user-avatar

Md Iqbal Hossain

◯ iqbal5987

*ডিপ্রেশন কি?

-ডিপ্রেশন হচ্ছে এমন এক মানসিক অসুখ যেটা আপনাকে ধীরেধীরে গ্রাস করে নেয়।

*ডিপ্রেশন কেনো হয়?

-অতিরিক্ত সমস্যা যেমন-ফ্যামিলি প্রবলেম,ব্যক্তিগত প্রবলেম,অসুস্থতা,প্রেমঘটিত সমস্যা,লেখাপড়া নিয়ে বিভিন্ন সমস্যা এরকম আরো অনেক সমস্যার জন্য আপনার মধ্যে ডিপ্রেশন জেকে বসতে পারে।

*কখন বুঝবেন আপনি ডিপ্রেশনে ভুগছেন?

-যখন আপনার চারপাশের সব কিছুর মধ্যে বিরক্তি অনুভব করবেন।যে কোনো কাজ থেকে নিজেকে গুটিয়ে নিতে ইচ্ছে করবে এবং যখন সব সময় একা থাকতে চাইবেন তখন বুঝবেন আপনি ডিপ্রেশনে ভুগছেন।

*ডিপ্রেশন কখন হতে পারে?

-ডিপ্রেশনের একটা ভয়ানক সময় হচ্ছে ১৮-২৫ বছর পর্যন্ত।এ বয়সে আপনি অনায়াসে ভুলভাল সিদ্ধান্ত নিয়ে থাকেন এবং যার ফলে আপনার মধ্যে ডিপ্রেশন দেখা দেয়।

*ডিপ্রেশন হলে কি করবেন?

-ডিপ্রেশন দূর করার প্রথম ধাপ হচ্ছে নিয়মিত নামাজ পড়া,কোরআন তিলাওয়াত করা।নিজেকে সবার মধ্যে রাখা।নিজের পছন্দের জিনিস গুলোকে প্রায়োরিটি দেয়া। পরিবারের সবার সাথে সময় কাটানো বিশেষ করে বাচ্চাদের সাথে।নিজের প্রিয় খাবার রান্না করা।সবচেয়ে সুন্দর আরেকটা ধাপ হচ্ছে বাগান করা।দিনের কিছুটা সময় আপনি আপনার ছোট্ট বাগানে কাটাতে পারেন।গাছের সজীবতা আপনার মন এবং মস্তিষ্কে কিছুটা হলেও রিফ্রেশ আনবে।

*কখন বুঝবেন আপনি ডিপ্রেশন কাটিয়ে উঠতে পেরেছেন?

-যখন নিজেকে একা অনুভব হবে না।নিজের সব সমস্যা যখন অনায়াসে সবার সাথে শেয়ার করতে পারবেন।যখন আপনি যেকোনো কাজ উপভোগ করবেন এবং নিজের সমস্যা গুলো কাটিয়ে আবার স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসবেন তখন বুঝবেন আপনি ডিপ্রেশন মুক্ত হয়েছেন।


হ্যা। এটা হ্যাক হয়ে গেছে.

যার কারণে আপনি এই রকম দেখতে পাচ্ছেন।

আপনাকে এডমিন থেকে রিমোভ দেওয়া হয়েছে।এখন আপনি অন্যের মতো সাধারণ একজন ভিজিটর।  



নম্বরপ্লেট প্রদানের ক্ষেত্রে বিআরটিএ’র নিয়ম অনুসারে মোট ১৯টি ক্যাটাগরি আছে। এর মধ্যে একটি ক্যাটাগরি হচ্ছে প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ের গাড়ি, বাকি ১৮টি ক্যাটাগরি হচ্ছে জনসাধারণের গাড়ির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য।  

 

ক : প্রাইভেটকার, ৮০০ সিসি’র প্রাইভেট কারের নম্বরপ্লেটে ব্যবহার করা হয়ে থাকে ব্যাঞ্জন বর্ণের প্রথম বর্ণ ‘ক’।

 

খ : প্রাইভেটকার, যেসব প্রাইভেট কার ১০০০-১৩০০ সিসি’র হয়ে থাকে সেগুলোর নম্বরপ্লেটে ‘খ’ লেখা থাকে।

 

গ : প্রাইভেটকার, ১৫০০-১৮০০ সিসি’র যেসব প্রাইভেটকার রয়েছে সেগুলোর নম্বরপ্লেটে খেয়াল করলে দেখা যাবে ‘গ’ বর্ণ দেয়া আছে।

 

ঘ : জিপগাড়ি, জিপগাড়ির ক্যাটাগরি নির্ধারণের জন্য ‘ঘ’ ব্যবহার করা হয়ে থাকে।

 

চ : মাইক্রোবাসের নম্বর প্লেটে ব্যবহার করা হয় বাংলা বর্ণমালার ৫ম বর্ণ ‘চ’।

 

ছ : ভাড়ায় চালিত মাইক্রোবাস যেগুলো সেগুলোর নম্বর প্লেটে থাকে ‘ছ’। লেগুনার জন্যও এই বর্ণটি নির্ধারিত।

 

জ : মিনিবাসের ক্যাটাগরি বুঝানোর জন্য নম্বর প্লেটে ‘জ’ বর্ণটি ব্যবহার করা হয়ে থাকে।

 

ঝ : বড় বাস বা কোস্টার বাসের ক্যাটাগরি বুঝাতে ব্যবহার করা হয় ‘ঝ’।

 

ট : এটি বড় ট্রাকের নম্বর প্লেট।

 

ঠ : নম্বর প্লেটটি কোনো ডাবল কেবিন পিক-আপ এর নম্বর প্লেট। ।

 

ড : মাঝারি ট্রাকের নম্বর প্লেটে ‘ড’ বর্ণটি থাকে।

 

ন : কোন গাড়ি যদি ছোট পিক আপ ক্যাটাগরির হয়ে থাকে তাহলে নম্বর প্লেটে ‘ন’ ব্যবহার করে ক্যাটাগরি নির্দিষ্ট করা হয়ে থাকে।

 

প : টাক্সি ক্যাবের জন্য নির্ধারিত ক্যাটাগরি হচ্ছে ‘প’ ক্যাটাগরি।  

 

ভ : ২০০০+ সিসি প্রাইভেটকার বুঝানোর জন্য এইসব গাড়ির নম্বর প্লেট।

 

ম : পণ্য পরিবহন এবং ডেলিভারির জন্য ব্যবহৃত পিক-আপ বুঝানোর জন্য।

 

দ : প্রাইভেট বা নিজস্ব পরিবহনের জন্য যেসব প্রাইভেট সিএনজি চলাচল করে থাকে সেগুলোর নম্বর প্লেটে ‘দ’ ব্যবহার করে বুঝান হয় এইটি প্রাইভেট সিএনজি।

 

থ : ভাড়ায় চলিত সিএনজির ক্ষেত্রে ‘দ’ এর বদলে ‘থ’ ব্যবহার করা হয়ে থাকে।

 

হ : যদি কোনো মোটরবাইক ৮০-১২৫ সিসি’র হয়ে থাকে তাহলে সেই বাইকের নম্বরপ্লেটে ‘হ’ দিয়ে চিহ্নিত করা হয়ে থাকে।

 

ল : যদি কোনও মোটরবাইক ১৩৫-২০০ সিসি’র হয়ে থাকে তাহলে সেই বাইকের নম্বরপ্লেটে ‘ল’ দিয়ে চিহ্নিত করা হয়ে থাকে।

 

ই : ভটভটি টাইপের ট্রাকের নম্বরপ্লেট।

ওয়াক্সিং’ করা যন্ত্রণার। বরং কম যাতনায় শরীরের অবাঞ্ছিত লোম তোলা উপায় হল ‘সুগারিং’।

রূপচর্চা-বিষয়ক একটি ওয়েবসাইটে এই পদ্ধতির বর্ণনা দেওয়া হয়েছে এভাবে-

প্রাকৃতিক পদ্ধতিতে শরীরের অবাঞ্ছিত লোম অপসারণের পদ্ধতি হল ‘সুগারিং’। আর নামের সঙ্গে সঙ্গতি রেখে পদ্ধতিটির প্রধান উপাদানই হল ‘সুগার’ অর্থাৎ চিনি। সঙ্গে মেশাতে হবে লেবুর রস ও পানি।

অন্যান্য ‘ওয়্যাক্সিং’ পদ্ধতির মতো এখানে কাগজের স্ট্রিপ-ও প্রয়োজন নেই, হাত দিয়ে টেনেই লোমসহ মিশ্রণটি তুলে ফেলা যাবে।

তৈরির পদ্ধতি: আধা কাপ চিনির সঙ্গে দুই টেবিল-চামচ লেবুর রস ও পানি মিশিয়ে নিন। এবার মিশ্রণটি হালকা আঁচে গরম করুন। বলক আসা মাত্রই ‘হুইস্ক’ বা নাড়ুনি দিয়ে নাড়তে হবে।

কিছুক্ষণ পরেই মিশ্রণটির রং পরিবর্তিত হতে দেখা যাবে। বাদামি থেকে সোনালি রং হওয়া মাত্রই চুলা থেকে মিশ্রণটি নামি ঠাণ্ডা হওয়ার জন্য রেখে দিন। দেখবেন একটা আঠালো মিশ্রণ তৈরি হয়েছে। অনেকটা মধুর মতো। তবে মধুর চেয়ে ঘন ও আঠালো হবে।

এরপর হাত পানিতে ভিজিয়ে হালকা গরম থাকা অবস্থায় মিশ্রণটি হাতে নিয়ে গোল বলের মতো তৈরি করুন। গরম বেশি হলে বার বার হাত পানিতে ভিজিয়ে মিশ্রণের বলটিতে পানি মাখিয়ে ঠাণ্ডা করুন।

এবার যে স্থানের লোম অপসারণ করবেন সেখানে মাখাতে হবে। লোম যেদিকে বের হয় তার উল্টা দিকে মিশ্রণটি প্রয়োগ করতে হবে। কয়েক সেকেন্ড রেখে দিয়ে লোম যেদিকে বাড়ে সেদিকে টেনে মিশ্রণটি তুলতে হবে। এতে লোমের বৃদ্ধি প্রক্রিয়া ক্ষতিগ্রস্ত হবে না এবং তোলার সময় লোম ছিঁড়বে না।

ব্যবহারের স্থান: শরীরের যেকোনো অংশেই এই মিশ্রণ ব্যবহার করা যায়। তবে পুরুষদের দাড়ি-গোঁফ তোলার ক্ষেত্রে এই পদ্ধতি কার্যকর হবে না। কারণ তা অনেক বেশি শক্ত এবং মোটা।

যন্ত্রণার মাত্রা: ‘সুগারিং’ পদ্ধতিতে যন্ত্রণার মাত্রা ‘ওয়্যাক্সিং’য়ের তুলনার অনেক কম, তবে শেইভ করার মতো যন্ত্রণাহীন নয়।

কতবার করা যাবে: প্রাকৃতিক উপাদান হওয়ায় যতবার ইচ্ছা ততবার এই পদ্ধতি কাজে লাগাতে পারেন। যখনই আপনার মনে হবে অবাঞ্ছিত লোম অপসারণ করতে হবে তখনই চিনি, লেবু আর পানি নিয়ে মাঠে নেমে পড়তে পারেন।

সাধারণত লোমের দৈর্ঘ্য একটি চালের দানার সমান বা এক ইঞ্চির আট ভাগের এক ভাগ হলে লোম অপসারণ করা হয়। যাদের লোম দ্রুত বাড়ে তাদের ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয়তাও দ্রুত দেখা দিতে পারে। আবার সময়ের সঙ্গে লোমের মাত্রাও কমবে ‘ওয়্যাক্সিং’য়ের মতোই।

উপকারিতা: প্রচলিত ‘ওয়াক্সিং’ পদ্ধতিতে ১৫ থেকে ৩০ শতাংশ চুল ছিঁড়ে যায়। তবে ‘সুগারিং’ প্রক্রিয়ার এই মাত্রা অনেকটাই কমে আসে। কারণ পদ্ধতিটি ‘ওয়াক্সিং’য়ের তুলনায় মসৃণ এবং মৃদু মাত্রার।

আবার ‘ওয়্যাক্সিং’য়ের ক্ষেত্রে মিশ্রণ প্রয়োগের সময় তাপ প্রয়োগ করতে হয়। ফলে অনেক সময় ত্বক পুড়ে যায়। ‘সুগারিং’য়ে এই ঝামেলা নেই


Ha ha..

