। কিংবা স্বেচ্ছায় ও সানন্দে আল্লাহকে বাদ দিয়ে অন্যান্য রবের বন্দেগী ও আনুগত্য এবং আল্লাহ ছাড়া অন্য প্রভুর আইন মেনে চলা। কাজেই আল্লাহর আয়াতের প্রতি ঈমান আনার পর আলাদাভাবে শির্ক না করার কথা বলার অর্থ হচ্ছে এই যে, তারা নিজেদের বন্দেগী, আনুগত্য ও দাসত্বকে সম্পূর্ণরূপে একক আল্লাহর জন্য নির্ধারতি করে নেয় এবং তার গায়ে অন্য কারোর বন্দেগীর সামান্যতম গন্ধও লাগায় না।
৫৯. আর যারা তাদের রব-এর সাথে শির্ক করে না(১),
(১) অর্থাৎ একমাত্র তাঁরই ইবাদত করে। তিনি ব্যতীত আর কারও ইবাদাত করে না। তাওহীদ প্রতিষ্ঠা করে। আর এটা দৃঢ়ভাবে জানবে আল্লাহ ব্যতীত কোন ইলাহ নেই। তিনি একক, অমুখাপেক্ষী। তিনি কোন সঙ্গিনী বা সন্তান গ্ৰহণ করেন নি। তাঁর মত কিছু নেই। (ইবন কাসীর)
(৫৯) যারা তাদের প্রতিপালকের সাথে শরীক করে না।