আমি দিনদিন মেরা/শুকিয়ে যাচ্ছি। এখন কিভাবে স্বাস্থ্য ফিরে পাব। জিম করলে কি সাস্থ্য বাড়বে। বয়স:- ১৮?
5 Answers
স্বাস্থ্যকর খাবারঃ অনেকেই দেখা
যায়, স্বাস্থ্য বাড়ার লক্ষ্যে অনেক
খাবার খেয়ে থাকেন, কিন্তু তারপরও
তার স্বাস্থ্য বাড়ে না। এর অন্যতম
কারন হল, তার মানে আপনি সঠিক
খাবারটি নির্বাচন করছেন না। খালি
পেট ভরে খেলেই চলবে না। খেতে
হবে উপযুক্ত খাবার। আমাদের শরীরের
প্রতিদিন একটি নির্দিষ্ট পরিমাণে
প্রোটিন, কার্বন এবং ফ্যাটের
প্রয়োজন হয়। তাই প্রতিদিন বাদাম
এর দুগ্ধজাতীয় খাবার খেতে হবে।
প্রোটিনযুক্ত খাবার আমাদের শরীরের
পেশী গঠনে সাহায্য করে এবং ওজন
বৃদ্ধি করে। প্রতিদিন নির্দিষ্ট
পরিমাণে মাংস গ্রহণ করুন। রোজ খান
ডিম, পনির ও পর্যাপ্ত পরিমাণে ভাত-
রুটি-আলু। আপনি মোটা হতে চাইলে,
ভাত খান বেশী করে। ভাতে প্রচুর
ক্যালরি থাকে, যা মানুষকে মোটা
করতে সাহায্য করে।
তরল খাদ্যঃ মোটা হতে চাইলে একটু
পর পরই তরল জাতীয় খাবার খান।
তরল খাবার ক্ষুধা দ্রুত তৈরি করতে
সাহায্য করে। তাই ক্ষুধা বেশী
লাগলে, খাবার খাওয়া বেশী হবে,
ফলে ওজন বৃদ্ধি পাবে। অবশ্যই ভারী
খাবার খাওয়ার আগে অথবা মাঝখানে
পানি পান করা চলবে না। এতে করে
খাবার মাঝখানে পানি ক্ষুধাটাকে
নিবারণ করে। ফলে ভারী খাবার
খাওয়ার রুচি থাকে না।
ঘন ঘন খানঃ আপনি যদি মোটা হতে
চান তাহলে দিনে ৫-৭ বার
পরিমানমত খাবার খান। মোটা হতে
চাইলে নির্দিষ্ট পরিমানে ৬ বার
খাবার খান। কলা, আম পর্যাপ্ত
পরিমান ফল খেতে হবে এবং
ক্যালরিযুক্ত খাবার বেশী পরিমানে
খেতে হবে। অবশ্যই জাংক খাবার
খাওয়া পরিহার করুন। কারন যতবেশী
পারিমান জাংক খাবার খাওয়া হয়,
শরীর থেকে তত বেশী প্রোটিন বের
হয়ে যায়।
সঠিক নিয়মে খানঃ আপনি খাবার
খাচ্ছেন, কিন্তু নিয়ম মেনে চলছেন
না, এমনটা হলে তো শরীরের ওজন
বৃদ্ধি পাওয়া সম্ভব না। তাই নিয়ম
করে খাবার তালিকা তৈরি করে
খাবার খেলে, তা ওজন বৃদ্ধিতে
সহায়ক হবে। সারাদিনের একটি বড়
তালিকা তৈরি করে, ঘরই ধরে সে
নিয়ম মেনে চলুন। মোটামোটিভাবে ৪
সপ্তাহের মধ্যে একটি ইতিবাচক
ফলাফল পাবেন। ওজন বাড়ে সহায়ক
খাবার গুলো রোজ খাবেন ও পর্যাপ্ত
ঘুমাবেন।
ব্যায়ামঃ শুনলে আপনার মনে হতে
