۞أَوَلَمۡ يَرَوۡاْ أَنَّ ٱللَّهَ ٱلَّذِي خَلَقَ ٱلسَّمَٰوَٰتِ وَٱلۡأَرۡضَ قَادِرٌ عَلَىٰٓ أَن يَخۡلُقَ مِثۡلَهُمۡ وَجَعَلَ لَهُمۡ أَجَلٗا لَّا رَيۡبَ فِيهِ فَأَبَى ٱلظَّـٰلِمُونَ إِلَّا كُفُورٗا

আওয়া লাম ইয়ারও আন্নাল্লা-হাল্লাযী খালাকাছছামা-ওয়া-তি ওয়াল আরদা ক-দিরুন ‘আলাআইঁ ইয়াখলুকা মিছলাহুম ওয়া জা‘আলা লাহুম আজালাল লা-রইবা ফীহি ফাআবাজ্জা-লিমূনা ইল্লা-কুফূর-।উচ্চারণ

তারা কি খেয়াল করেনি, যে আল্লাহ‌ পৃথিবী ও আকাশমণ্ডলী সৃষ্টি করেছেন তিনি তাদের অনুরূপ সৃষ্টি করার অবশ্যই ক্ষমতা রাখেন? তিনি তাদের হাশরের জন্য একটি সময় নির্ধারণ করে রেখেছেন, যার আগমন অবধারিত। কিন্তু জালেমরা জিদ ধরেছে যে তারা তা অস্বীকারই করে যাবে। তাফহীমুল কুরআন

তারা কি বুঝতে পারল না যে, যেই আল্লাহ আকাশমণ্ডলী ও পৃথিবী সৃষ্টি করেছেন তিনি তাদের মত মানুষ পুনরায় সৃষ্টি করতেও সক্ষম? তিনি তাদের জন্য স্থির করে রেখেছেন এমন এক কাল, যার (আসার) মধ্যে বিন্দুমাত্র সন্দেহ নেই। তথাপি জালেমগণ অস্বীকৃতি ছাড়া অন্য কিছুতে সম্মত নয়।মুফতী তাকী উসমানী

তারা কি লক্ষ্য করেনা যে, আল্লাহ! যিনি আকাশমন্ডলী ও পৃথিবী সৃষ্টি করেছেন তিনি ওগুলির অনুরূপ সৃষ্টি করতে ক্ষমতাবান? তিনি তাদের জন্য স্থির করেছেন এক নির্দিষ্ট কাল, যাতে কোন সন্দেহ নেই; তথাপি সীমা লংঘনকারীরা প্রত্যাখ্যান করা ছাড়া আর সবই অস্বীকার করে।মুজিবুর রহমান

তারা কি দেখেনি যে, যে আল্লাহ আসমান ও যমিন সৃজিত করেছেন, তিনি তাদের মত মানুষও পুনরায় সৃষ্টি করতে সক্ষম? তিনি তাদের জন্যে স্থির করেছেন একটি নির্দিষ্ট কাল, এতে কোন সন্দেহ নেই; অতঃপর জালেমরা অস্বীকার ছাড়া কিছু করেনি।মাওলানা মুহিউদ্দিন খান

এরা কি লক্ষ্য করে না যে, আল্লাহ্, যিনি আকাশমণ্ডলী ও পৃথিবী সৃষ্টি করেছেন তিনি এদের অনুরূপ সৃষ্টি করতে ক্ষমতাবান ? তিনি এদের জন্যে স্থির করেছেন এক নির্দিষ্ট কাল, যাতে কোন সন্দেহ নেই। তথাপি সীমালংঘনকারীরা কুফরী করা ব্যতীত ক্ষান্ত হল না। ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তারা কি দেখে না যে, আল্লাহ আসমানসমূহ ও যমীন সৃষ্টি করেছেন, তিনি তাদের অনুরূপ সৃষ্টি করতে সক্ষম? আর তিনি তাদের জন্য একটি সময় নির্ধারণ করেছেন যাতে কোন সন্দেহ নেই। কিন্তু যালিমরা কুফরী না করে থাকেনি।আল-বায়ান