Internet.org তে ছলে যান। সেইখানে গিয়ে দেখেন।  নিছে গিয়ে আরো কিছু ওয়েব এড করতে পারবেন

“আর যারা বলে, ‘হে আমাদের রব, আপনি আমাদেরকে এমন স্ত্রী ও সন্তানাদি দান করুন যারা আমাদের চক্ষু শীতল করবে।” (২৫:৭৪)

 

এর মানে কী জানেন?

 

এর মানে হলো – আপনি আপনার স্ত্রী ও সন্তানদের দেখে এতো খুশি হয়ে যান যে খুশিতে কান্না চলে আসে। যখন দেখেন যে আপনার সন্তান কুরআন তিলাওয়াত করছে এবং সে কুরআন তিলাওয়াত করতে ভালোবাসে, এটা দেখে আপনি এতো খুশি হোন যে চোখ দিয়ে আনন্দ অশ্রু নেমে আসে। যখন দেখেন যে, আপনার স্ত্রী কত কঠোর পরিশ্রম করে আপনার সন্তানদের যত্ন নিচ্ছে – এটা দেখে আপনি এতো খুশি হোন যে আনন্দে চোখ ভিজে উঠে।

 

আবার স্ত্রী যখন দেখে যে, তার স্বামী সন্তানদের নিয়ে মসজিদে যাচ্ছে, তখন স্ত্রীরও চোখ দিয়ে খুশিতে আনন্দ অশ্রু নেমে আসে।

 

আমাদের স্বামী-স্ত্রীরাও কান্না করেন, কিন্তু তারা আসলে খুশিতে কান্না করেন না। তারা ভিন্ন কারণে কাঁদেন। আমরা আল্লাহর নিকট আনন্দ অশ্রু কামনা করছি। আমরা আমাদের পরিবারের উপর খুশি থাকতে চাই। কিভাবে আমরা এটা করবো ? এখন তো বাসায় এসেই স্ত্রীর সাথে ঝগড়া বাধিয়ে দেন। প্রতিদিন। বাসায় প্রবেশ করলেই কথোপকথনের চিত্রটা এমন হয় –

 

স্ত্রী: তোমার দেরি হলো কেন?

স্বামী: কেন জিজ্ঞেস করছো? জানোনা যে রাস্তায় ট্রাফিক। জানালা দিয়ে একটু তাকিয়ে দেখো।

 

প্রতিদিন, প্রতিদিন এরূপ ঝগড়া বাধিয়ে দেন। তারপর আপনার মেজাজ এতো খারাপ হয়ে যায় যে, বাচ্চাদের সাথেও রাগ দেখাতে শুরু করেন।

 

-“তোমার হাতে খেলনা কেন?”

“তোমাকে এতো খুশি খুশি লাগছে কেন?”

“এই বাসায় কেউ খুশি থাকতে পারবে না। ” “তোমার বাড়ির কাজ করেছো?”

 

বাচ্চা তখন ভয়ে ভয়ে বলে –

 

“আ -আ -জ আমাদের কোনো হোম ওয়ার্ক ছিল না।”

– “কেন ছিল না। দাঁড়াও, আমি তোমার স্কুলে অভিযোগ করবো।”

 

ইয়া আল্লাহ! এটা “কুররাতা আইনুন” (চক্ষু শীতলকারী আচরণ নয়) নয়।

 

এমন অনেকেই আছেন যারা নামাজ পড়তে মসজিদে আসেন। নামাজ আদায় করার পর তো আপনার অন্তর প্রশান্তিতে ভরে উঠার কথা। এই নামাজ আপনাকে শান্ত করার কথা, স্থির করার কথা। কিন্তু নামাজ শেষ করার পর যখন বাসায় ফিরলেন মনে হয় যেন একটা টর্নেডো বাসায় প্রবেশ করলো। বাচ্চারা ভয়ে খাটের নিচে লুকায়। স্ত্রী তাড়াতাড়ি ফোন রেখে দেয়। আপনি আপনার পরিবারের ভয়ের কারণ হতে পারেন না। আপনাকে দেখে তো পরিবারের সবার উৎসবে মেতে উঠার কথা। বাসায় প্রবেশ করার সাথে সাথে বাচ্চাদের তো দৌড় দিয়ে এসে আপনাকে জড়িয়ে ধরার কথা। সন্তানদের সাথে আপনার এমন মধুর সম্পর্ক গড়ে তোলা উচিত।

 

কেন আমি এসব বিষয় নিয়ে কথা বলছি? ২০ বছর আগে, ৩০ বছর আগে, ৪০ বছর আগে সন্তান প্রতি পালনের পদ্ধতিটা অন্যরকম ছিল। কিন্তু এখন আর সেভাবে করলে হবে না। আমি পিতাদের উদ্দেশ্য বলছি – এখন বাচ্চাদের উপর শুধু কর্তৃত্ব খাটালে হবে না। এখন আপনাকে তাদের ‘বন্ধু এবং শাসক’ হতে হবে। আমাদের বাবারা আমাদের বন্ধু ছিলেন না।

 

তারা শুধু শাসন করতেন। আমরা আমাদের পিতার পিঠ চাপড়িয়ে বলিনি যে, “চলো বাবা, ক্রিকেট খেলি। চলো ফুটবল খেলি।” না, আমরা এমন টা করিনি। আপনি সোজা হয়ে দাঁড়িয়ে বলতেন, আব্বাজান। তারপর তাড়াতাড়ি তাঁর জুতো এনে দিতেন। এরকম ঘটতো বিশ বছর, ত্রিশ বছর আগে। এখন আপনার বাচ্চা এমনটা করে না। আর তারা করবেও না।

 

আমরা এখন ভিন্ন এক শতাব্দীতে বাস করছি। আমাদের বাচ্চাদের সামনে এখন বহু কিছু উন্মুক্ত। আপনি মুসলিম বিশ্বে থাকেন বা যেখানেই থাকেন না কেন, পিতা-মাতাদের সম্মান করার বিষয়টা অবশ্যই থাকবে… কিন্তু আমাদের বাচ্চাদের নিকট একমাত্র যে ব্যক্তি ইসলামকে তুলে ধরবে সে হলো আপনি নিজে। যদি শুধু কর্তৃত্ব খাটান তাহলে তাদের নিকট সেটা উপস্থাপন করতে সক্ষম হবেন না। যদি শুধু চিৎকার চেঁচামেচি করেন আর আদেশ করেন, কিন্তু বন্ধু বৎসল আচরণ না করেন। (তাহলে তাদের নিকট ইসলামকে তুলে ধরতে সমর্থ হবেন না)

 

আপনার বাচ্চারা যে সব ভিডিও গেইম খেলে আপনারও সেগুলো শেখা উচিত। যদি তাদের খেলতে দেন … প্রথমত এটা খারাপ অভ্যাস। কিন্তু যদি তাদের খেলতে দেন, তাহলে ভালো হয় আপনিও তাদের সাথে খেলেন। বাসায় ফিরেই খবর দেখতে বসবেন না। আপনি তো পৃথিবীকে পরিবর্তন করতে যাচ্ছেন না।সারাজীবন ধরে তো যথেষ্ট খবর দেখেছেন। কিন্তু কিছুই পরিবর্তন করতে পারেন নি।

 

স্টক মার্কেটের খবর জেনে আপনার কী? আপনার তো স্টক নেই, তাহলে এই খবর দেখছেন কেন? এর সাথে আপনার কোনো সম্পর্ক নেই। যখন গাড়িতে থাকেন তখন খবর শুনেন। বাসায় এসেই টিভি দেখতে বসবেন না, খবর দেখতে বসবেন না। বাসায় ফিরে আপনার বাচ্চাদের সাথে খেলা করুন। তাদের হোম ওয়ার্ক তৈরিতে সাহায্য করুন। তাদের সাথে কথা বলুন। তাদেরকে সাথে করে মসজিদে নিয়ে যান। এসব করুন। এমন আচরণ করুন যেন তারা আপনাকে ভালোবাসে।

 

আমি বলছি, যদি পিতারা এমনটা না করেন তাহলে আমরা এই উম্মাহকে হারাতে যাচ্ছি। আমরা আমাদের পরবর্তী প্রজন্মকে হারিয়ে ফেলবো। আমি আপনাদের বলছি, গ্যারান্টি দিচ্ছি।

 

খুশির টেলায় আমাদের উত্তর গুলোতে গিফট দিয়ে দেন..

হেল্প লাইনে কল দিন.

১৬২১৬

হ্যা খেলাটি বাস্তব হয়।


অন্যান্য পেশাদার রেসলিং প্রচারণার মতো, ডাব্লিউডাব্লিউইর অনুষ্ঠানগুলো বৈধ প্রতিযোগিতা নয়, তবে খাঁটি বিনোদন-ভিত্তিক, কাহিনীরেখা, স্ক্রিপ্টযুক্ত এবং পূর্ব নির্ধারিত ম্যাচসমৃদ্ধ, যদিও এসকল ম্যাচে প্রায়ই এমন পদক্ষেপ অন্তর্ভুক্ত থাকে যা কুস্তিগীরদের আঘাত, এমনকি যদি না সঠিকভাবে সঞ্চালন না করলে মৃত্যু ঝুঁকিতে ফেলতে পারে। অ্যাথলেটিক কমিশন থেকে শুল্ক এড়াতে, ১৯৮৯ সালে ডাব্লিউডাব্লিউইর মালিক ভিন্স ম্যাকম্যান এই সংস্থাটিকে সর্বপ্রথম প্রকাশ্যে নিজ অধীনস্থ সংস্থা হিসেবে ঘোষণা করেছিলেন। ১৯৮০-এর দশক থেকে, ডাব্লিউডাব্লিউই প্রতিযোগিতামূলক খেলাধুলা এবং নাটকীয় আবহের মাধ্যমে তাদের কার্যক্রমকে ক্রীড়া বিনোদন হিসাবে অভিহিত করে।

উপরের লিখাটি ©Wikipedia  থেকে সংগৃহিত।


এইটি বাস্তবে হলে ও একটি অভিনয়ের মতো। তারা এইখানে অনেক ট্রিক্স ব্যাবহার করে যাতে আমরা বুঝতে না পারি.. 

Facebook Lite দিয়ে!

Admin tools > settings > privacy > Public


অথবা

Group info > settings > privacy > Public

আসলে ইনকাম করা এত সহজ ব্যাপার নাহ।

আপনাকে সময় দিতে হবে। পরিশ্রম করতে হবে।

মোবাইল দিয়ে আয় করা সম্ভব। ইনকাম করার কয়েকটা পদ্ধতি হলো।

১.ফেইসবুকের মাধ্যমে আয়। 

ফেইসবুকে আপনি একটা গ্রুপ/পেজ খুলতে পারেন।সেই গ্রুপ/পেজ এ আপনি প্রোডাক্ট সেল করতে পারেন। অথবা আপনি অন্যের প্রোডাক্ট কে প্রোমোট করতে পারবন।

২. ফটো ইডিট করতে পারেন। তবে প্রোপেশনাল মানের ইডিট করতে না পারলে মুটামুটি ভালোই ইডিট করতে পারেন।

৩. আর্টিকেল রাইটিং /আর্টিকেল রি-রাইটিং/ট্রান্সলেট ইত্যাদি।

৫.ইউটিউবে ভিডিও বানিয়ে আয় করতে পারবেন!ইত্যাদি 


অপেহ্মা করি!

iqbal5987
Jun 13, 10:20 PM

“কি করো?”

