2 Answers

২টা উত্তর হতে পারে।হয়তো এটা কোন আসমানি কিতাব ছিলো।যার বিকৃত রুপ এই পুরান।

নয়তো যারা পুরাণ লিখেছেন তারা অন্য কোন আসমানি কিতাব থেকে এ অংশটুকু কপি করেছেন।

2950 views

ধারণা করা হয়- ব্রাহ্মনরা ইবরাহিম আলাইহিসসালামের অনুসারী ছিল। তারা ব্রাহ্মন শব্দটাও ইবরাহিম থেকেই গ্রহণ করেছে। ইবরাহিম থেকে আবরাহাম, আবরাহাম থেকে বারহামন এবং বারহামন থেকে ব্রাহ্মন। সে হিসেবে তারা ইবরাহিম আলাইহিসসালামের সহিফা ও তাঁর পরবর্তীতে আসা নবিদের কিতাব সম্বন্ধে জানত এবং ওইসব কিতাব থেকেই তারা নিজেদের ধর্মীয় গ্রন্থ রচনা করে। ইবরাহিম আলাইহিসসালামের যেসব বংশধররা ভারতবর্ষে আগমন করে, তারা নিজেদেরকে ব্রাহ্মন হিসেবে পরিচয় দিত। আর তারাই এসব পুরাণ, বেদ, উপনিষদ ইত্যাদি রচনা করে। এসব বিষয়ে জানতে হলে পুরাণের ইতিহাস জানা দরকার। ইতিহাস: খ্রিস্টপূর্ব ৫০০ অব্দে রচিত ছান্দগ্যো উপনিষদে পুরাণের একটি প্রাচীন উল্লেখ পাওয়া যায়। বৃহদারণ্যক উপনিষদ পুরাণকে "পঞ্চম বেদ" নামে অভিহিত করে (ইতিহাসপুরাণং পঞ্চমং বেদম্)। এতে প্রাচীন যুগে পুরাণের ধর্মীয় গুরুত্বের কথা জানা যায়। সম্ভবত সেই যুগে পুরাণ মৌখিকভাবে প্রচারিত হত। অথর্ববেদেও এই শব্দটির উল্লেখ পাওয়া যায়। সে হিসেবে মহানবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের জন্মের প্রায় এক হাজার বছর পূর্বেও পুরাণ ছিল। হয়তো মৌখিকভাবে ছিল। তখনকার সময়ে নবিদের কিতাবে মহানবির সম্পর্কে ভবিষ্যতবাণী ছিল। অন্যান্য নবিদেরও আলোচনা ছিল। তাই পুরাণ এবং এর ভবিষ্যতবাণীগুলো ইসলামের সঙ্গে মিলে যাওয়া অসম্ভব নয়। আর তাতে নবিদের আলোচনা থাকাটা খুব স্বাভাবিক। একারণেই ভারতীয় উপমহাদেশের প্রধান ধর্মগ্রন্থগুলোতে মহানবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ও ইসলামের আলোচনা পাওয়া যায়। যদিও কুরআন ছাড়া বাকি সব ধর্মগ্রন্থই কিছু না কিছু বিকৃত হয়েছে, তবুও এখনও পর্যন্ত অনেক ভবিষ্যৎবাণী রয়ে গেছে, যেগুলোর দ্বারা মহানবির আবির্ভাব সম্পর্কে জানা যায়। তখনকার ব্রাহ্মনরা হয়তো টের পায়নি যে, তাদের এসব রচনা তাদেরই পরবর্তী প্রজন্মের বিরুদ্ধে প্রমাণ হিসেবে উপস্থাপন করা হবে। আর সম্ভবত একারণেই বর্তমান ব্রাহ্মনরা সাধারণ হিন্দুদেরকে ধর্মগ্রন্থ স্পর্শ করারও অনুমতি দেয় না। কেননা, ধর্মগ্রন্থ খুললেই ইসলামের সত্যতা ও সনাতন ধর্মের অসাড়তা প্রকাশ হয়ে পড়বে!

2950 views

Related Questions