2 Answers
আজকাল শহর ও শহরতলি এবং গ্রামেও বৈদ্যুতিক ব্যবস্থা চালু রয়েছে। বণ্ড জায়গায় অপরিকল্পিত ও অবৈধভাবে বিদ্যুৎ সংযোগ দেয়ার ফলে যেকোনো সময় তড়িতাহত হয়ে দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। বিদ্যুৎপ্রবাহ বা কারেন্ট দুই ধরনের। এসি (AC)কারেন্ট ও ডিসি (DC)কারেন্ট। এসি কারেন্ট আকর্ষণ করে টেনে নেয়। ডিসি কারেন্ট শুধু ধাক্কা মারে। সে জন্য এসি কারেন্ট বেশি মারাত্মক। ভেজা কাপড় বা গাছের সাথে বিদ্যুৎপ্রবাহের সংযোগের ফলে দুর্ঘটনা ঘটে থাকে। এগুলো স্পর্শ করলে নিজেও তড়িতাহত হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা থাকে। বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হলে : ▬▬▬▬▬▬ কারো শরীরে বিদ্যুতের তার জড়িয়ে গেলে বা কেউ বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হলে সাথে সাথে মেইন সুইচ বন্ধ করে দিতে হবে। কোনো কারণে সুইচ বন্ধ করতে না পারলে শুকনাকাঠ দিয়ে তাকে ধাক্কা দিয়ে ছাড়িয়ে দিতে হবে। কাঠ না পেলে শুকনা কাপড় হাতে জড়িয়ে ধাক্কা দিতে হবে। কখনো খালি হাতে ধরলে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে বিপদ ঘটতে পারে। কখনো গায়ে পানি দেবে না। শ্বাসক্রিয়া না চললে কৃত্রিমভাবে শ্বাসকার্য চালাতে হবে। এবং তাড়াতাড়ি ডাক্তার দেখাতে হবে।
বিদ্যুতের কাজ করতে গিয়ে কখনো কখনো অসতর্কতাবশত কোনো দুর্ঘটনা হয়ে যেতে পারে ৷ কেউ বিদ্যুতস্পৃষ্ট হলে করণীয়: ১।বৈদ্যুতিকস্পৃষ্ট ব্যক্তির গায়ে হাত দেওয়া যাবে না। ২।বৈদ্যুতিকসুইচ সঙ্গে সঙ্গে বন্ধ করে দিতে হবে। ৩।সুইচ বন্ধ করা সম্ভব না হলে, শুকনো খবরের কাগজ, উলের কাপড়, শুকনো কাঠের টুকরা অথবা রাবার দিয়ে বৈদ্যুতিক্স্পৃষ্ট ব্যক্তিকে বৈদ্যুতিক উত্স থেকে ধাক্কা দিয়ে আলাদা করতে হবে ৷ ৪।ধাক্কা দেওয়া এবং সুইচ বন্ধ করা সম্ভব না হলে দ্রুত বৈদ্যুতিকঅফিসে খবর দিতেহবে ৷ ৫।বৈদ্যুতিকস্পৃষ্ট ব্যক্তির শ্বাস বন্ধ হয়ে গেলে কৃত্রিম শ্বাস দেওয়ার ব্যবস্থা করতে হবে যতক্ষণ না তাকে হাসপাতালে নেওয়া সম্ভব হয়৷ দ্রুত তাকে হাসপাতালে নেওয়ার ব্যবস্থা করতে হবে। ৬।বৈদ্যুতিকস্পৃষ্ট ব্যক্তির হৃদপিণ্ড যদি বন্ধ হয়ে যায় তবে তার বুকের ওপর জোরে জোরে চাপ দিতে হবে ৷ ৭। বৈদ্যুতিকস্পৃষ্ট ব্যক্তির শ্বাস প্রশ্বাস স্বাভাবিক থাকলেও তাকে অন্তত এক ঘণ্টা চুপ করে শুয়ে বিশ্রাম নিতে হবে৷ সতর্কতা * ভেজা শরীরে বা হাতে বৈদ্যুতিকযন্ত্রপাতি ধরা যাবে না৷ * ভেজা জায়গায় দাড়িয়ে বিদু্যতের কাজ করা যাবে না৷ * বৈদ্যুতিক কাজ করার সময় অবশ্যই রাবারের জুতা পরে নিতে হবে৷ * প্রয়োজনে বৈদ্যুতিক মেইন সুইচ বন্ধ করে কাজ করতে হবে৷