1 Answers

১. পরিচ্ছন্ন প্রোফাইলঃ যে কোন মার্কেটেই হোক না কেন, কাজ করতে হলে আপনার অবশ্যই অবশ্যই একটি পরিচ্ছন্ন এবং মার্জিত প্রোফাইল দরকার। সর্বপ্রথম চিন্তা করুন আপনি কোন বিষয়ে কাজ করবেন। ফ্রীল্যান্স মার্কেটে কাজ করতে গেলে সঠিক বিষয় নির্বাচন অতি জরুরী। যদি আপনি আপনার নির্ধারিত বিষয়ে কাজ শিখে থাকেন তাহলে অবশ্যই আপনার নির্ধারিত বিষয়কেই হাইলাইট করে প্রোফাইল তৈরি করুন। আপনি সবচেয়ে ভাল যে কাজটি পারেন সেটার উপর ভিত্তি করেই প্রোফাইল তৈরি করুন। প্রোফাইলটিকে এমন ভাবে রাখার চেষ্টা করুন যাতে করে যে কেউ দেখেই বুঝে ফেলতে পারে আপনি কোন ধরণের কাজ জানেন। এক্ষেত্রে আমার পরামর্শ থাকবে, আগে বেশ কয়েকজন টপ ওয়ার্কারদের প্রোফাইল ভাল করে ঘাঁটুন। প্রয়োজনে ৭ দিন সময় নিন, বেশ কয়েকজনের প্রোফাইল দেখুন, বুঝুন এরপর আপনার নিজের প্রোফাইল বিল্ড আপ করুন। ২. পোর্টফোলিওঃ পোর্টফোলিও কি তা হয়ত সবাই জানেন। যারা জানেন না তাদের জন্য আবারও বলছি, পোর্টফোলিও হচ্ছে আপনার পূর্বে করা কাজের নমুনা। প্রতিটি ফ্রীল্যান্সিং সাইটেই পোর্টফোলিও যোগ করার অপশন আছে, আর এটি যোগ না করলে আপনার প্রোফাইল কমপ্লিট হবে না। এখন কথা হল কোথায় পাবেন পোর্টফলিও- আসলে ফ্রীল্যান্স মার্কেটে কাজ করার প্রথম শর্তই হচ্ছে কাজ শিখে প্র্যাকটিস করে তারপর বিভিন্ন ফ্রীল্যান্স সাইটে কাজের জন্য আবেদন করা। আর আপনি যদি আগে কাজ শিখে থাকেন তাহলে অবশ্যই প্র্যাকটিস করেছেন, আর এই প্র্যাকটিস করার সময় আপনি অবশ্যই এমন কিছু কাজ করেছেন যেগুলো ভবিষ্যতে আপনি ফ্রীল্যান্স সাইট গুলোতে করবেন। আর সেই কাজ গুলোকেই আপনি আপনার পোর্টফোলিও হিসেবে যোগ করতে পারেন। প্রোফাইল এ ৫-১০ টা সঠিক পোর্টফোলিও যোগ করলেই যথেষ্ট। তবে, পোর্টফোলিও যোগ করার ক্ষেত্রে ভাল করে ভেবে দেখুন আপনি কোন ধরণের কাজ করবেন, ওই ধরণের কাজ যদি আপনি করতেন তাহলে ক্লাইন্ট কে কি কি ফাইল সাবমিট করতে হত, ঠিক সেই জিনিস গুলোই আগে তৈরি করুন এবং পোর্টফোলিওতে যোগ করুন। একটু ছোট্ট উদাহরণ দিয়ে আর একটু ক্লিয়ার হওয়া যাক, ধরুন আপনি ওয়েব ডিজাইন এর কাজ করবেন। সুতরাং আগে থাকতে কিছু নমুনা সাইট তৈরি করুন, যেগুলো আপনি আগে থাকতে পোর্টফোলিওতে রেখে দিবেন যাতে করে বায়ার আপনার প্রোফাইল থেকে সেই পোর্টফলিও দেখে আপনাকে হায়ার করে। আশা করি সবাই পোর্টফলিও বুঝতে পেরেছেন। ৩. সঠিক কাজের রেটঃ নতুন অবস্থায় কাজ পেতে হলে সঠিক কাজের রেট নির্ধারণ করা অতি জরুরী। আপনাকে কাজের জন্য এমন একটি রেট নির্ধারণ করতে হবে যেটা স্বাভাবিক এর চেয়ে সামান্য কম (কারন আপনি নতুন) কিন্তু সম্মানিত একটি রেট। আর এই ক্ষেত্রে কাজে বিড করার আগেই আপনি দেখতে পারবেন ক্লাইন্ট এর আগে কত রেটে বিভিন্ন লোক দিয়ে কাজ করিয়েছেন। যে কোন কাজের টাইটেলে ক্লিক করার পর, একটু নিচের দিকে গেলেই আপনি ক্লাইন্ট এর আগের কাজের হিস্টোরি দেখতে পারবেন। সেই অনুযায়ী বিড করুন। নতুনদের জন্য আমার মতে বিড রেট- ১.০০ থেকে ৩.০০ প্রতি ঘণ্টা হলেই ভাল হয়। ৪. ইম্প্রেশনঃ ক্লাইন্ট এর কাছ থেকে কাজ পেতে হলে ক্লাইন্ট কে এমন কিছু জিনিস দেখাতে হবে যেটা দেখলে ক্লাইন্ট ইম্প্রেস হবে এবং বুঝতে পারবে আপনি কাজটি করতে পারবেন, ফলে কাজটি আপনাকে দিতে চাইবে।

2836 views Answered

Related Questions

Next steps