অল্প সময়ে স্বাস্থ কিভাবে বাড়ানো যায়?
5 Answers
বেশি করে পুষ্টিকর খাদ্য খান । আর নিয়মিত ব্যায়াম করুন । হোমিওপ্যাথি ডাক্তার দেখাতে পারেন ।
মোটা হতে চাওয়ার পুর্বে আপনার চিকন হবার কারন গুলো খুজে দেখুন অনেকেই এই কাজ না করে শুধু শুধু অনেক ঔষধ বা ব্যায়াম শুরু করেন যা কোন ফল তো দেওয়া দুরের কথা আরো সমস্যার সৃষ্ট করে তাই প্রথমেই আপনি চিকন বা পাতলা বা কতটা আন্ডার ওয়েট সেটি বের করুন এর পর বয়স/উচ্চতার সাথে সামঞ্জস রেখে ওজন কতটুকু ওজন থাকা দরকার সেটি বের করুন। এর পর অজান্তে থাকা কিছু অভ্যাস আছে কিনা খুজে দেখুন ১। কম ঘুমানোর অভ্যাস ২। রাত জেগে থাকার অভ্যাস ৩। ধুম/মদ্য পানের অভ্যাস ৪। খাবারে অরুচি ৫। পানি কম পান করা ৬। পুরুষদের হস্ত মৈথুন করার অভ্যাস আরো কিছু বাজে অভ্যাস আমাদের অজান্তেই শরীরের ওজন কমাতে দারুন ভুমিকা রাখে প্রথমে সেগুলো চিহ্নিত করে অভ্যাস ত্যাগ করার চেষ্ট করা এবং সুষম খাবারের পরিমান বাড়িয়ে সুস্বাস্থ ফিরিয়ে নিয়ে আসার চেষ্টা করা... খুব বেশি রোগা শরীর হলে অবশ্যই একজন বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের পরামর্শ নেওয়া। এজন্য আপনাকে সুষম খাদ্য গ্রহন করতে হবে।
যারা কম ওজনের সমস্যায় ভুগে থাকেন তাদের সাধারনত খাবারের প্রতি অনীহা থাকে। ক্ষুধামন্দায় ভোগেন, একবারে বেশি পরিমানে খেতে পারেন না। ওজন বাড়াতে হলে খুব ধীরে ধীরে খাবারের পরিমান বাড়াতে হবে।বলা হয়ে থাকে দৈনিক অতিরিক্ত ৫০০ ক্যালরী নিয়মিত খাবারের সাথে যোগ করা উচিত যদি ওজন বাড়াতে চান। তো দেখা যাক কোন খাবার থেকে আমরা ৫০০ ক্যালরী সহজেই পেতে পারি: ১. আটটি বিস্কুট/ ক্রাকারর্স ৩০গ্রাম চিজের সাথে ২. এক কাপ আইস ক্রিম ৩.এক গ্লাস ফুল ক্রিম দুধ সাথে হররিক্স বা ওভালটিন + ২চা চামচ চিনি এবং ২ টা বিস্কুট ৪. ২৫০ মিলি ফলের রস + ৪০ গ্রাম চিনাবাদাম + ৪০ গ্রাম কিশমিশ ৫. ২৫০ মিলি ফুল ক্রিম দুধের সাথে ২টা 2 Energy bar ৬.২৫০ মিলি ফুল ক্রিম দুধ+২ টি পাকা কলা+ ২ চা চামচ চিনি+ ৩০গ্রাম ফুল ক্রিম মিল্ক পাউডার ৭. এক স্লাইস চিজ/ চকোলেট কেক + ২০০ মিলি ফুল ক্রিম দুধ অনেক ঘুলো অপসন তো জানা গেল, আশা করি এবার পরিমানে অল্প খেয়েও ওজন বাড়াতে পারবেন।
