ফাক-লূআনু’মিনুলিবাশারইনি মিছলিনা-ওয়া কাওমুহুমা-লানা-‘আ-বিদূন।উচ্চারণ
তারা বলতে লাগলো, “আমরা কি আমাদেরই মতো দু’জন লোকের প্রতি ঈমান আনবো? ৪০(ক) আর তারা আবার এমন লোক যাদের সম্প্রদায় আমাদের দাস।” ৪১ তাফহীমুল কুরআন
অতঃপর তারা বলল, আমরা কি আমাদেরই মত দু’জন মানুষের প্রতি ঈমান আনব, অথচ তাদের সম্প্রদায় আমাদের দাসত্ব করছে? #%২৩%#মুফতী তাকী উসমানী
তারা বললঃ আমরা কি এমন দু’ ব্যক্তিতে বিশ্বাস স্থাপন করব যারা আমাদেরই মত এবং যাদের সম্প্রদায় আমাদের দাসত্ব করে?মুজিবুর রহমান
তারা বললঃ আমরা কি আমাদের মতই এ দুই ব্যক্তিতে বিশ্বাস স্থাপন করব; অথচ তাদের সম্প্রদায় আমাদের দাস?মাওলানা মুহিউদ্দিন খান
এরা বলল, ‘আমরা কি এমন দুই ব্যক্তিতে বিশ্বাস স্থাপন করব যারা আমাদেরই মত এবং যাদের সম্প্রদায় আমাদের দাসত্ব করে ?’ ইসলামিক ফাউন্ডেশন
অতঃপর তারা বলল, আমরা কি আমাদের মতই দু’জন মানুষের প্রতি ঈমান আনব অথচ তাদের কওম আমাদের সেবাদাস।আল-বায়ান
তারা বলল, ‘আমরা কি আমাদেরই মত দু’জন লোকের প্রতি বিশ্বাস স্থাপন করব, অথচ তাদের সম্প্রদায় আমাদের দাস?’তাইসিরুল
কাজেই তারা বললে -- "আমরা কি বিশ্বাস করব আমাদের ন্যায় দুজন মানুষকে, অথচ তাদের স্বজাতি আমাদেরই সেবারত?"মাওলানা জহুরুল হক
৪০(ক)
ব্যাখ্যার জন্য ২৬ টীকা দেখুন।
৪১
আরবী ভাষায়কারো “ফরমানের অনুগত” হোয়া এবং “তার ইবাদাতগুজার” হওয়া প্রায় একই অর্থে ব্যবহার হয়। যে ব্যক্তি কারোর বন্দেগী-দাসত্ব ও আনুগত্য করে সে যেন তার ইবাদাত করে। এ থেকে “ইবাদাত” শব্দটির অর্থের ওপর এবং একমাত আল্লাহর ইবাদাত করার ও তাঁর ছাড়া বাকি সবার ইবাদাত পরিত্যাগ করার যে আদেশ নবীগণ তাদের দাওয়াতের মধ্যে দিতেন তার পূর্ণ অর্থ কি ছিল তার ওপর বড়ই গুরুত্বপূর্ণ আলোকপাত হয়। তাঁদের কাছে “ইবাদাত” নিছুক “পূজা অনুষ্ঠান” ছিল না। তাঁরা এ দাওয়াত ও আনুগত্য করতে থাকো। বরং তাঁরা মানুষকে আল্লাহর পূজারী করতে চাইতেন এবং একই সঙ্গে তাঁর ফরমানের অনুগতও। আর এ উভয় অর্থের দৃষ্টিতে অন্য কারো ইবাদাত করাকে পথভ্রষ্টতা গণ্য করতেন। (আরো বেশী জানার জন্য তাফহীমুল কুরআন আল কাহফ, ৫০ টীকা দেখুন)।
হযরত মূসা ও হারূন আলাইহিমাস সালামের কওম ছিল বনী ইসরাঈল। ফির‘আউন তাদেরকে গোলাম বানিয়ে রেখেছিল।
৪৭. অতঃপর তারা বলল, আমরা কি এমন দু’ব্যক্তিতে বিশ্বাস স্থাপন করব যারা আমাদেরই মত, অথচ তাদের সম্প্রদায় আমাদের দাসত্বকারী?(১)
(১) এখানে “ইবাদতকারী” বলে আনুগত্যকারী বোঝানো হয়েছে। অর্থাৎ তারা আমার অনুগত, আমাদের নির্দেশকে এমনভাবে পালন করে যেমন একজন দাস তার মনিবের কথা পালন করে। আর যে ব্যক্তি কারোর বন্দেগী-দাসত্ব ও একনিষ্ঠ আনুগত্য করে সে যেন তার ইবাদাত করে। মুবাররাদ বলেন, ‘আবেদ’ বলে অনুগত ও মান্যকারী বোঝানো হয়ে থাকে। আবু উবাইদা বলেন, যারাই কোন কর্তৃত্বের অধীনতা গ্ৰহণ করে আরবরা তাদেরকে তার ‘আবেদ’ বা ইবাদতকারী বলে। আবার এটাও সম্ভব যে, সে যখন ইলাহ হওয়ার দাবী করল, তখন তাদের কেউ কেউ তাকে তা মেনে নিয়েছিল। (ফাতহুল কাদীর)
(৪৭) তারা বলল, ‘আমরা কি আমাদেরই মত দু’ব্যক্তিতে বিশ্বাস স্থাপন করব; অথচ তাদের সম্প্রদায় আমাদের দাসত্ব করে।’ (1)
(1) এখানে নবুঅত অস্বীকার করার জন্য তারা দলিল সরূপ মুসা এবং হারুন (আলাইহিমাস সালাম) এর মানুষ হওয়ার কথা পেশ করল। তারা তাদের কথাকে আরাও দৃঢ় করার জন্য বলল, এরা দু'জন তো ঐ জাতিরই সদস্য, যারা আমাদের দাস।