3 Answers

মহান আল্লাহ পাক আমাদেরকে সৃষ্টি করেছেন তাঁর এবাদাত বন্দেগীর উদ্যেশ্যে। সেই এবাদত এর অন্যতম একটি হল নামায আদায় করা। নামাজ হচ্ছে বেহেস্তের চাবি। আর কিয়ামতের দিন সর্বপ্রথম বান্দার নামাজের হিসাব হবে। তাই নামাজ ছাড়া পরকালে নাযাত পাওয়া অসম্ভব। আপনি এই হাদিস দুটি দাওয়াত কালে তাদের মাঝে পেশ করুন।

2823 views

আপনি যে ব্যক্তিকে নামাজি বানাইতে চান,প্রথমত আপনাকে এই ব্যক্তির সাথে মুহাব্বত গরে তুলতে হবে, কেননা অনুগত্তের মুল মেরুধন্ড হলো মুহাব্বত, যখন মুহাব্বত হয়ে যাবে তখন আপনার কাজ শুড়ু করেন, আপনি তার নাম ধরে সম্মোধন করবেন যেমন যায়েদ ভাই তারপর বলবেন আপনি কখন ফ্রি থাকেন সে যখন বলবে আমি অই সময় ফ্রি থাকি অই সময়টা আপনি কাজে লাগান, হা তার কাছ থেকে আপনি কয় মিনিট সময় নিবেন সেটা তার কাছ থেকে জেনে নিন সে যদি বলে ১০ মিনিট,  তাহলে আপনি প্রতিদিন মসজিদে অথবা কোন নিরব জায়গায় ১০ মিনিট সময় নামাজের ফজিলত সম্বলিত হাদিস গোলো সুনান,  ইনশাআল্লাহ আপনি সফল হবেনি হবেন 

2823 views

নামাজের প্রতি আগ্রহ করার উপায়

নামাজের উপকারীতা ও অপকারীতা সম্পর্কে তাকে অবগত করুন

হযরত জাবের ইবনে আব্দুল্লাহ রাযি. হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে বলতে শুনেছি, ইসলাম ও কুফরের মাঝে পার্থক্য হল নামায ছেড়ে দেয়া। অর্থাৎ নামায ছেড়ে দেয়া একজন মুসলিমকে কুফর ও শিরক পর্যন্ত পৌছে দেয়। (সহীহ মুসলিম, হাদীস নং ৮২)

রাসূলুল্লাহ (সা) ইরশাদ করেন, ‘যে কেউ ইচ্ছাকৃতভাবে নামায ছেড়ে দেয় আল্লাহ তা’আলা তার থেকে নিজের জিম্মাদারী উঠিয়ে নেন’। (বুখারি-১৮, ইবনে মাজাহ-৪০৩৪, মুসনাদে আহমদ-২৭৩৬৪)

নামাজের বৈজ্ঞানিক উপকারীতা:
১) নামাজে যখন সিজদা করা হয় তখন আমাদের মস্তিস্কে
রক্ত দ্রুত প্রবাহিত হয়। ফলে আমাদের স্মৃতি শক্তি
অনেক বৃদ্ধি পায়।
২) আমরা যখন নামাজে দাঁড়াই তখন আমাদের চোখ যায়
নামাজের সামনের ঠিক একটি কেন্দ্রে বা সিজদাহর জায়গায়
স্থির অবস্থানে থাকে, ফলে মনোযোগ বৃদ্ধি পায়।
৩) নামাজের মাধ্যমে আমাদের শরীরের একটি ব্যায়াম
সাধিত হয়। এটি এমন একটি ব্যায়াম যা ছোট বড় সবাই করতে
পারে।
৪) নামাজের মাধ্যমে আমাদের মনের অসাধারন পরিবর্তন
আসে।
৫) নামাজ মানুষের দেহের কাঠামো বজায় রাখে। ফলে
শারীরিক বিকলাঙ্গতা লোপ পায়।
৬) নামাজ মানুষের ত্বক পরিষ্কার রাখে। যেমন, ওজুর
সময় আমাদের দেহের মূল্যবান অংশগুলো পরিষ্কার করা
হয়; এর ফলে বিভিন্ন প্রকার জীবানু হতে আমরা সুরক্ষিত
থাকি।
৭) নামাজে ওজুর সময় মুখমণ্ডল ৩ বার ধৌত করার ফলে
আমাদের মুখের ত্বক উজ্জল হয় এবং মুখের দাগ কম
দেখা যায়।
৮) ওজুর সময় মুখমণ্ডল যেভাবে পরিষ্কার করা হয় তাতে
আমাদের মুখে এক প্রকার মেসেস তৈরি হয়; ফলে
আমাদের মুখের রক্ত প্রবাহ বৃদ্ধি পায় এবং বলি রেখা
কমে যায়।
৯) কিশোর বয়সে নামাজ আদায় করলে মন পবিত্র
থাকে; এর ফলে নানা প্রকার অসামাজিক কাজ সে বিরত
থাকে।
১০) নামাজ আদায় করলে মানুষের জীবনী শক্তি বৃদ্ধি
পায়।
১১) কেবল মাত্র নামাজের মাধ্যমেই চোখের নিয়ম
মত যত্ন নেওয়া হয়; ফলে অধিকাংশ নামাজ আদায়কারী
মানুষের দৃষ্টি শক্তি বজায় থাকে।
তাছাড়া সবচেয়ে বড় কথা নামাজের মাধ্যমে আল্লাহর
নৈকট্য লাভ করা যায় ।
আল্লাহ আমাদের সবাইকে পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ আদায় করার তৌফিক দান করুক।
আমিন।
2823 views

Related Questions