ওজন বাড়ানোর ০৫ টি উপায়ঃ ১. সকালে উঠে বাদাম ও কিসমিস ওজন বাড়ানোর জন্য বাদাম আর কিসমিসের বিকল্প নেই। রাতে ঘুমাবার সময় অল্প জলে আধ কাপ কাঠ বাদাম ও কিসমিস ভিজিয়ে রাখুন ৷সকালে সেগুলো ফুলে উঠলে খেয়ে নিন। ২. খান প্রচুর শাক সবজি ও ফল ভাবছেন এগুলো তো ওজন কমাবার জন্য খাওয়া হয়, তাই না? ওজন বাড়াতেও কিন্তু আপনাকে সাহায্য করবে এই ফল আর সবজি। এমন অনেক ফল আর সবজি আছে যারা কিনা উচ্চ ক্যালোরি যুক্ত। আম, কাঁঠাল, লিচু, কলা, পাকা পেঁপে, মিষ্টি কুমড়া, মিষ্টি আলু, কাঁচা কলা ইত্যাদি ফল ও সবজি খেলে ওজন বাড়বে। যদি এইসব না করেও আপনার ওজন না বৃদ্ধি পায়, তাহলে অবশ্যই একজন ভালো ডাক্তারের সাথে যোগাযোগ করুন। কেননা কোনও সুপ্ত অসুখ থাকলেও তার ফলে রুগ্ন ও ভগ্ন স্বাস্থ্যের অধিকারী হতে পারেন। ৩. খাবারের পরিমাণ বাড়ান খাবারের পরিমাণ বাড়ানো মানেই একগাদা খেয়ে ফেলা নয়। আপনি যদি কম খাওয়ার কারণে রোগা হয়ে থাকেন, তাহলে খাবারের পরিমাণ আপনাকে বাড়াতেই হবে। স্বাভাবিকভাবে যা খেয়ে থাকেন, তার ৪ ভাগের ১ভাগ পরিমাণ খাবার বাড়িয়ে খান প্রতিদিন। ৪. বারবার খাওয়ার অভ্যাস ত্যাগ করুন অনেকেই ভাবেন যে বারবার খেলে বুঝি ওজন বাড়বে। এটা মোটেও সঠিক না। বরং নিয়ম মেনে পেট পুরে খান। পেট পুরে খাওয়া হলে মেটাবলিজম হার কমে যায়, ফলে খাবারের ক্যালোরির অনেকটাই বাড়তি ওজন হয়ে শরীরে জমবে। অল্প অল্প করে বারবার খাওয়াটা মেটাবলিজম বাড়িয়ে দেয়, ফলে ওজন কমে। ৫. খাদ্য তালিকায় রাখুন ডুবো তেলে ভাজা খাবার ডুবো তেলে ভাজা খাবারে প্রচুর পরিমাণে ফ্যাট থাকে। ফলে সেটা ওজন বাড়াতে সহায়ক। তবে সাথে রাখুন প্রচুর তাজা শাক সবজির স্যালাড।
৩ টি খাদ্যাভ্যাস আপনার স্বাস্থ্য বাড়াতে সাহায্য করবেঃ- ১} রাতে ঠিক ঘুমাতে যাওয়ার আগে খাওয়াঃ- স্বাস্থ্যবান হতে আপনার প্রথম করণীয় রাতের খাবারটা ঘুমাতে যাওয়ার আগে খাওয়া ঘুম আপনার বিপাক প্রক্রিয়া, আপনার রক্তে শর্করার মাত্রা ও আপনার শরীরে হরমোনে যা আপনাকে সুস্বাস্থ্য অর্জনে সাহায্য করবে। ২} খাবার একা খেতে না বসে পরিবারের সাথে বসুনঃ- সাধারণভাবে একা খেতে বসলে খাওয়ায় মনোযোগ কমে, তাই যদি স্বাস্থ্যবান হতে যখন একসাথে অনেক মানুষ খেতে বসে তখন গল্প আড্ডায় খাওয়ার সময়টুকু উপভোগ্য হয়ে উঠ আর এতে খাবার গ্রহণের পরিমাণটাও বেড়ে যায়। স্বাস্থ্য অর্জনের জন্য বেশী খাবার গ্রহণের বিকল্প নেই। ৩}খেতে বসে অন্যান্য কাজ করাঃ- খেতে বসে আপনি প্লেটে কতটুকু খাবার থাকলো এটা ভেবে সময়নষ্ট না করে বরং আপন কখন আপনি বেশী খেয়ে ফেলবেন বুঝতেই পারবেন না। আপনি যদি ওজন বাড়াতে চান তাহলে কফি,কোমল পানীয়,মিষ্টি. এই জাতীয় খাবার দেখবেন কয়েক দিনে আপনার শরীরে ওজন বাড়তে শুরু করছে।