1 Answers

"শরীর নিজেই নিজেকে সারাতে সক্ষম" এটি হোমিওপ্যাথির মূল ভিত্তি।

যা একজন সুস্থ মানুষকে অসুস্থ করতে পারে, তাই আবার মানুষকে সুস্থ করতে পারে -এই নীতিতে হোমিওপ্যাথির ঔষধ তৈরি করা হয়। উদাহরণস্বরূপ অ্যালার্জির জন্য যে উপাদান গুলো দায়ী, সামান্য মাত্রায় অনুরূপ উপাদান আপনার দেহে প্রবেশ করিয়ে অ্যালার্জি কমানোর চেষ্টা করা হয়। এক্ষেত্রে উক্ত উপাদানগুলোর সক্রিয়তা কমাতে এর সাথে অ্যালকোহল বা পানি মিশ্রিত করা হয়।


হোমিওপ্যাথি মূলত দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাকে জাগিয়ে তোলার মাধ্যমে কাজ করে, অনেকটা ভ্যাকসিনের মতো। বিভিন্ন রিসার্চ অনুযায়ী এটি উপকারী হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে, আবার কিছু রিসার্চ বলছে এটি শরীরের জন্য ক্ষতিকর।


তবে এ ব্যাপারে কোনো সন্দেহ নেই যে অ্যাজমা, ক্যান্সার, হৃদরোগ বা অন্য যেকোনো মারাত্মক রোগ এবং ইমারজেন্সিতে হোমিওপ্যাথির ব্যবহার নিরর্থক এবং উল্টো ক্ষতির কারণ হয়ে দাঁড়াতে পারে।


চিকিৎসাক্ষেত্রে Placebo effect নামক একটি টার্ম আছে, যার ব্যাসিক অর্থ হলো "ঔষধ কাজ না করলেও রোগী যদি বিশ্বাস করে তার উপকার হবে, তাহলে সত্যিই উপকার হয়", সুতরাং আপনার যদি হোমিওপ্যাথিতে আস্থা না থাকে তাহলে এর ব্যবহার না করাই ভালো।

3669 views

Related Questions