পারে, ওজন বাড়াতে গেলে আবার
ব্যায়াম কিসের? তাহলে জেনে রাখুন
যে, এমন কিছু ব্যায়াম আছে যেগুলো
শরীরের পেশী তৈরি করে ও ওজন
বাড়ায়। তাছাড়াও সেসকল ব্যায়াম
ক্ষুধার উদ্রেকও সৃষ্টি করে। তাই
জিমে যাওয়া শুরু করে, জিমের
ট্রেইনারের কথা ভালোমত মেনে চলুন।
তাছাড়াও ব্যায়াম প্রয়োজনীয়তা আরও
অনেক আছে। যেমন আপনি যদি শুধু
ক্যালরিযুক্ত খাবার খেয়েই যান আর
কোনো ধরনের ব্যায়াম না করেন
তাহলে আপনার শরীরের কিছু অংশে
অতিরিক্ত মেদ দেখা দেবে যেমন
তলপেটসহ অন্যান্য অংশে কিন্তু আপনার
ওজন বাড়াতে খুব একটা সহায়ক ভূমিকা
রাখবে না। এজন্য যতটা সম্ভব
শারীরিক ব্যায়াম করুন।
ধূমপান বর্জন করুনঃ ধূমপান মানুষকে
শারিরিকভাবে অসুস্থ করে তোলে।
স্বাস্থ্যের ক্ষতিসাধন করে ধূমপান।
তাছাড়াও স্বাস্থ্য বাড়াতে চাইলে,
পর্যাপ্ত পরিমান খাওয়ার পর যদি
ধূমপান করে থাকেন, তাহলে তাতে
কোন ইতিবাচক ফলাফল পাওয়া যাবে
না। তাই ধূমপান বর্জন করুন।
ভালমতো এই নিয়মগুলো মেনে চলুন এবং
ভালো থাকুন।
না ভাই জীম করে ফিটনেস বাড়ানো যায় কিন্তু স্বাস্থ বাড়াতে জীম খুব সহায়তা করবেনা। আপনাকে পুষ্টিকর খাবার, শাকসবজী , পানি খেতে হবে। কোন নেশা যেমন ধুমপান বা এলকোহলের নেশা থাকলে বাদ দিতে হবে। আর মাল্টিভিটামিন+মাল্টিমিনারেল ট্যাবলেট খান। এতে অনেক উপকার পাবেন।
সবচেয়ে প্রথম কথা,আপনাকে বেশি করে পুষ্টিকর খাবার খেতে হবে ।অরুচি থাকলে "সিনকারা" সিরাপটি খেতে পারেন ।মানসিক দুঃশ্চিন্তায় থাকবেন না ।মাদকাসক্তি থাকলে পরিত্যাগ করুন ।সাথে ব্যায়াম করলে আপনার স্বাস্থ্য ঠিক থাকবে ।তবে পরিমিত ব্যায়াম করতে হবে ।
ভাই,জিমে স্বাস্থ্য বাড়ে না,পেশি ও কোষ গুলো সুস্থ্য থাকে! আপনি সুষম খাদ্য গ্রহণ করুন,পূর্ণ বিশ্রাম নিন! সকালে ও রাত্রে এক গ্লাস করে দুধ ও একটা একটা ডিম খান! আপনি এন্ডোকাইনোলজিস্টের চিকিৎসা নিন!
আপনার প্রতি আমার পরামর্শ হচ্ছে আপনি প্রতিদিন নিয়মিত পুষ্টিকর খাবার খাবেন। নিয়মিত ব্যায়াম করবেন। প্রতিদিন ৮ থেকে ১০ ঘন্টা ঘুমাবেন। প্রচুর পরিমাণ পানি পান করবেন। আর শারীরিক ভাবে দূর্বলতা বোধ করলে একটা সিনকারা সিরাপ খেতে পারেন। খাওয়ার নিয়ম প্যাকেটের গায়ে লেখা আছে।