“অপেক্ষা করি”  

 

কথোপকথন শুরুই হতো এভাবে। গতবছরের এই দিনটায় আমার কাছে একটা চিঠি এসেছিলো। না না প্রেমপত্র নয়। ভালবাসা পত্র বা যত্ন পত্র  নাম দেয়া যায়। লেখা ছিল না প্রেমের কোন কথা। ছিল না একবারও ভালবাসি বা তোমাকে চাই কিন্তু সেই চিঠিটা পড়ে আমি দেড় ঘণ্টা কেঁদেছি। আমার কাঁদলে জ্বর আসে, সেদিনও এসেছিল। গতবছরের এই গ্রীষ্মে আমরা প্রেমে ছিলাম। ঠিক এই সময়টায় আমরা ভালোবাসায় মাখামাখি ছিলাম। ভালবাসতাম আমাদের একসাথের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা। আমার শহরে হয় তুমি বসতি গড়বে কিংবা তোমার শহরে আমি। কিন্তু থাকতে হবে একসাথেই, যে কোন কিছুর বিনিময়ে, এই ছিল পণ। ইউরো ট্রিপ ছিল আমাদের পরিকল্পনায়। আমরা দুজন দুজনের হাত ধরে জাস্ট গায়েব হয়ে যাবো, পৃথিবী ধ্বংস হয় হোক। তোমার বাসায় আমার দাওয়াতও পাওনা ছিল। কিভাবে আমরা তর্ক করলাম পা ছুঁয়ে সালাম করা নিয়ে বলো তো? আমি তো পা ছুঁয়ে সালাম করবোই! চোখ পাকিয়ে বলেছিলে “আম্মু বুঝে যাবে!” আমার হাসির শব্দ যে ঝনঝন সেটা এই গেলো বছরেই জেনেছি। আমাদের ফিকশনাল বাচ্চার প্ল্যান!

 

- তোমার মতো ডিম্পল না পড়লে আমি একদম ময়লার বক্সে ফেলে দিবো। এই কোঁকড়া চুল!

এই কোঁকড়া চুল লাগবেই লাগবে!

 

- আচ্ছা সব আমার লাগবে?? তোমার কিছু লাগবে না?

 

- আমার তো কিচ্ছু নাই।

 

- তোমার মায়া থাকলেই হবে, আর কিচ্ছু লাগবেই না!

 

আমি সব যুক্তির বিরুদ্ধে গিয়ে ভালবাসতাম। আমি তোমাকে নিঃসন্দেহে ভালবাসতাম। আমি কোন ভবিষ্যৎ বিবেচনা না করেই তোমাকে ভাঙচুর ভালবাসতাম। তোমার সাথে বৃদ্ধ হওয়া ছাড়া জীবনে যে দ্বিতীয় কোন পথ থাকতে পারে আমি ভাবতেও পারতাম না, তোমাকে ছাড়া আমার কোন পরিচয় ছিল না, কবে? এই গেলো বছরেই।

 

তাই হয়তো তুমিহীন একটা পৃথিবীতে যখন আমার ঘুম ভাঙল আমার অস্তিত্ব খুঁজে পেলাম না কোথাও। আমার পাজর পর্যন্ত ব্যাথা করতো। আমি সারা ঘরে আমাকে খুজতাম। আয়নার দিকে ঘণ্টার পর ঘণ্টা এক দৃষ্টিতে তাকিয়ে থাকতাম, যে প্রতিচ্ছবি দেখতাম তাকে আমি চিনিই না। সকালে ওঠা, বের হওয়া সব কিছু হুট করে আমার কাছে অসম্ভব কাজ মনে হল। বের হলেই তো তোমার ফোন আসার কথা, তোমাকে ভিডিওতে সকাল দেখাতে দেখাতে আমার গন্তব্যে যাওয়ার কথা কিন্তু সেই ফোনটা যখন আসা বন্ধ হয়ে গেলো আমার ঘরের বাইরে পা রাখতে ভয় করলো। আমার মনে হল আমি প্যারালাইজড হয়ে গেছি, শরীরে না। মনে। আমার মনে হল আমার নতুন জন্ম হয়েছে, প্রথমবারের মতো হাঁটা শিখছি। কারো প্রতি মানসিকভাবে নির্ভরশীল হওয়া কতোটা বিধ্বংসী হতে পারে আমি হাড়ে হাড়ে টের পেয়েছি। নিজেকে হাতড়ে বেড়াতে গিয়ে একদিন আমি আবিষ্কার করলাম আমার পৃথিবীতে তুমি নামক প্রাণীটি আর নেই। যে মানুষটা মনের ক্ষুধা মেটাতো সেই মানুষটা বিষ হয়ে গেছে। খাবার আগে ইনগ্রিডিয়েন্ট চেক করতে ভুলে গেছিলাম আমি।

 

 


(ফ্রি বেসিক)

Internet.org এ
সাইট Add করার পুরো Description।প্রথমে
আপনার ফেসবুকে লগইন করুন।

তারপর এই লিংকে প্রবেশ করুন
1. তারপর দেখুন ডানপাশে লেখা আছে New site submission সেখানে ক্লিক করুন।
2. তারপর দেখুন Free Basics Developers Documentation লেখা আছে সেখানে ক্লিক করে সাইট এড করা সম্বন্ধে ভালভাবে জেনে নিন।
3. তারপর একটি ফর্ম মত থাকবে মেটা পূরন করুন।
4. আপনার দেশ নির্বাচন করুন।
5. তারপর আপনার সাইটের নাম লিখুন। এবং আপনার সাইটের Short Description দিন।
6. আপনার সাইটের ব্যানার এবং আইকনের সাইজ অনুযায়ী নিচে লেখা Choose File এর উপর ক্লিক করে ফাইল
আপলোড করে দিন।
7. সাইট Url, Country এবং Language সিলেক্ট করুন।
8. আপনার তথ্য এখানে লিখে দিন।
9. এখানে Terms & Condition সম্পর্কে কিছু বিস্তারিত লিখুন।
10. তারপর Submit করে দিন।

সতর্কতা:
1. সাইটে কোন প্রকার ভারী ইমেজ রাখা যাবে না।
2. কোন প্রকার জাভাস্ক্রিপ্ট রাখা যাবে না এতে সাইট স্লো হয়ে যায়।
3. Last Update এ Thumbnail সিস্টেম না করলেই ভাল হয়।
4. সাইটে কোন প্রকার এড থাকলে সরিয়ে ফেলতে হবে।
5. সাইটটি শুধুমাত্র মোবাইল ভার্সন হতে হবে।


[Note: যতদিন আপনার সাইটটি
internet.org এ Approve না হচ্ছে ততদিন উপরের নিয়মগুলো মেনে চলবেন। সাইট Approved হওয়ার পরে আপনাদের ইচ্ছামত সাইট ডিজাইন, সাইটে এড বসানো কিংবা জাভাস্ক্রিপ্ট ব্যবহার করতে পারবেন।]

টেকটিউনস থেকে আয় করতে চাইলে প্রথমে আবেদন করতে হবে।

আবেদন করার লিংক হলো  https://techtun.es/2hiEvwb


তাদের আবেদন করা এবং জব  সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে

এই লিংকে গিয়ে দেখতে পারেন. https://www.techtunes.co/category/techtunes-jobs


#ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন-২০১৮ অনুযায়ী কেউ ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত হানলে নিন্মোক্ত ভাবে অপরাধী হবেন ও শাস্তি পাবেন:

 

(১) যদি কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠী ইচ্ছাকৃতভাবে বা জ্ঞাতসারে ধর্মীয় মূল্যবোধ বা অনুভূতিতে আঘাত করিবার বা উস্কানি প্রদানের অভিপ্রায়ে ওয়েবসাইট বা অন্য কোনো ইলেকট্রনিক বিন্যাসে এমন কিছু প্রকাশ বা প্রচার করেন বা করান, যাহা ধর্মীয় অনুভূতি বা ধর্মীয় মূল্যবোধের উপর আঘাত করে, তাহা হইলে উক্ত ব্যক্তির অনুরূপ কার্য হইবে একটি অপরাধ।

 

(২) যদি কোনো ব্যক্তি উপ-ধারা (১) এর অধীন কোনো অপরাধ সংঘটন করেন, তাহা হইলে তিনি অনধিক ৫ (পাঁচ) বৎসর কারাদণ্ডে, বা অনধিক ১০ (দশ) লক্ষ টাকা অর্থদণ্ডে, বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হইবেন।

 

(৩) যদি কোনো ব্যক্তি উপ-ধারা (১) এ উল্লিখিত অপরাধ দ্বিতীয় বার বা পুনঃপুন সংঘটন করেন, তাহা হইলে তিনি অনধিক ১০ (দশ) বৎসর কারাদণ্ডে, বা অনধিক ২০ (বিশ) লক্ষ টাকা অর্থদণ্ডে, বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হইবেন।

 

#উক্ত অপরাধের জন্য আইন-শৃঙ্খলার অবনতি হলে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের ৩১ ধারা অনুযায়ী অপরাধী হবেন:

 

(১) যদি কোনো ব্যক্তি ইচ্ছাকৃতভাবে ওয়েবসাইট বা ডিজিটাল বিন্যাসে এমন কিছু প্রকাশ বা সম্প্রচার করেন বা করান, যাহা সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন শ্রেণি বা সম্প্রদায়ের মধ্যে শত্রুতা, ঘৃণা বা বিদ্বেষ সৃষ্টি করে বা সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্ট করে বা অস্থিরতা বা বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করে অথবা আইন-শৃঙ্খলার অবনতি ঘটায় বা ঘটিবার উপক্রম হয়, তাহা হইলে উক্ত ব্যক্তির অনুরূপ কার্য হইবে একটি অপরাধ।

 

(২) যদি কোনো ব্যক্তি উপ-ধারা (১) এর অধীন কোনো অপরাধ সংঘটন করেন, তাহা হইলে তিনি অনধিক ৭ (সাত) বৎসর কারাদণ্ডে, বা অনধিক ৫ (পাঁচ) লক্ষ টাকা অর্থদণ্ডে, বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হইবেন।

 

(৩) যদি কোনো ব্যক্তি উপ-ধারা (১) এ উল্লিখিত অপরাধ দ্বিতীয় বার বা পুনঃপুন সংঘটন করেন, তাহা হইলে তিনি অনধিক ১০ (দশ) বৎসর কারাদণ্ডে, বা অনধিক ১০ (দশ) লক্ষ টাকা অর্থদণ্ডে, বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হইবেন।

 

 

বইয়ের নাম?

iqbal5987
Jun 13, 09:53 AM



১.রিচার্জ ইউর ডাউন ব্যাটারি

https://bdebooks.com/books/recharge-your-down-battery-by-jhankar-mahbub/
২.ভাল্লাগে না
https://bdebooks.com/books/vallage-na-by-ayman-sadiq-antik-mahmud/
৩.অঙ্ক ভাইয়া
https://bdebooks.com/books/anko-vaiya-by-chamok-hasan/
৪.স্টুডেন্ট হ্যাকস
https://bdebooks.com/books/student-hacks-by-ayman-sadiq-sadman-sakib/
৫.লোকে কী বলবে?
https://bdebooks.com/books/loke-ki-bolbe-by-ayman-sadiq-sakib-bin-rashid/
৬.কমিউনিকেশন হ্যাকস
https://bdebooks.com/books/communication-hacks-by-ayman-sadiq/
৭.প্যারাময় লাইফের প্যারাসিটামল
https://bdebooks.com/books/peramoy-life-er-paracetamol-by-jhankar-mahbub/
৮.নিমিখ পানে
https://bdebooks.com/books/nimikh-pane-calculuser-poth-porivromon-by-chamok-hasan/
৯.গণিতের রঙ্গে হাসিখুশি
https://bdebooks.com/books/nimikh-pane-calculuser-poth-porivromon-by-chamok-hasan/
১০.শার্লক হোমস
https://bdebooks.com/books/sherlock-holmes-bangla-pdf-books/
১১.নেভার স্টপ লার্নিং
https://bdebooks.com/books/never-stop-learning-by-ayman-sadiq/
১২.গীতবিতান
https://bdebooks.com/books/gitabitan-by-rabindranath-tagore/
১৩.শয়তান
https://bdebooks.com/books/shoytan-by-leo-tolstoy/
১৪.বাঙালির চিন্তাচেতনার বিবর্তনধারা
https://bdebooks.com/books/bangalir-chinta-chetanar-bibartandhara-by-ahmed-sharif/
১৫.বেলা যায় মেলা যায়
https://bdebooks.com/books/bela-jay-mela-jay-by-taslima-nasreen/
১৬.অস্কার
https://bdebooks.com/books/onkar-pdf-book-by-ahmed-sofa/
১৭.বাঙালি মুসলমানের মন
https://bdebooks.com/books/bangali-musolmaner-mon-pdf-book-by-ahmed-sofa/
১৮.শতবর্ষের ফেরারী
https://bdebooks.com/books/soto-borsher-ferrari-bankim-chandra-chattopadhyay-pdf-book-by-ahmed-sofa/
১৯.বুদ্ধিবৃত্তির নতুন বিন্যাস
https://bdebooks.com/books/buddhibrittir-natun-binyas-pdf-book-by-ahmed-sofa/
২০.নিহিত নক্ষত্র
https://bdebooks.com/books/nihoto-nokkhotro-pdf-book-by-ahmed-sofa/
২১.গাভী বৃত্তান্ত
https://bdebooks.com/books/gavi-bittanto-pdf-book-by-ahmed-sofa/

iqbal5987
Jun 12, 08:01 PM

হুম

 

আমরা নামাজে  যা বলি , তার অর্থ জানলে নামাজে অন্য চিন্তা মাথায় আসবেনা !!

