যা-লিকা জাঝাউহুম বিআন্নাহুম কাফারূবিআ-য়া-তিনা- ওয়াক-লূ আইযা- কুন্না‘ইজা-মাওঁ ওয়া রুফা-তান আইন্না-লামাব‘ঊছূনা খালকান জাদীদা-।উচ্চারণ
এটা হচ্ছে তাদের এ কাজের প্রতিদান যে, তারা আমার নিদর্শন অস্বীকার করেছে এবং বলেছে “যখন আমরা শুধুমাত্র হাড় ও মাটি হয়ে যাবো তখন কি আবার আমাদের নতুন করে পয়দা করে উঠানো হবে? তাফহীমুল কুরআন
এটাই তাদের শাস্তি। কেননা তারা আমার আয়াতসমূহ অস্বীকার করেছিল এবং বলেছিল, আমরা যখন (মরে) অস্থিতে পরিণত হব ও চূর্ণ-বিচূর্ণ হয়ে যাব, তারপরও আমাদেরকে নতুনভাবে জীবিত করে ওঠানো হবে?মুফতী তাকী উসমানী
এটাই তাদের প্রতিফল, কারণ তারা আমার নিদর্শন অস্বীকার করেছিল ও বলেছিলঃ আমরা অস্থিতে পরিণত ও চূর্ণ বিচূর্ণ হলেও কি নতুন সৃষ্টি রূপে পুনরুত্থিত হব?মুজিবুর রহমান
এটাই তাদের শাস্তি। কারণ, তারা আমার নিদর্শনসমূহ অস্বীকার করেছে এবং বলেছেঃ আমরা যখন অস্থিতে পরিণত ও চুর্ণ-বিচুর্ণ হয়ে যাব, তখনও কি আমরা নতুনভাবে সৃজিত হয়ে উত্থিত হব?মাওলানা মুহিউদ্দিন খান
এটাই এদের প্রতিফল, কারণ এরা আমার নিদর্শন অস্বীকার করেছিল ও বলেছিল, ‘অস্থিতে পরিণত ও চূর্ণ-বিচূর্ণ হলেও আমরা কি নূতন সৃষ্টিরূপে পুনরুত্থিত হব ?’ ইসলামিক ফাউন্ডেশন
এটাই তাদের প্রতিদান, কারণ তারা আমার আয়াতসমূহ অস্বীকার করেছে এবং বলেছে, ‘আমরা যখন হাড্ডি ও ছিন্ন-ভিন্ন হয়ে যাব, তখন আমরা কি নতুন সৃষ্টিরূপে পুনরুজ্জীবিত হব’?আল-বায়ান
এটাই তাদের প্রতিফল, কেননা তারা আমার নিদর্শনসমূহ প্রত্যাখ্যান করেছিল আর বলেছিল, ‘যখন আমরা হাড্ডি ও চূর্ণ ধূলায় পরিণত হব তখনও কি আমাদেরকে নতুন এক সৃষ্টির আকারে আবার উঠানো হবে?’তাইসিরুল
এই হচ্ছে তাদের প্রতিদান কেননা তারা আমাদের নিদের্শাবলী অস্বীকার করেছিল এবং বলেছিল -- "কী! আমরা যখন হাড়-ও ধুলোকণা হয়ে যাব তখন কি আমরা সত্যই পুনরুত্থিত হব নতুন সৃষ্টিরূপে?"মাওলানা জহুরুল হক
৯৮. এটাই তাদের প্রতিদান, কারণ তারা আমাদের নিদর্শন অস্বীকার করেছিল ও বলেছিল, ‘অস্থিতে পরিণত ও চূর্ণ-বিচূর্ণ হলেও আমরা কি নূতন সৃষ্টিরূপে পুনরুত্থিত হব?(১)
(১) এ আয়াতের ব্যাখ্যা জানার জন্য এ সূরারই ৪৯ নং আয়াতের ব্যাখ্যা দেখুন।
(৯৮) এটাই তাদের প্রতিফল। কারণ তারা আমার নিদর্শনাবলীকে অস্বীকার করেছিল ও বলেছিল, ‘আমরা অস্থিতে পরিণত ও চূর্ণ-বিচূর্ণ হলেও কি নতুন সৃষ্টিরূপে পুনরুত্থিত হব?’ (1)
(1) অর্থাৎ, জাহান্নামের এই আযাব তাদেরকে এই জন্য দেওয়া হবে যে, তারা আমার নাযিলকৃত আয়াতসমূহকে সত্য বলে স্বীকার করেনি এবং বিশ্বজাহানে ছড়িয়ে থাকা নিদর্শনাবলীর ব্যাপারে চিন্তা-গবেষণা করেনি। যার কারণে তারা কিয়ামত সংঘটিত ও মৃত্যুর পর পুনরুত্থিত হওয়াকে অসম্ভব মনে করেছিল এবং বলেছিল যে, অস্থিতে পরিণত ও চূর্ণ-বিচূর্ণ হয়ে যাওয়ার পর আমরা আবার নতুনভাবে কি করে সৃজিত হতে পারি?