জন্মগত পা ফাটা বলতে আমার নানি থেকে আমার মা পেয়েছে আর মা থেকে আমরা সবাই পেয়েছি।এরপর আমাদের থেকে অামাদের ছেলেমেয়েরা পাচ্ছে।এটি এমন একটি রোগ যা অন্য সব পা ফাটা থেকে আলাদা।এটি প্রথমে বয়স যখন দুই বৎসর তখন আস্তে আস্তে পায়ের চামড়া সামান্য ফাটতে থাকে।বয়স বাড়ার সংগে সংগে পায়ের চামড়াও বাড়তে থাকে।অতিরিক্ত চামড়া বাড়ার ফলে ফাটা বেশি দেখা দেয়। এখন আমি প্রতি সপ্তাহে একবার পায়ের অতিরিক্ত চামড়া ব্লেড দিয়ে কেটে পায়ের পপাতা এবং গোড়ালী নরম করে দেই।শীত আর গরম নেই সব কালই একই কাজ করতে হয়।আমি কয়েক মাস হোমিও ডাক্তারে চিকিৎসা নেই। কিন্তু কোন ফল পায়নি।
2955 views

1 Answers

সাধারনত বংশগত কারনে অথবা শরীরে পানির পরিমান কমে গেলে পা ফাটে। এক-দু দিনের যত্নে পা ফাটা বন্ধ হবে না, এর জন্যে চাই নিয়মিত যত্ন। পা নিয়মিত পরিষ্কার করা, ময়লা চামড়া ঘষে তোলা, পেট্রোলিয়াম জেলী ব্যবহার করা ইত্যাদি অনেক খানি সাহায্য করে। এর সাথে একটা ঘরোয়া টোটকা হলো, সমান সমান লেবুর রস, গোলাপ জল আর ভিনেগার মিশিয়ে ফ্রিজে রেখে রোজ রাতে পায়ের তালুতে মালিশ করে মোজা পরে ঘুমানো। যাদের বংশগত কারনে পা ফাটে তাদের জন্য এটি আশা করি কাজে দেবে।

2955 views

Related Questions