 

নিয়ত করার পর, নামাজের মধ্যে আমরা কি পড়ি, বা বলছি তা বাংলা অর্থসহ জেনে নিই...

 

১ ) নামাজে দাড়িয়েই প্রথমে আমরা বলি-

 

”আল্লাহু আকবার’। অর্থ – আল্লাহ্ মহান!

 

২ ) তারপর পড়ি সানা । সানায় আমরা আল্লাহর প্রশংসা করি নিজের জন্য দুয়া করি।

 

সানা :

”সুবহানাকা আল্লাহুম্মা ওয়া বিহামদিকা

ওয়াতাবারাকাস্মুকা ওয়া তা’আলা যাদ্দুকা ওয়া লা ইলাহা গাইরুকা”

 

অর্থঃ হে আল্লাহ ! তুমি পাক-পবিত্র , তোমারই জন্য সমস্ত প্রশংসা, তোমার নাম বরকতময়, তোমার গৌরব অতি উচ্চ , তুমি ছাড়া অন্য কেহ উপাস্য নাই ।

 

৩ ) তারপর আমরা শয়তানের প্রতারনা থেকে আশ্রয় চাই এবং বলি-

 

আ‘ঊযু বিল্লা-হি মিনাশ শায়ত্বা-নির রাজিম ।

 

অর্থ: বিতাড়িত শয়তান থেকে আল্লাহর নিকট আশ্রয় প্রার্থনা করছি।

 

৪ ) আল্লাহর পবিত্র নাম দিয়ে আল্লাহর দয়া করুণার গুন দিয়ে নামাজ এগিয়ে নিয়ে যাই। বলি-

 

’বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম’

 

অর্থঃ পরম করুনাময় অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে আরম্ভ করছি ।

 

৫ ) এরপর আমরা সূরা ফাতেহা দিয়ে নামাজ শুরু করি ( ২ রাকাত / ৪ রাকাত , ফরয / সুন্নতের নিয়ম অনুযায়ী নামাজ পড়ি )। সূরা ফাতিহাসহ কয়েকটি ছোট সুরার বাংলা অর্থ জেনে নিতে হবে।

 

৬ ) আমরা রুকুতে আল্লাহ্ -র উদ্দেশ্যে শরীর অর্ধেক ঝুঁকিয়ে দিয়ে মাথা নুয়িয়ে দিয়ে আল্লাহর প্রশংসা করি এবং ক্ষমা চাই। তিনবার/পাঁচবার বলি-

 

সুবাহানা রাব্বি-আল আজিম / সুবহানা রাব্বিয়াল আজিম ওয়া বিহামদিহি।

 

অর্থ: আমার মহান রবের পবিত্রতা ও প্রশংসা বর্ণনা করছি ।

 

৭ ) তারপর রুকু থেকে উঠে আমরা বলি -

 

সামি আল্লাহু লিমান হামিদা।

 

অর্থ : আল্লাহ সেই ব্যক্তির কথা শোনেন, যে তার প্রশংসা করে ।

 

তারপর পরই আমরা আবার আল্লাহর প্রশংসা করে বলি -

 

আল্লাহুম্মা ‘রাব্বানা ওয়া লাকাল হামদ’

অর্থ : হে আল্লাহ! যাবতীয় প্রশংসা কেবল তোমারই ।

 

৮ ) তারপর আমরা সমস্ত শরীর নুয়িয়ে দিয়ে মাথাকে মাটিতে লুটিয়ে দিয়ে আল্লাহর নিকট সিজদা দেই। তিনবার/ পাঁচবার বলি-

 

‘সুবহানা রাব্বিয়াল আ’লা’

 

অর্থ: আমার মহান রবের পবিত্রতা বর্ণনা করছি

 

[ বি: দ্র: ‘যে ব্যক্তি আল্লাহর জন্য একটি সিজদা করে, আল্লাহ তার জন্য একটি নেকী লেখেন ও তার একটি পাপ দূর করে দেন এবং তার মর্যাদার স্তর একটি বৃদ্ধি করে দেন।‘ ]

 

৯ ) দুই সিজদার মাঝখানে আমরা বলি,

 

”আল্লাহুম্মাগ ফিরলি,ওয়ার হামনী, ওয়াহদীনি, ওয়া আফিনী, ওয়ার-ঝুকনী”

 

অর্থ: হে আল্লাহ! তুমি আমায় মাফ কর, আমাকে রহম কর, আমাকে হেদায়েত দান কর, আমাকে শান্তি দান কর এবং আমাকে রিজিক দাও ।

 

১০ ) এভাবে নামাজ শেষে , মধ্য ( ২ রাকাত , ৪ রাকাত ভিত্তিতে ) বৈঠক আর শেষ বৈঠকে তাশাহুদে, আল্লাহর প্রশংসা করি । রাসুল (সাঃ) এর প্রতি দুরুদ পেশ করে নিজেদের জন্য দুয়া করি । দুআ মাসুরা পড়ি ।

 

তাশাহুদ :

‘আত্তাহিয়্যাতু লিল্লাহি ওয়াস্ সালাওয়াতু, ওয়াত্ তাইয়িবাতু। আস্সালামু ‘আলাইকা আইয়্যুহান নাবীয়্যু ওয়া রাহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু। আস্সালামু আলাইনা ওয়া আলা ইবাদিল্লাহিস্ সালিহীন। আশহাদু আল-লা-ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়া আশ্হাদু আননা মুহাম্মাদান আদুহু ওয়া রাসুলুহু।

 

অর্থঃ “সকল তাযীম ও সম্মান আল্লাহর জন্য, সকল সালাত আল্লাহর জন্য এবং সকল ভাল কথা ও কর্মও আল্লাহর জন্য। হে নবী! আপানার প্রতি শান্তি, আল্লাহর রহমত ও তাঁর

বরকত বর্ষিত হোক। আমাদের উপরে এবং আল্লাহর নেক বান্দাদের উপরে শান্তি বর্ষিত হোক। আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আল্লাহ ছাড়া কোন সত্য উপাস্য নেই এবং আরো সাক্ষ্য দিচ্ছি মুহাম্মাদ আল্লাহর বান্দা এবং তাঁর রাসূল।”

 

দুরুদ :

আল্লাহুম্মা সাল্লি আলা মুহাম্মাদিও

ওয়ালা আলি মুহাম্মাদিন

কামা সাল্লাইতা আলা ইব্রাহীমা ওয়ালা আলি

ইব্রাহীমা ইন্নাকা হামীদুম মাজীদ,

অাল্লাহুম্মা বারিক আলা মুহাম্মাদিওঁ ওয়ালা আলি মুহাম্মাদিন

কামা বারাক্তা আলা ইব্রাহীমা ওয়ালা আলি ইব্রাহীমা

ইন্নাকা হামীদুম মাজীদ”।

 

অর্থ: “ হে আল্লাহ! আপনি নবী মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহে ওয়াসাল্লাম ও উনার বংশধরদের উপর রহমত বর্ষণ করুন, যেরূপভাবে আপনি ইব্রাহীম আলাইহিস সালাম ও তার বংশধরদের উপর রহমত বর্ষণ করেছিলেন। নিশ্চয় আপনি প্রশংসিত সম্মানিত।”

 

দুআ মাসুরা :

আল্লাহুম্মা ইন্নি জলামতু নাফসি যুলমান কাছিরা, ওয়ালা ইয়াগ ফিরূজ যুনুবা ইল্লা আন্তা ফাগফিরলি মাগফিরাতাম মিন ইনদিকা ওয়ার হামনি ইন্নাকা আনতাল গাফুরুর রাহিম |

 

অর্থঃ হে আল্লাহ! আমি আমার উপর অত্যাধিক অন্যায় করেছি গুনাহ করেছি এবং তুমি ব্যতীত পাপ ক্ষমা করার কেউ নেই । সুতরাং তুমি আমাকে ক্ষমা করে দাও । ক্ষমা একমাত্র তোমার পক্ষ থেকে হয়ে থাকে | আমার প্রতি রহম কর । নিশ্চই তুমি ক্ষমাশীল দয়ালু ।

 

১১ ) ২ কাঁধে সালাম দিয়ে আমরা নামাজ শেষ করি ।

 

১২:- মুসলিম উম্মাহ এর জন্য আল্লাহর দরবারে দোয়া।

 

ব্যস্ততার কারনে হোক বা তাড়াহুড়োর কারনে হোক, বা যে কোন কারনেই হোক আমরা সব সময় নামাজে গভীর মনোযোগ দিতে ব্যর্থ হই।

কিন্তু সব সময় না পারি মাঝে মাঝে তো আমরা মনোযোগ দিতে পারি । তা-ই না ?

 

এই মনোযোগ বিষয়টা কাজ করবে, যখন আমরা বুঝব যে, নামাজে আমরা কি বলছি।

যখন আমরা নামাজে ব্যবহৃত শব্দ বাক্যগুলোর অর্থ বুঝব বা অনুভব করব তখন মনের মধ্যে স্বাভাবিকভাবে ক্রিয়া প্রতিক্রিয়া ঘটবে এবং আমাদের সাহায্য করবে নামাজ কে আরও বেশি সুন্দর ও খাটি করতে।

এর জন্য যে সম্পুর্ন অর্থ মুখস্ত করতে হবে তাও নয়।

যদি শুধুমাত্র জানা থাকে এই কিছু অর্থ তাহলেই তা কাজ করবে অসাধারণ ভাবে, ইনশা আল্লাহ্।

 

 

** " যে দশ (১০)টি কাজ বিপদ ডেকে আনে"

**

==============================

হযরত আলী রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে

বর্ণিতঃ-

রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম

বলেছেনঃ “যখন আমার উম্মত ১০টা কাজ

করবে, তখন তাদের উপর বিপদ নেমে আসবে।

রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া

সাল্লামকে জিজ্ঞেস করা হলোঃ হে

রাসূল, কী কী?

