কারো প্রতি হিংসা বেড়ে যাওয়ার পর স্থির হবো কিভাবে?
1 Answers
হজরত থানবি (রহ.) বলেন, হিংসা তো হলো স্বভাবের প্রবণতা। এতে মানুষ মাজুর বা অপারগ। দ্বিতীয় বিষয় ওই প্রবণতার বশবর্তী হয়ে কাজ করা। এ ক্ষেত্রে মানুষ মা’যূর বা গুনাহগার। আর তৃতীয়টি হলো ওই প্রেরণার বিপরীত কাজ করা। এ ক্ষেত্রে মানুষ মা’জূর (সাওয়াবপ্রাপ্ত)। অর্থাৎ, হিংসা ও হাসাদের কারণে কারো নিন্দা করতে ইচ্ছা হলে তার প্রশংসা করবে। মুখ ফিরিয়ে রাখতে ইচ্ছা হলে মেলামেশা করবে এবং তাজিম ও সম্মান করবে। তাকে সালাম দেবে এবং তার প্রতি অনুগ্রহ করবে। (আনফাসে ইসা ১৭৩)।
শয়তান আপনার মনে হিংসা সৃষ্টি করেছিল। তার উদ্দেশ্য ছিল সে আপনাকে গুনাহ লিপ্ত করবে এবং জাহান্নামে পৌঁছে দেবে। আপনি যদি হাসাদের বশবর্তী হয়ে কোনো কাজ করতেন তা হলে তার উদ্দেশ্য পূর্ণ হত, কিন্তু আপনি কী করলেন? আপনি মনের ইচ্ছার বিরোধিতা করে ওই ব্যক্তির জন্য দোয়া করলেন এবং তার প্রশংসা করলেন। যে মানসিক অবস্থাটা আপনাকে গুনাহতে লিপ্ত করার জন্য এসেছিল তার বিরোধিতা করার কারণে আপনি অসংখ্য সাওয়াব লাভ করলেন। এটা হলো ওই ইচ্ছার বিরোধিতার সুফল।