لِيَجۡزِيَ ٱللَّهُ كُلَّ نَفۡسٖ مَّا كَسَبَتۡۚ إِنَّ ٱللَّهَ سَرِيعُ ٱلۡحِسَابِ

লিইয়াজঝিয়াল্লা-হু কুল্লা নাফছিম মা-কাছাবাত ইন্নাল্লা-হা ছারী‘উল হিছা-ব।উচ্চারণ

এটা এ জন্য হবে যে, আল্লাহ‌ প্রত্যেককে তার কৃতকর্মের বদলা দেবেন। হিসেব নিতে আল্লাহর একটুও দেরী হয় না। তাফহীমুল কুরআন

এইজন্য যে, আল্লাহ প্রত্যেককে তার কৃতকর্মের প্রতিফল দেবেন। আল্লাহ দ্রুত হিসাব গ্রহণকারী।মুফতী তাকী উসমানী

যাতে আল্লাহ প্রতিদান দেন প্রত্যেক নাফসকে যা সে অর্জন করেছে। নিশ্চয় আল্লাহ দ্রুত হিসাব গ্রহণকারী।মুজিবুর রহমান

যাতে আল্লাহ প্রত্যেককে তার কৃতকর্মের প্রতিদান দেন। নিশ্চয় আল্লাহ দ্রুত হিসাব গ্রহণকারী।মাওলানা মুহিউদ্দিন খান

এটা এইজন্যে যে, আল্লাহ্ প্রত্যেকের কৃতকর্মের প্রতিফল দিবেন। নিশ্চয়ই আল্লাহ্ দ্রুত হিসেব গ্রহণ করেন। ইসলামিক ফাউন্ডেশন

এটা এ জন্য যে, আল্লাহ প্রত্যেকের কৃতকর্মের প্রতিফল দিবেন, আল্লাহ হিসাব গ্রহণে তৎপর।আল-বায়ান

(এটা করা হবে এজন্য) যাতে আল্লাহ প্রত্যেক ব্যক্তিকে তার কৃতকর্মের প্রতিফল দিতে পারেন। আল্লাহ তো হিসাব গ্রহণে খুবই দ্রুতগতি।তাইসিরুল

যেন আল্লাহ্ প্রত্যেক সত্ত্বাকে প্রতিদান দিতে পারেন যা সে অর্জন করেছে, নিঃসন্দেহ আল্লাহ্ হিসেব-নিকেশে তৎপর।মাওলানা জহুরুল হক

তাফহীমুল কুরআন

তাফসীরে মুফতি তাকি উসমানী

তাফসীরে জাকারিয়া

৫১. যাতে আল্লাহ প্রতিদান দেন প্রত্যেক নাফসকে যা সে অর্জন করেছে নিশ্চয় আল্লাহ হিসেব গ্রহণে তৎপর।(১)

(১) এর দুটি অর্থ হতে পারে। এক. তিনি বান্দাদের হিসেব গ্রহণে দ্রুত তা সম্পন্ন করবেন। কেননা, তিনি সবকিছু জানেন। কোন কিছুই তাঁর কাছে গোপন নেই। সমস্ত মানুষ তাঁর শক্তির কাছে একজনের মতই। যেমন অন্য আয়াতে আল্লাহ বলেন, “তোমাদের সবার সৃষ্টি ও পুনরুত্থান একটি প্রাণীর সৃষ্টি ও পুনরুত্থানেরই অনুরূপ। (সূরা লুকমান: ২৮) দুই আয়াতের দ্বিতীয় অর্থ হচ্ছে, অচিরেই তিনি তাদের হিসেব গ্রহণ করবেন। কারণ কিয়ামত অতি সন্নিকটে। যেমন অন্য আয়াতে বলেছেন, “মানুষের হিসেব-নিকেশের সময় আসন্ন, কিন্তু তারা উদাসীনতায় মুখ ফিরিয়ে রয়েছে।” (সূরা আল-আম্বিয়াঃ ১) (ইবন কাসীর)

তাফসীরে আহসানুল বায়ান

(৫১) যাতে আল্লাহ প্রত্যেককে তার কৃতকর্মের প্রতিফল দিবেন। নিশ্চয় আল্লাহ হিসাব গ্রহণে তৎপর।