তিনি বললেনঃ

▣ যখন রাস্ট্রীয় সম্পদকে ব্যক্তিগত সম্পত্তি

মনে করা হবে।

▣ যখন আমানত হিসেবে রক্ষিত সম্পদকে

লুটের মাল হিসাবে গ্রহণ করা হবে (অর্থাৎ

আত্মসাৎ করা হবে)।

▣ যাকাতকে জরিমানার মত মনে করা হবে।

▣ স্বামী যখন স্ত্রীর আনুগত্য করবে এবং

মায়ের অবাধ্য হবে।

▣ বন্ধুর প্রতি সদাচারী ও

পিতার সাথে দুর্ব্যবহারকারী হবে।

▣ মসজিদে হৈ চৈ হবে।

▣ জনগণের নেতা হবে সেই ব্যক্তি যে

তাদের মধ্যেকার সবচেয়ে নিকৃষ্ট চরিত্রের

অধিকারী।

▣ মানুষকে তার ক্ষতির

আশংকায় সম্মান করা হবে।

▣ গায়িকা ও বাদ্যযন্ত্রের হিড়িক পড়ে

যাবে।

▣ উম্মতের পরবর্তীরা পূর্ববর্তীদেরকে

অভিশাপ দেবে।

তখন আগুনের বাতাস আসবে, মাটির ধস ও

দেহের বিকৃতি ঘটবে।”

সহীহ তিরমিযী; আততারগীব ওয়াত

তারহীবঃ ৩য় খন্ডঃ ১৫৪১।

►►► আল্লাহ আমাদের এসব অনাচার থেকে

হেফাজত করুন, আমিন।

জান্নাত♥

iqbal5987
Jun 12, 07:41 PM

 

কেবল আমল দিয়েই জান্নাত লাভ সম্ভবঃ

===============================

মানুষ একটু বেশি আমল করলে নিজেকে অন্যদের চেয়ে আলাদা ভাবতে শুরু করে। কোনো ক্ষেত্রে তারা অন্যদের খুব খাটো নজরে দেখতে শুরু করে। এটা মোটেই ঠিক নয়। কারণ মানুষ শুধু আমলের ওপর ভর করে জান্নাতে যেতে পারবে না। রাসুল (সা.) ইরশাদ করেন, আবু হুরায়রা (রা.) বলেন, আমি রাসুলুল্লাহ (সা.)-কে বলতে শুনেছি, তোমাদের কোনো ব্যক্তিকে তার নেক আমল জান্নাতে প্রবেশ করাতে পারবে না। লোকজন প্রশ্ন করল, হে আল্লাহর রাসুল! আপনাকেও নয়? তিনি বলেন, আমাকেও নয়, যতক্ষণ পর্যন্ত আল্লাহ আমাকে তাঁর করুণা ও দয়া দিয়ে আবৃত না করেন। কাজেই মধ্যমপন্থা গ্রহণ করো এবং নৈকট্য লাভের চেষ্টা চালিয়ে যাও। আর তোমাদের মধ্যে কেউ যেন মৃত্যু কামনা না করে। কেননা সে ভালো লোক হলে (বয়স দ্বারা) তার নেক আমল বৃদ্ধি হতে পারে। আর খারাপ লোক হলে সে তওবা করার সুযোগ পাবে। (বুখারি, হাদিস : ৫৬৭৩)

 

উপরোক্ত হাদিস দ্বারা স্পষ্ট হয়ে যায় যে মানুষ নিজের যোগ্যতা ও আমল নয়, বরং আল্লাহ তাআলার অনুগ্রহেই নাজাত পেতে পারে। মুমিনের একমাত্র সম্পদ আল্লাহর রহমত। আল্লাহর রহমতের আশাই আমাদের পাথেয়। পবিত্র কোরআনে ইরশাদ হয়েছে, ‘হে আমার বান্দারা, যারা নিজেদের প্রতি অবিচার করেছ! আল্লাহর অনুগ্রহ থেকে নিরাশ হয়ো না। সন্দেহ নেই, আল্লাহ সব পাপ ক্ষমা করে দেবেন। নিশ্চয়ই তিনিই ক্ষমাশীল, দয়ালু। (সুরা : জুমার, আয়াত : ৫৩)

 

তবে মনে রাখতে হবে, নিজের সাধ্যটুকু বিলিয়ে দিয়ে আশা পোষণ করতে হবে। বীজ বপন না করে চারাগাছের আশা করা যেমন নির্বুদ্ধিতা, তেমনি নেক আমল না করে এবং গোনাহ না ছেড়ে তওবা না করে পরকালীন মুক্তির জন্য আল্লাহ পাকের রহমতের আশায় বসে থাকাও তেমনি বোকামি। আবার অনেক নেক আমল করে তা নিয়ে অহংকার করা আরো বড় বোকামি। কারণ সর্বপ্রথম অহংকার করেছিল অভিশপ্ত শয়তান। অহংকার করে সে চিরদিনের জন্য আল্লাহর রহমত থেকে বঞ্চিত হয়েছে। কাজেই মানুষের মধ্যে অহংকারী মনোবৃত্তি শয়তানি চরিত্রের বহিঃপ্রকাশ। এ ধরনের চরিত্র মানুষের জান্নাতে যাওয়ার পথকে বন্ধ করে দেয়। হজরত আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, যার অন্তরে সরিষার দানা (সামান্যতম) পরিমাণও অহংকার আছে, সে (প্রথম পর্যায়েই) জান্নাতে প্রবেশ করবে না এবং যার অন্তরে সরিষার দানা (সামান্যতম) পরিমাণ ঈমান আছে সে জাহান্নামে (স্থায়ীভাবে) প্রবেশ করবে না। (ইবনে মাজাহ, হাদিস : ৫৯)

 

তাই আমাদের উচিত, নিজেদের সামান্য আমলেই অহংকারী না হয়ে সর্বদা আল্লাহর দরবারে তওবা করা। অন্যকে আমলের দিক থেকে ছোট না ভেবে নিজের আমলকে কলুষমুক্ত করার চেষ্টা করা। কারণ মহান আল্লাহ কাকে কোন অসিলায় নাজাত দেবেন তা তিনি নিজেই জানেন। আল্লাহ আমাদের হেফাজত করুন।

                                                   #আমিন

(Covid19)

Corona virus আক্রান্ত কি না তা জানার জন্য করোনা corona test করা হয়।

এই Test করার পর যখন রিপোর্ট আসবে নেগেটিভ নাকি পজেটিভ। আর এই রিপোর্টি হলো সার্টিফিকেট।


সুস্বাস্থ্যের সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে মানসিক স্বাস্থ্যের দিকটি -

 

শুধু যাঁরা মানসিক ভাবে অসুস্থ তাঁরাই নয়, বরং আমাদের সকলকেই মানসিক স্বাস্থ্যের বিষয়টিকে গুরুত্ব দিয়ে বুঝতে হবে।

 

যখন আপনি ভালভাবে কাজ করতে পারছেন তখন অযথা কেন নিজের স্বাস্থ্য নিয়ে চিন্তিত হবেন? এই পরিস্থিতিতে স্বাস্থ্য সচেতনতার প্রশ্নটিও অবান্তর। স্বাস্থ্য সমস্যার সমাধান এবং শারীরিক ভাবে সুস্থ থাকার বিষয়টি আমরা গুরুত্ব সহকারে ভাবি কারণ এর সঙ্গে মনের সন্তুষ্টি এবং জীবনের ইতিবাচক কাজগুলি যুক্ত।

 

উপরের বক্তব্য থেকে আপনি ঠিক কোন সিদ্ধান্তে পৌঁছলেন? এই ক্ষেত্রে আপনার মনে প্রথমেই যে ধারণাটি আসবে, সেটি হল, শারীরিক ভাবে সুস্থ থাকার জন্য প্রতিদিন সকালে উঠে জগিং করা অথবা জিমে গিয়ে ব্যায়াম করা। আর নিদেন পক্ষে কিছু না হলে সকালে উঠে হাঁটাহাঁটি করা। এই সবগুলিই আপনি টেলিভিশনে, যে কোনও হেলথ­-ফুডের বিজ্ঞাপনে বা স্বাস্থ্য সংক্রান্ত ম্যাগাজিনগুলিতে হামেশাই দেখতে পাবেন।

 

এখন আমি আপনাকে একটা প্রশ্ন করতে চাই। আপনার চিন্তায় কি কখনও মানসিক স্বাস্থ্যের দিকটি গুরুত্ব পেয়েছে? আপনি কি কাউকে নিজের মানসিক সমস্যা বা দুর্দশার কারণগুলি নিয়ে তাঁর বন্ধু বা বিশেষজ্ঞের সঙ্গে স্বচ্ছন্দে আলোচনা করতে দেখেছেন? আপনি কি কল্পনা করতে পারেন যে, কোনও ব্যক্তি তাঁর রেগে যাওয়ার কারণটি বোঝার চেষ্টা করে তার থেকে মুক্তির পথ খুঁজছেন? আপনার চোখের সামনে কি এমন কোনও ছবি আছে, যেখানে কেউ তাঁর উদ্বেগকে নিয়ন্ত্রণ করার জন্য নিজে থেকে কোনও ব্যবস্থা নেওয়ার চেষ্টা করছেন? আপনি এমন একজন মানুষকে দেখাতে পারবেন, যিনি অপর কারও সঙ্গে তাঁর পারস্পরিক সম্পর্ক রক্ষার ক্ষেত্রে দক্ষতা অর্জন করার জন্য বা জীবনে ইতিবাচক কাজ করার লক্ষ্য নিয়ে সঠিক পথে এগিয়ে চলেছেন?

 

আমার অনুমান, এই সব প্রশ্নের উত্তর 'না' ছাড়া আর কিছুই নয়। উপরের প্রশ্নগুলির উত্তর তখনই 'হ্যাঁ' হওয়া সম্ভব যখন মানসিক স্বাস্থ্যের বিষয়টি নিয়ে আমাদের সচেতনতা বাড়বে।

 

আসলে মানসিক স্বাস্থ্যের কথা উঠলেই আমাদের মনে আসে মানসিক অসুস্থতার বিষয়টি এবং আমাদের চিন্তাধারায় মানসিক স্বাস্থ্যের প্রশ্নটি তখনই আলোচ্য হয়ে ওঠে, যখন কারও মধ্যে মানসিক ভাবে স্বাভাবিক না থাকার লক্ষণগুলি স্পষ্ট হয়ে ওঠে।

 

মানসিক স্বাস্থ্যের বিকাশ বা মানসিক সমস্যাগুলির সমাধানে শারীরিক সুস্থতা এবং সতেজতা খুবই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা গ্রহণ করে। গবেষণায় দেখা গিয়েছে যে শরীরের সঙ্গে মনের সম্পর্ক খুবই গভীর এবং পারস্পরিক। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রকাশিত গবেষণায় দেখা গিয়েছে যে, শারীরিক সুস্থতার সঙ্গে মানসিক সুস্থতার সম্পর্কটি বেশ জটিল। অর্থাৎ, যাঁর টাইপ টু ডায়াবেটিস মেলিটাস রয়েছে, তাঁর মানসিক উদ্বেগের মাত্রাও একজন স্বাভাবিক মানুষের তুলনায় প্রায় দ্বিগুণ। আমাদের মনে রাখা দরকার যে, মানসিক এবং শারীরিক সুস্থতা দুটোই খুব দরকারি বিষয় এবং একে অন্যের বিকল্প হিসেবে বিবেচিত হতে পারে না।

 

জীবনযাপনের পদ্ধতি এবং অভ্যাসগুলি একজনকে মানসিকভাবে সুস্থ থাকতে প্রভূত সাহায্য করতে পারে। মানসিক স্বাস্থ্যের দিকে বিশেষ ভাবে জোর দেওয়া জরুরি, কারণ এর উপর আমাদের জীবনের ইতিবাচক মনোভাব এবং উৎপাদনশীলতা অনেকাংশে নির্ভর করে। 'গ্যালাপ'-এর একদল বৈজ্ঞানিকের গবেষণা থেকে এই তথ্য জানা গিয়েছে।

 

মানসিক স্বাস্থ্যের যত্ন বা পরিচর্যার কোনও বাঁধাধরা নিয়ম নেই। যেহেতু বিষয়টি মনের সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত, সেহেতু এটি বিমূর্ত এবং অস্পষ্ট একটি ধারণা।

 

মানসিক স্বাস্থ্যের বিকাশ তথা মানসিক সমস্যার সমাধানের ক্ষেত্রে কিছু মনোবৈজ্ঞানিক পদ্ধতি অনুসরণ করা হয়। সাইকোলজিক্যাল থেরাপির মধ্য দিয়ে আমাদের মনের নেতিবাচক অনুভূতিগুলির নিয়ন্ত্রণ করা হয় এবং ইতিবাচক মনোভাব গড়ে তোলার চেষ্টা করা হয়। এটি কেমব্রিজ ইউনিভার্সিটি প্রেস, দ্য অ্যাসোসিয়েশন ফর সাইকোলজিক্যাল সায়েন্স এবং দ্য ইন্টারন্যাশনাল জার্নাল অফ সাইকোলজিক্যাল স্টাডিজ-এর গবেষণায় প্রকাশিত হয়েছে। মানসিক স্বাস্থ্যের সমস্যার সমাধান চটজলদি হওয়া সম্ভব নয়। এর জন্য একদিকে যেমন রোগীর আত্মীয়স্বজন, বন্ধুবান্ধবের সহযোগিতা প্রয়োজন, তেমন অন্যদিকে বিশেষজ্ঞের পরামর্শও জরুরি। এইভাবে মানসিক স্বাস্থ্যের সুরক্ষা সম্ভব। তাই আর দেরি না করে আমরা মানসিক ভাবে এখনই এর জন্য প্রস্তুত হই।

 

 

Time Management!!

iqbal5987
Jun 12, 12:07 PM

টাইম ম্যানেজমেন্ট -

বর্তমানে আমরা সবাই বাসায় অবস্থান করছি। অনিয়মের ফলে আমাদের মধ্যে কাজ করছে একাকিত্ব, ডিপ্রেশন, অ্যাংজাইটি এবং ফোবিয়ার মতো লক্ষণ। অতিরিক্ত মানসিক চাপ আমাদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমিয়ে দিচ্ছে।

প্রথম আসি, কি কি জানতে চাই আমরা টাইম ম্যানেজমেন্ট করার জন্য -

#জানতে চাই, সারাদিনে আমরা কী কী কাজ করি। খাতা নিন, লিস্ট করে ফেলুন।

#লাল বা অন্য কালারের কলম দিয়ে মার্ক করুন। কীসে কীসে বেশির ভাগ সময় আপনার চলে যাচ্ছে।

#সময়কে কোন কোন কাজে বেশি দিতে চাচ্ছেন?