তারা কি লক্ষ্য করে না যে আল্লাহ- যিনি আসমানসমূহ ও যমীন সৃষ্টি করেছেন- তিনি তাদের মত মানুষ (পুনরায়) সৃষ্টি করতে সক্ষম। তিনি তাদের জন্য একটা সুনির্দিষ্ট সময় স্থির করেছেন, যাতে কোনই সন্দেহ নেই। কিন্তু যালিমরা অমান্য করে কেবল কুফরিই করল।তাইসিরুল

তারা কি দেখছে না যে আল্লাহ্‌, যিনি মহাকাশমন্ডলী ও পৃথিবী সৃষ্টি করেছেন, তিনি তাদের অনুরূপ সৃষ্টি করতে সক্ষম? আর তিনি তাদের জন্য স্থির করেছেন একটি নির্ধারিত কাল -- এতে কোনো সন্দেহ নেই। কিন্তু অন্যায়কারীরা প্রত্যাখ্যান করা ছাড়া আর সবটাতেই অসম্মত থাকে।মাওলানা জহুরুল হক

তাফহীমুল কুরআন

তাফসীরে মুফতি তাকি উসমানী

তাফসীরে জাকারিয়া

৯৯. তারা কি লক্ষ্য করে না যে, নিশ্চয় আল্লাহ, যিনি আসমানসমূহ ও যমীন সৃষ্টি করেছেন তিনি তাদের অনুরূপ সৃষ্টি করতে ক্ষমতাবান?(১) আর তিনি তাদের জন্য স্থির করেছেন এক নির্দিষ্ট কাল, যাতে কোন সন্দেহ নেই। কিন্তু যালিমরা কুফরী করা ছাড়া ক্ষান্ত হয়নি।

(১) এ অর্থে কুরআনের বিভিন্ন স্থানে আরো আয়াত এসেছে। (যেমন, সূরা গাফিরঃ ৫৭, সূরা ইয়াসিনঃ ৮১, সূরা আল-আহকাফঃ ৩৩, সূরা আন-নাযি'আতঃ ২৭–৩৩)

তাফসীরে আহসানুল বায়ান

(৯৯) তারা কি লক্ষ্য করে না যে, আল্লাহ; যিনি আকাশমন্ডলী ও পৃথিবী সৃষ্টি করেছেন, তিনি তাদের অনুরূপ সৃষ্টি করতে ক্ষমতাবান?(1) তিনি তাদের জন্য স্থির করেছেন এক নির্দিষ্ট কাল, যাতে কোন সন্দেহ নেই।(2) তথাপি সীমালংঘনকারীরা সত্য প্রত্যাখ্যান করা ব্যতীত ক্ষান্ত হল না।

(1) আল্লাহ এদের উত্তরে বললেন, যে আল্লাহ আসমান ও যমীনের স্রষ্টা, তিনি এদের মত সৃষ্টিকে পুনরায় সৃষ্টি করার অথবা পুনরায় জীবন দেওয়ার ক্ষমতা রাখেন। কেননা, এদেরকে সৃষ্টি করা আসমান ও যমীন সৃষ্টি করার চেয়ে সহজতর। لَخَلْقُ السَّمَاوَاتِ وَالْأَرْضِ أَكْبَرُ مِنْ خَلْقِ النَّاسِ অর্থাৎ, আসমান ও যমীন সৃষ্টি করা মানুষ সৃষ্টির তুলনায় কঠিনতর। (সূরা মু’মিন ৫৭ আয়াত) এই বিষয়টাকে আল্লাহ তাআলা সূরা আহক্বাফের ৩৩নং এবং সূরা ইয়াসীনের ৮১-৮২নং আয়াতেও উল্লেখ করেছেন।

(2) এই أجل (নির্দিষ্ট কাল) বলতে মৃত্যু অথবা কিয়ামতকে বুঝানো হয়েছে। এখানে প্রাসঙ্গিকতার দিকে লক্ষ্য করে কিয়ামত অর্থ নেওয়াই বেশী সঠিক। অর্থাৎ, আমি তাদেরকে পুনরায় জীবিত করে কবর থেকে উঠানোর জন্য একটি সময় নির্দিষ্ট করে রেখেছি। وَمَا نُؤَخِّرُهُ إِلَّا لِأَجَلٍ مَعْدُودٍ ‘‘আর আমি ওটা নির্দিষ্ট একটি কালের জন্যই বিলম্বিত করছি।’’ (সূরা হূদঃ ১০৪)