1 Answers
রোগী হাসপাতালে ভর্তি হওয়া মাত্রই চিকিৎসা শুরু করতে হবে কারণ প্রাথমিক লক্ষ্য থাকবে হৃৎস্পন্দনের হার এবং শ্বাস-প্রশ্বাস স্বাভাবিক করা। চিকিৎসার অন্তর্গত থাকবে: তরল পদার্থ রোগ নির্ণয়ের আগে, রোগীর প্রাথমিক স্থিতিশীলতার জন্য ইন্ট্রাক্যাথেটারের সাহায্যে নিয়ন্ত্রিত ভাবে স্বাভাবিক লবণাক্ত তরল রোগীর শিরাতে ইনজেকশন দিয়ে প্রবেশ করানো হতে পারে। এতে রক্ত চাপ স্বাভাবিক রাখা সম্ভব হবে। রোগীর প্রস্রাবের পরিমাণ, রক্ত চাপ এবং ল্যাকটেটএর মাত্রা দেখে তরল পদার্থের পরিমাণ নির্ধারণ করা যেতে পারে। তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ শরীরের তাপমাত্রা বেড়ে গেলে চলতি পদ্ধতিতে তা নিয়ন্ত্রণ করা যেতে পারে। যেমন, ঠাণ্ডা জল দিয়ে রোগীর সারা গা মুছিয়ে দেওয়া, ঠাণ্ডা করার কম্বল দিয়ে রোগীকে ঢেকে দেওয়া, প্যারাসিটামলএর মত এন্টিপাইরেটিক ওষুধ (জ্বরের ওষুধ) দেওয়া। এন্টিবায়োটিক প্রাথমিক এন্টিবায়োটিক চিকিৎসা শুরু করা হয় এমন এন্টিবায়োটিক দিয়ে যা সংক্রমণ-কারী সম্ভাব্য সকল রকমের মাইক্রোবগুলির মোকাবিলা করতে পারে। সঠিক ভাবে রোগ নির্ণয় না হওয়া পর্যন্ত এন্টিবায়োটিক দেওয়া হতে থাকে। রক্ত এবং প্রস্রাব পরীক্ষার ফলাফল যেই সঠিক সংক্রমণ-কারী মাইক্রোবটিকে সনাক্ত করে, তখন এক ঘণ্টার মধ্যে সেই মাইক্রোবটির জন্য সুনির্দিষ্ট এন্টিবায়োটিক দেওয়া শুরু হয়। যতক্ষণ পর্যন্ত না সংক্রমণের সমস্ত উপসর্গ চলে যায় এবং রোগী সম্পূর্ণ নিরাময় হয় ততক্ষণ পর্যন্ত রোগীকে এন্টিবায়োটিক দেওয়া হতে থাকে।