1 Answers

একটি পুঙ্খানুপুঙ্খ চিকিৎসার ইতিহাস সংগ্রহের পাশাপাশি কয়েকটি নির্দিষ্ট পরীক্ষা খিঁচুনি নির্ণয়ে সাহায্য করে। সংক্রমণ, জিনগত সমস্যা, হরমোন বা ইলেক্ট্রোলাইটের ভারসাম্যের অভাব সন্ধান করতে রক্তপরীক্ষা করা হয়। লাম্বার পাংচার। ইলেক্ট্রোএনসেফালোগ্রাম। নিউরোলজিক্যাল ফাংশন টেস্ট (স্নায়বিক ক্রিয়ার পরীক্ষা)। ম্যাগনেটিক রেসোনান্স ইমেজিং (এমআরআই)। পজিট্রন এমিশন টোমোগ্রাফি (পিইটি) স্ক্যান। কিছুক্ষেত্রে খিঁচুনি মাত্র একবারই ঘটতে পারে, এবং এর কোন চিকিৎসার প্রয়োজন হয় না। যদি বারবার খিঁচুনির ঘটনার পুনরাবৃত্তি হয় তবে চিকিৎসক অ্যান্টি-এপিলেপ্টিক (মৃগী রোধের) ওষুধ দিতে পারেন। কিছু নির্দিষ্ট ক্ষেত্রে অস্ত্রোপচারের প্রয়োজন হতে পারে। খাদ্যাভ্যাসের পরিবর্তন, যেমন বেশি তেলযুক্ত, কম শর্করাযুক্ত, কিটোজেনিক খাদ্যাভ্যাস খিঁচুনির চিকিৎসায় সাহায্য করে।

4263 views Answered

Related Questions

Next steps