#এখন পর্যন্ত সময় বাঁচাতে কী কী পদক্ষেপ নিয়েছি ।

টাইম-ম্যানেজমেন্টের প্রয়োজন কি?

#আমাদের হাতে সময় খুব সীমিত কিন্তু পক্ষান্তরে আমাদের অনেক কাজ হাতে।

#কম প্রচেষ্টা প্রয়োগ করে আরও বেশি অর্জন বা সফল হতে।

#টাইম ম্যানেজমেন্ট আমাদেরকে সিদ্ধান্ত নেবার দক্ষতা বাড়িয়ে দেয়।

#সময় অনেক পাওয়া যায় জ্ঞান অর্জন করার জন্য

#মানসিক অস্থিরতা, দুশ্চিন্তা এবং স্ট্রেস কমে যায়। ফলে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়।

#কাজের কোয়ালিটি বৃদ্ধি করতে সাহায্য করে

#পারস্পারিক বন্ধনকে মজবুত করতে সহায়তা করে

আসুন এবার লিস্ট তৈরি করিঃ

১. ইবাদত / প্রার্থনা কত ঘন্টা

২. নাস্তার আগে ব্যায়াম কত ঘন্টা (রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বড়াতে ব্যায়াম করা ভীষণ প্রয়োজন)

৩. সকালের নাস্তা কত মিনিট

৪. গোসল ও ওয়াশরুমে কত ঘন্টা

৫. রান্না ও খাওয়া ও ক্লিনিং কত ঘন্টা

৬.কাজ কত ঘন্টা [জ্ঞান অর্জনের জন্য পড়াশুনা, অফিসে কাজ যা ঘরে বসে করা যায়, স্কিল ডিভোলপমেন্ট জন্য শেখা, নতুন কিছু শেখা, লেখালেখি (অনুবাদ, বই রিভিউ, আর্টিকেল, গল্প)]

৭.সাজুগুজু কত ঘন্টা

৮. ফেসবুক ব্রাউজিং, সোশ্যালাইজিং ইত্যাদি ইত্যাদি..

৯. পারস্পারিক বন্ধন বৃদ্ধির জন্য কত ঘন্টা

১০. ঘুম দৈনিক কত ঘন্টা..

এক সপ্তাহের হিসাব নিয়ে বসুনঃ সব কিছু মিলিয়ে মোট কত ঘন্টা হয়। সেটা যোগ করে সপ্তাহের মোট যে (২৪*৭=১৬৮) ঘন্টা - তার থেকে বিয়োগ করতে হবে। লিস্টকে এই ছকে ফেলুন -

১. কম গুরুত্বপূ্র্ণ কিন্তু এখন করতে হবে।

২. বেশি গুরুত্বপূ্র্ণ কিন্তু পরে করলে সমস্যা হবে না।(তারকা চিহ্ন, মুলত এই ছকের ঘরটি গুরুত্বপূণ)

৩. গুরুত্বপূর্ণ আবার এখনই করতে হবে।

৪. কম গুরুত্বপূর্ণ এবং এখন না করলেও কোন সমস্যা নেই

লক্ষ্য কি টাইম ম্যানেজমেন্টেরঃ লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য হচ্ছে, আমাদেরকে চোখের সামনে হিসাব কষে দেখানো, যে কে কত ঘন্টা সময় পায় পড়াশুনা করার জন্য বা যে কাজ করা দরকার তার জন্য। হারিয়ে যাওয়া সময়কে ধরতে একটা সপ্তাহ একটু ট্র্যাক করুন,

#কী কী কাজ করছেন।

রোজ ছকে টাইম লিখুন। অথবা একটা ক্যালেন্ডার সম্মিলিত ডায়েরিতে নিন সেখানে যত্ন করে লিখুন। সেখানে লিখতে থাকুন পুরো এক সপ্তাহ প্রতি ঘন্টার হিসেব। দেখবেন একটা প্যাটার্ণ খুঁজে পাচ্ছেন। তখন বুঝতে সুবিধা হবে কোথা থেকে সময় কেটে কোথায় জোড়া লাগাতে হবে।

#এখন কীভাবে সময় কাটাচ্ছি,  আর কীভাবে কাটানো উচিৎ - সেটার মধ্যে সামঞ্জস্য করাই টাইম ম্যানেজমেন্ট।উদাহরন স্বরূপঃ এখন যদি অফিস বা ভার্সিটির ক্লাস পরীক্ষা বন্ধ হওয়ায়, দিন রাতে শুধু মোবাইল চালান আর চা বিস্কুট খেতে খেতে নিউজ শোনেন। দয়া করে ফেসবুক চালানো একদম কমিয়ে দিন।

#কাজের ধারা ঠিক করুন। একই সাথে কয়েকটা কাজ করার সুযোগ থাকলেও করুন। মুলত একটা হাল্কা কাজের সাথে একটা প্রিয় কাজকে জোড়া লাগিয়ে করা যায়। সমান গুরূত্বপূর্ণ দু'টো কাজ থাকে, তাহলে কঠিন আর করতে ভাল লাগেনা এমন কাজটা আগে করুন।

শিশির, কুয়াশা, তুষার:
বায়ুমণ্ডলের উপরে সৃষ্টি হওয়া মেঘ আমাদের ধরা-ছোঁয়ার বাইরে হলেও আমাদের হাতের কাছেই আছে মেঘের ছোট ভাই! কুয়াশা। বৃষ্টি, তুষার, কুয়াশা, শিশির এদেরকে আমরা আলাদা হিসেবে চিনলেও এরা আসলে একই জিনিস। এদের যেকোনো একটার ব্যাপারে জেনে গেলে সবগুলো সম্পর্কে জানা হয়ে যায়। আবহবিদগণ এই জিনিসটাকে বলেন Precipitation বাংলায় এর পরিভাষা হতে পারে বারিপাত। এই প্রেসিপিটেশনের কয়েকটা প্রকারভেদের মাঝে একটা হচ্ছে বৃষ্টি। আরেকটা কুয়াশা। শীতের সময়ে ভূমি তাপ বিকিরণ করে খুব দ্রুত ঠাণ্ডা হয়ে যায়। ভূমির কাছাকাছি যে বাতাস থাকে সেগুলোও ভূমির সাথে সাথে ঠাণ্ডা হয়। ঠাণ্ডা হলেই ঘনীভূত হবার প্রবণতা দেখা যায়। আর নিচের বায়ুস্তরে বীজ হিসেবে আঁকড়ে ধরার জন্য ধূলির তো আর কোনো অভাব নেই। ফলে সহজেই কুয়াশার সৃষ্টি হতে পারে। পরে যখন সূর্য ওঠে তখন বায়ুমণ্ডল উত্তপ্ত হয় এবং আস্তে আস্তে কুয়াশা বিলীন হয়ে যায়।
বৃষ্টির পর বায়ুতে ভাসমান ধূলিবালি ধুয়ে নিচে চলে যায়। আর ধুলাবালি না থাকলে বাষ্পকণা একত্রে মিলে ঘনীভূত হতে পারে না। সেজন্য যে রাতে বৃষ্টি হয় সে সকালে কুয়াশা হতে দেখা যায় না।

এই কুয়াশাগুলোই যখন একটু একটু করে নিচে পড়ে তখন সেটি শিশির নাম ধারণ করে থাকে। বায়ুমণ্ডল অধিক পরিমাণ ঠাণ্ডা হয়ে গেলে তার জলীয় বাষ্প ধারণ করার ক্ষমতা কমে যায়।[৪] তাই সে ধারণ করা কুয়াশা অধিক পরিমাণ ঘনীভূত হয়ে শিশির রূপে নিচে পড়ে যায়। পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন দূর্বা ঘাসের ডগায় কয়েকটি শিশির লেগে আছে আর সূর্যের আলো সেখানে প্রতিসরিত হয়ে মুক্তোর মত আভা ছড়াচ্ছে এমন একটা দৃশ্যের মত সুন্দর দৃশ্য মনে হয় পৃথিবীতে কমই হয়।
শীতের দেশে বছরের বেশিরভাগ সময়ের জন্যই আবহাওয়া শীতল থাকে। অধিক শীতলতার জন্য বৃষ্টি তরল হতে পারে না। সেটি ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র বরফের কণা আঁকারে পড়ে। এটা তুষার বা স্নো। বৈশাখের মাসে যেমন শিমুল গাছ হতে তুলো ফেটে ফিয়ে উড়ে উড়ে বেড়ায় তেমনি পেঁজা তুলোর মত তুষার বয়ে বেড়ায় শীতের দেশগুলোতে। তুষারপাতের সময় যে একটা শুভ্র সাদা দৃশ্যের সৃষ্টি হয় তা আসলেই দেখার মত।
মেঘের কোল হতে তুষার তার যাত্রা শুরু করে মাঝ পথে যদি বাতাসের সংস্পর্শে গলে যাবার পর আবার নিচের ঠাণ্ডা বাতাসের সংস্পর্শে এসে বরফে পরিণত হয় তাহলে ভিন্ন ধরণের এক তুষারপাত হয়। এরা দানাদার ও ছোট ছোট আঁকারের হয়। এই ভিন্ন ধরণের বর্ষণকে বলে স্লিট।
তুষার কণাকে যদি মাইক্রোস্কোপের নিচে ধরা হয় তাহলে তাদের অত্যন্ত সুন্দর গঠন লক্ষ্য করা যায়। প্রত্যেকটা মৌলিক তুষারই ছয়টা দিকে প্রসারিত। প্রত্যেকটার মৌলিক গঠন ষড়ভুজের মত হলেও একটা তুষারের সাথে আরেকটা তুষারের কোনো মিল নেই।
#Xenon

অনলাইন পোর্টাল প্রিয়.কমে চালু হলো নতুন ফিচার 'প্রিয়তে লিখুন, আয় করুন’। সোমবার রাজধানীর ঢাকা ক্লাবে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে ফিচারটির উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা ইকবাল সোবহান চৌধুরী।
 
প্রধান অতিথির বক্তব্যে ইকবাল সোবহান চৌধুরী বলেন, ‘যে পদ্ধতিটি নিয়ে প্রিয়.কম যাত্রা শুরু করছে, সেটি অভিনব। এটি শুধু মিডিয়া জগতেই নয়, যারা লেখালেখি করে অর্থ উপার্জন করতে চান, তাদের জন্য একটা শুভ সংবাদ। লেখকেরা অনলাইনে লিখে লেখার প্রাপ্য টাকা তারা পাবে। প্রিয়.কমের এই ধারণাটিকে আমি অভিনন্দন এবং শুভেচ্ছা জানাই। আশা করি আমাদের অন্যান্য মিডিয়াও অনুকরণ করবে।'
 
এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন তথ্যপ্রযুক্তিবিদ ও প্রিয়.কমের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) জাকারিয়া স্বপন, কবি অসীম সাহা, অঞ্জনা সাহা, আহসান গ্রুপের চেয়ারম্যান মো. শহীদুল আহসান, চিত্রনায়ক ফারুক, অভিনেতা আহমেদ রুবেল, ইউনিভার্সিটি অব লিবারেল আর্টস বাংলাদেশের (ইউল্যাব) কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং (সিএসই) বিভাগের অধ্যাপক ড. সাজ্জাদ হোসেন, আবৃত্তিশিল্পী আহকামউল্লাহ, চিত্রপরিচালক নূরুল আলম আতিক, চিত্রনায়ক আরিফিন শুভ, নীরব, অভিনেত্রী সোহানা সাবাসহ প্রিয়.কম পরিবারের সদস্যরা।
 
প্রসঙ্গত, প্রিয়.কমে লিখে যে কেউ অর্থ উপার্জন করতে পারবেন। এর জন্য লেখককে go.priyo.com ঠিকানায় হোমপেজের উপরে ডান দিকে ‘My posts’ ট্যাব এ ক্লিক করতে হবে। ফেসবুকের মাধ্যমে লেখককে সাইন আপ করতে হবে। এরপর ‘Create new post’ ট্যাব এ ক্লিক করতে হবে।



আজকে আমাদের মূল আলোচনার বিষয় হলো- অনলাইনে আয় করার সহজ উপায় । তাহলে চলুন শুরু করা যাক- 

প্রতিটি মানুষই তাদের নিয়মিত চাকরি বাদে কিছু অতিরিক্ত অর্থ উপার্জন করতে চায়। অনেক লোক প্রতিটি দিনেই গুগলে বিনিয়োগ ছাড়াই হোম বেসড অনলাইন পার্টটাইম চাকরি সন্ধান করছেন ।

মানুষ এখন অনলাইনে অর্থ আয়ের জন্য নানা কৌশল প্রয়োগ করছে। অনলাইনে আয়ের নানা পথও তৈরি হয়েছে। তবে অনলাইনে কাজ করে আয় করতে গেলে কোন প্ল্যাটফর্ম ধরে এগোচ্ছেন, সে বিষয়ে সতর্ক থাকতে হবে।

অনলাইন প্লাটফর্মগুলোতে আয় করার নানা সুযোগ থাকলেও কিছু কিছু ক্ষেত্রে প্রতারণার মুখে পড়তে হতে পারে। অনলাইনে কাজ করে রাতারাতি কোটিপতি বনে যাওয়ার সুযোগ নেই।

তাই এ ধরনের প্রতারণামূলক কাজের ক্ষেত্র থেকে নিজেকে সরিয়ে রাখতে হবে। কিছু অনলাইন প্ল্যাটফর্ম, ওয়েবসাইট ও রিসোর্স আছে, যা কাজে লাগিয়ে অনলাইনে আয় করতে পারবেন।বেশিরভাগ লোকের আর্থিক প্রয়োজন মেটাতে কিছু অতিরিক্ত আয় করতে হয়।

ইন্টারনেট জগৎটা Facebook, social media and gaming এর মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। আপনার সামান্য ইচ্ছা শক্তির বলে আপনি ইন্টারনেট হতে কিছু টাকা উপাজর্ন করতে পারেন।

This Content Topic

  • অনলাইনে আয় করার পদ্ধতি
  • আউটসোর্সিং অনলাইনে আয়
  • অনলাইনে আয় ডাটা এন্ট্রি
  • অনলাইনে আয় ওয়েবসাইট
  • অনলাইনে টাইপ করে আয়
  • অনলাইনে আর্টিকেল লিখে আয়
  • অনলাইন আয়ের সাইট

নিচে আমি অনলাইনে আয় করার সহজ উপায় দেখাবো, যেখান থেকে আপনিও ইচ্ছা করলে কিছু অর্থ উপার্জন করে নিতে পারবেন।

অনলাইনে আয় করার সহজ উপায়

কপি টাইপিং

টানা দুই প্রান্তিক জুড়ে শীর্ষ ১০ চাহিদাসম্পন্ন কাজের মধ্যে রয়েছে কপি টাইপিং। গত প্রান্তিকে এর চাহিদা বেড়েছে ৫৩ শতাংশ। এলোমেলো তথ্য থেকে পরিষ্কার তথ্যে কপি তৈরি, হাতে লেখা পোস্টকে সম্পাদনা উপযোগী পোস্টে রূপান্তর করার মতো নানা কাজ করতে হয় কপি টাইপিং কর্মীকে।

আরও পড়ুন- ডাঁটা এন্ট্রি কি? ডাঁটা এন্ট্রি করে কিভাবে আপনি মাসে ৩০০-৪৫০ ডলার ইনকাম করবেন দেখে নিন-ক্লিক করে দেখে নিন! 

নির্দিষ্ট প্রকল্পে নির্দিষ্ট বাজেট বা ঘণ্টা ভিত্তিতে কাজ করার সুযোগ পাওয়া যায়। যাঁরা দ্রুত ও নির্ভুল কপি টাইপ করতে পারেন, তাঁদের জন্য ফ্রিল্যান্সিং বাজারে কাজের সুযোগ রয়েছে। আপনি চাইলে এখান থেকে আয় করতে পারেন- UPWORK

YouTube হতে টাকা উপার্জন

অনলাইন থেকে টাকা উপার্জনের সবচেয়ে সহজ পথ হচ্ছে YouTube. এখান থেকে যে কোন বয়সের লোক খুবই সহজে টাকা উপার্জন করতে পারেন। ইন্টারনেট বিশ্বের জনপ্রিয় ১০ ওয়েবসাইটের মধ্যে YouTube হচ্ছে একটি।

আপনি ইচ্ছে করলেই এখান থেকে কম সময় ব্যয় করে অল্প অভীজ্ঞতা নিয়ে মাসে ভাল মানের টাকা উপার্জন করতে পারেন। এই জন্য আপনাকে যেটি করতে হবে- প্রথমে বিভিন্ন ভাল মানের ভিডিও YouTube এ আপলোড করতে হবে।

এ জন্য আপনি আপনার মোবাইল ফোনকে ব্যবহার করতে পারেন। আপনি যদি ভ্রমন প্রিয় লোক হন তাহলে বিভিন্ন সুন্দর সুন্দর প্রকৃতিক দৃশ্যগুলি আপনার ক্যামেরায় ফ্রেমবন্দী করেও এ কাজটি করতে পারেন।

অথবা আপনি যে বিষয় ভালভাবে জানেন সে বিষয়ে বিভিন্ন টেউটোরিয়াল তৈরী করেও কাজটি করতে পারেন। কিন্তু মনে রাখবেন কারও কোন নকল ভিডিও কপি করে এটি করা যাবে না। এতে করে হিতের বিপরীত হতে পারে।

ফেসবুক থেকে আয় 2020

অনলাইনে আয় করার সহজ উপায় ফেসবুক সুযোগ করে দিয়েছে। নয়টি ভাষায় বিশ্বের ৩২টি দেশে এই সুবিধা চালু করেছে। 

১. ফেসবুক এফ-কমার্স

ফেসবুকে পেজ খুলেই বাংলাদেশে ই-কমার্স ব্যবসা করা যায়। যেটা ইদানীং সবাই ফেসবুকে দেখছেন। যারা এভাবে কাজ করছেন, তাদের মাসিক আয় হচ্ছে ১৫,০০০ টাকা – ৩০,০০০ টাকা পর্যন্ত। আবার অনেকেরই ভালো ইনভেস্ট থাকার কারণে অনলাইনে আয় করার সহজ উপায় আরও বেশি ইনকাম হচ্ছে। সেটা ১ লাখ থেকে ২ লাখও হতে পারে।

প্রোডাক্টঃ শাড়ি,মেয়েদের ড্রেস, গিফট আইটেম ইত্যাদি।

অভিজ্ঞতাঃ টার্গেট মার্কেটিং।

২. টি-শার্ট অ্যাফিলিয়েশন – online jobs

বর্তমানে বাংলাদেশে অনেক জনপ্রিয় ইনকাম সোর্স হচ্ছে টি-শার্ট অ্যাফিলিয়েশন। এ অ্যাফিলিয়েশনের জন্য শুধুমাত্র ফেসবুককেই ব্যবহার করা হয়। এভাবে মাসে ১৫,০০০ টাকা থেকে ১ লাখ টাকা ইনকাম করা সম্ভব।

প্রোডাক্ট: টি-শার্ট,শার্ট,মগ, হুডি ইত্যাদি

অভিজ্ঞতাঃ নিশ সিলেক্ট, অডিয়েন্স টার্গেট, মার্কেটিং ইত্যাদি

আরও দেখুন–কিভাবে উবারে ড্রাইভার হিসেবে জয়েন করবেন এবং মাসে হাজার হাজার টাকা আয় করবেন!কিল্ক করুন- 

৩. হোস্টিং অ্যাফিলিয়েশন

হোস্টিং অ্যাফিলিয়েশনের জন্য শুধুমাত্র ফেসবুক মার্কেটিং করে ইনকাম করা যায়। ইনকাম কয়টা সেল করেছেন, সেই অনুযায়ী বাড়তে থাকে। ইনকাম মাসে ৫০০০ টাকা – ৮০,০০০ টাকা হতে পারে।

প্রোডাক্ট: বিভিন্ন কোম্পানির হোস্টিং

অভিজ্ঞতাঃ কনটেন্ট ডেভেলপ, সম্ভাব্য কাস্টমার খুঁজে বের করা, মার্কেটিং ইত্যাদি

৪. লোকাল ব্যবসা

লোকাল যে কোন ব্যবসার প্রফিট বৃদ্ধির জন্য এখন ফেসবুক মার্কেটিংকে সবাই ব্যবহার করছে। রেস্টুরেন্ট ব্যবসা, ফ্যাশন হাউস থেকে শুরু করে আরও অন্যান্য ব্যবসাতেও ফেসবুকে মার্কেটিং করেই ইনকাম বৃদ্ধি করা যায়।

প্রোডাক্ট: সার্ভিস, ট্রেনিং, প্রোডাক্ট ইত্যাদি

অভিজ্ঞতাঃ ইনভেস্ট, প্রোডাক্ট বাছাই, দক্ষ ব্যক্তি, মার্কেটিং ইত্যাদি

৫. লোকাল চাকরি

যে কোনো ব্যবসাতে যেহেতু ফেসবুক মার্কেটিং এখন বড় একটি ফ্যাক্ট। সুতরাং, প্রতিটা প্রতিষ্ঠানে এ কাজটি করার জন্য ফেসবুক মার্কেটিংয়ের এক্সপার্ট লোকজনের চাকরির সুযোগ তৈরি হয়েছে। বাংলাদেশের বাজারে এখন পর্যন্ত ১৫ হাজার টাকা থেকে ৬০ হাজার টাকা বেতনে এ সেক্টরে চাকরিতে নিচ্ছে।

প্রোডাক্ট: সার্ভিস, ট্রেনিং, প্রোডাক্ট ইত্যাদি

অভিজ্ঞতাঃ রিয়েল কাজের অভিজ্ঞতা, ব্যবসাতে প্রফিট বৃদ্ধি করা ইত্যাদি

৬. ফাইভারের গিগ সেল

ফাইভারে গিগের যত বেশি প্রমোশন চালাবেন, ততই গিগ সেল বৃদ্ধি পাবে। কিন্তু ফেসবুক প্রমোশন চালাতেও সঠিক জ্ঞান থাকতে হবে। সঠিক জ্ঞান ছাড়া গিগ প্রমোশন চালালে ফাইভারে ইনকাম বাড়বে, উল্টো ফাইভার অ্যাকাউন্টটাই নষ্ট হয়ে যাবে।

অনলাইনে আয় করার সহজ উপায়

প্রোডাক্ট: ফাইভার গিগ

অভিজ্ঞতাঃ অডিয়েন্স টার্গেট করতে পারা, কনটেন্ট ডেভেলপ করতে পারা, মার্কেটিং ইত্যাদি

৭. মার্কেটপ্লেসে কাজ

ফেসবুক যেহেতু মার্কেটিংয়ের অনেক বড় প্ল্যাটফর্ম, সেহেতু মার্কেটপ্লেসে এখন প্রচুর কাজ পাওয়া যাচ্ছে এ সম্পর্কিত। এভাবে অনলাইনে আয় করার সহজ উপায় মাসে ৫ হাজার থেকে ৫০ হাজার টাকা ইনকাম করতে পারেন।

প্রোডাক্ট: বায়ার রিকোয়েরমেন্ট অনুযায়ী সার্ভিস

অভিজ্ঞতাঃ কাজের পূর্বঅভিজ্ঞতার প্রমাণ, বায়ার কনভেন্স করতে পারা এবং রিপোর্টিং ইত্যাদি

ব্লগ লিখে আয়

আপনি গুগল ব্লগারে কিংবা ওয়ার্ডপ্রেসে বিনা মূল্যে একটি ব্লগ তৈরী করে নিতে পারেন। এখন ব্লগ তৈরী করে থেমে থাকলে হবে না। আপনার যে বিষয়ে পরিপূর্ণ জ্ঞান আছে, আপনি সে বিষয় নিয়ে লিখে যান। এ ক্ষেত্রে হয়তো আপনি প্রথম ২-৩ মাস একটু কষ্ট করতে হবে। তাই বলে আপনি নিরাশ হয়ে থেমে থাকবেন না।

তাহলে এক্ষণি ফ্রিতে একটি BLOG নিন- Create Your Website

আপনি প্রতিদিন নিত্য নতুন আর্টিকেল লিখতে থাকেন। আপনার বিষয়টি যদি ইউনিক এবং জ্ঞানগর্ভপূর্ণ হয় তাহলে ভিজিটর অবশ্যই আপনার ব্লগে আসবে। এ ক্ষেত্রে সফলতা পেতে আপনাকে বেশী দিন অপেক্ষা করতে হবে না। আপনি নিজে নিজেই টাকা উপার্জনের পথ সুঘম করে নিতে পারবেন।

UpWork – একজন লেখক হয়ে

UpWork হচ্ছে এমন একটি সাইট যেখানে আপনি আপনার লেখা বা আর্টিকেল শেয়ার করে টাকা উপার্জন করে নিতে পারবেন। আপনি যদি একজন ভাল লেখক হন কিংবা যে কোন বিষয়ে ভাল জ্ঞান রাখেন, তাহলে যদি সে বিষয়ে ভাল মানের আর্টিকেল লিখতে পারেন, তাহলেই এটা আপনার পক্ষে সম্ভব।

UpWork আপওয়ার্কে কাজ পেতে দুর্দান্ত ১০টি টিপস!

আপনার লেখার মান যদি ভাল হয় তাহলে UpWork এ আপনার লেখার মূল্য অর্থাৎ টাকা উপার্জনের পরিমান দিন দিন বাড়তে থাকবে। এখান থেকে মাসে লাখ টাকা উপার্জন করে এমন লোকও আছে। এখানে যার যার মেধা অনুসারে তার প্রতিফলন ঘটাতে পারে।
 

Adsense থেকে আয়

Adsense হচ্ছে বিশ্বের সবচেয়ে বড় বিজ্ঞাপনের (Advertisement) Program. এটি গুগল কর্তৃপক্ষ সয়ং নিজে পরিচালনা করছে। আপনি যদি আপনার ব্লগটিকে ভাল মানের Platform এ নিয়ে যেতে পারেন।

আপনার ব্লগে প্রচুর পরিমানে ভিজিটর থাকে তাহলে Adsense থেকে আপনি হাজার হাজার টাকা উপার্জন করতে পারবেন। এ পদ্ধতীতে আপনার ব্লগে Adsense এর বিজ্ঞাপন ব্যবহার করে ক্লিক প্রতি ডলার আয় করতে পারবেন। অনলাইনে আয় করার সহজ উপায় এভাবে কাজ করলে আপনি সফলতা পাবেন। 

আরও দেখুন- আপনি আপনার সোফায় বসে অর্থ উপার্জন করুন ৯ টা ওয়েবসাইট থেকে, না দেখলে মিস করবেন-কিল্ক করুন 

আমরা অনেকেই মনে করি, Adsense Approv করাটা অনেক কঠিন কাজ। কিন্তু আমি বলছি মোটেও কঠিন কাজ নয়। আপনি যদি মানসম্মত ২৫-৩০ টি ইউনিক কনটেন্ট লিখতে পারেন তাহলে নিঃসন্দেহে Adsense Approv হয়ে যাবে। এখান থেকে আপনি দীর্ঘ দিন যাবত টাকা উপার্জন করে যেতে পারবেন।

প্রশ্ন উত্তরের মাধ্যমে (Ask And You Answer)

আপনি যদি বিভিন্ন বিষয়ে দক্ষ হয়ে থাকেন, যেমন ধরুন – Math, English, Physics, Biology, Humanities ইত্যাদি। তাহলে আপনি প্রশ্ন উত্তর প্রদানের মাধ্যমে ইন্টারনেটে অন্যের বিভিন্ন সমস্যার সমাধান করে দিতে পারেন।

আপনি যদি তাদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর সঠিকভাবে দিতে পারেন, তাহলে ইন্টারনেটে অনেক সাইট আছে যেগুলি আপনার সাথে যোগাযোগ করবে তাদের সাইটে জয়েন করার জন্য।

ফলে তাদের সাইটে জয়েন করার মাধ্যমে ঐ কোম্পানী হতে আপনি ভাল মানের টাকা উপার্জন করতে পারবেন। এ ক্ষেত্রে আপনি বেশ চালাক এবং বুদ্ধিমান হতে হবে। আপনি বুঝতেই পারছেন আপনার চালাকি এবং মেধাকে কাজে লাগিয়ে এখান থেকে টাকা উপার্জন করবেন।

AMAZON এ আপনার Products বিক্রির মাধ্যমে

আপনারা হয়তো জানেন যে, ইন্টারনেট এর মাধ্যমে পন্য কেনা কাটার জন্য জনপ্রিয় ওয়েবসাইট হচ্ছে Amazon. এখানে লোকজন তাদের বিভিন্ন ধরনের Products বিক্রি করার জন্য বিজ্ঞাপন দিয়ে থাকেন।

আপনার পন্যটি যদি ক্রেতার কাছে ভাল মনে হয় তাহলে পন্যটি কেনার জন্য ক্রেতারা আপনার সাথে যোগাযোগ করবে। আপনি যদি আপনার Products বিক্রি করে একজন ভাল মানের বিক্রেতা হতে পারেন।

তাহলে এখান থেকে কমদামে বিভিন্ন জিনিস ক্রয় করে ভাল দামে বিক্রয় করে লাভবান হতে পারেন। তবে এই সুবিধা পাওয়ার জন্য আপনাকে আগে একজন ভাল মানের বিক্রেতা হিসেবে প্রমান করতে হবে।

Read more- Highest CPC Country ,উচ্চ সিপিসি সম্পন্ন দেশগুলির তালিকা দেখুন!

 

ভার্চুয়াল অ্যাসিস্ট্যান্ট

এক রিপোর্টে, ফ্রিল্যান্সার ডটকমে ভার্চুয়াল অ্যাসিস্ট্যান্ট পদে চাকরি আগের প্রান্তিকে পোস্ট হওয়া ৭ হাজার ৯২৫ থেকে ১২ হাজার ৩২৯টিতে পৌঁছেছে। অর্থাৎ, এ খাতে চাহিদা বেড়েছে ৫৫ শতাংশের বেশি।

ভার্চুয়াল অ্যাসিস্ট্যান্ট পদে যাঁরা কাজ করেন, তাঁদের নানা রকম কাজে নিয়োগদাতাকে সাহায্য করতে হয়। গ্রাহকসেবা, সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং, ব্লগ পোস্টিং থেকে শুরু করে ভার্চুয়াল অফিসে বাস্তব অফিসের সহকারীর মতো কাজ করতে হয়। এ ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট প্রকল্পভিত্তিক বা ঘণ্টা ভিত্তিতে আয়ের সুযোগ থাকে।

জরিপ, সার্চ ও রিভিউ

অনলাইন জরিপে অংশ নিয়ে অর্থ আয় করতে পারেন। অনেক ওয়েবসাইট জরিপে অংশ নিলে তারা অর্থ দেয়। এ ছাড়া অনলাইন সার্চ ও পণ্যের পর্যালোচনা লিখে আয় করতে পারেন।

তবে, এ ক্ষেত্রে ব্যক্তিগত তথ্য প্রকাশের পাশাপাশি ক্রেডিট কার্ড বা ব্যাংকিং তথ্য দেওয়া লাগতে পারে। কাজের সময় কোনটি প্রকৃত কাজ আর কোনটি স্ক্যাম—যাচাই-বাছাই করে নিয়ে কাজ করতে পারেন।


Play store  গিয়ে Dual app লিখে সার্চদেন।

যেকোন একটা ব্যাবহার করতে পারে।

আপনি চাইলে ছবিতে দেওয়া এপসটি ব্যাবহার করতে পারেন।

নেট চালাতে পারবেন সেই রকম ভালো ফোন পাবেন নাহ।

আপনি বাটন ফোন পাবেন.


নেট চালাতে চাইলে এই দামের মধ্যে সেকেন্ড হ্যান্ড নিতে পারেন।

Redmi 8A Price?

iqbal5987
Jun 11, 10:23 PM

দাম ১০৯৯৯৳

ব্যাটারি ৫০০০mAh champion

চার্জ একবার দিয়ে সবকিছু ব্যাবহার করলে ১দিন যাবে।


আর নরমালি ব্যাবহার করলে প্রায় ৩দিন পর্যন্ত যাবে।

সাধারণভাবে বলতে গেলে ব্লগ এবং ওয়েবসাইট এরমধ্যে গুরুত্বপূর্ণ পার্থক্য হল এর পরিবেশনায় অর্থাৎ ফরমেটে। এছাড়া ব্লগ এবং ওয়েব সাইটের মধ্যে অনেক কিছুরই মিল রয়েছে। কিন্তু এদের মধ্যে কিছু উল্লেখযোগ্য পার্থক্য রয়েছে। আর সেটি হল কনটেন্ট তৈরি এবং সেটা publishing এর ক্ষেত্রে।




ওয়েব সাইটের পার্থক্যমূলক বৈশিষ্ট্য:


  • বিষয়বস্তু স্ট্যাটিক।
  • আনুষ্ঠানিক / পেশাদার।
  • ইন্টারঅ্যাক্টিভিটি নেই, কিন্তু ওয়ান ওয়ে কমিউনিকেশন রয়েছে।
  • লেনদেনগত।
  • পণ্য অথবা পরিষেবা সম্পর্কে যোগাযোগ ব্যবস্থা 
  • প্রায় সবারই একটি ওয়েবসাইট আছে। প্রকৃতপক্ষে, এটি আজ ব্যবসায়ের একটি আবশ্যকীয় উপাদান।



ব্লগের পার্থক্যমূলক বৈশিষ্ট্য:


  • কন্টেন্ট রেগুলার আপডেট হয়।
  • পেশাদার না।
  • ইন্টারঅ্যাক্টিভিটি বিদ্যমান।
  • তথ্যমূলক এবং শিক্ষনীয়।
  • ব্লগ সবার প্রয়োজন হয় না।

  • সব ব্লগই আসলে ওয়েবসাইট, কিন্তু সব ওয়েবসাইটকে ব্লগ বলা যায় না। ইন্টারনেটের মাধ্যমে বিভিন্ন লিঙ্কে গিয়ে যা ভিজিট করেন সবগুলোই এক একটা ওয়েবসাইট। ব্লগ হচ্ছে অনলাইন ডায়েরির মতো। এখানে বিভিন্ন বিষয়ে নিজের ইচ্ছামত একজন ব্লগার লিখে থাকেন। সাধারণত একটি পেজে বিভিন্ন লেভেল এবং ক্যাটাগরিতে ভাগ করে লেখা হয় ব্লগে। সাধারণ ওয়েবসাইটে বিভিন্ন পেজে লেখা হয়। যেমনঃ এই Banglahub কিন্তু একটা ওয়েবসাইট যেটাতে ব্লগ আছে। ব্লগের লেখাগুলো এক পেজে সাজানো থাকে এবং সর্বশেষ লেখা সবার উপরে দেখা যায়। কমেন্ট বক্সে অন্যরা কমেন্টও করতে পারে।