1 Answers
এখনও পর্যন্ত ডেঙ্গুর কোন এন্টি-ভাইরাল চিকিৎসা নেই। রোগটির নিজেরই একটি সময় সীমা রয়েছে, অর্থাৎ সময়ের সাথে সাথে নিজেই মিটে যায়। অবশ্য, রোগের নিয়ন্ত্রণ এবং উপসর্গগুলির তীব্রতা হ্রাস করতে নিজের যত্ন নেওয়া এবং জীবনধারার পরিবর্তন করা দরকার। ডেঙ্গু অধ্যুষিত এলাকা থেকে ফেরার দুই সপ্তাহের মধ্যে যদি আপনার ফ্লুয়ের মতন উপসর্গ দেখা দেয় তাহলে ডাক্তারবাবুর সাথে অবশ্যই যোগাযোগ করবেন। আর আপনি যদি এমন এলাকায় থাকেন যেখানে সাধারণত ডেঙ্গু হয় তাহলে ঐ রকমের উপসর্গ হলে ডাক্তারবাবুর কাছে যাবেন। সাহায্যকারী তত্বাবধানের সাথে ওষুধ-পত্র জ্বর কমতে সাহায্য করে। এর সাথে শরীরে প্রচুর তরল পদার্থ প্রবেশ করাতে হবে এবং বিছানায় শুয়ে থাকতে হবে। জ্বর কমাতে অ্যাসিটামিনোফেন ব্যবহার করা যেতে পারে। বেদনা-নাশক ওষুধ (যেমন অ্যাসপিরিন) এবং কর্টিকোস্টেরয়েডগুলি ডাক্তারবাবুর পরামর্শ ছাড়া ডেঙ্গু জ্বরে নেওয়া নিষেধ। ত্বকে ফুসকুড়ি হলে ক্যালামাইন লোশান লাগান। যারা ভাল হচ্ছেন বহির্বিভাগের মতন করে তাদের দেখভাল করা হয়। নিম্নলিখিত উপসর্গগুলি থাকলে হাসপাতালে ভর্তির সুপারিশ করা হয়: ক্রমাগত বমি হওয়া। বমির সাথে রক্ত পড়া। জলবিয়োজনের লক্ষণ। দ্রুত শ্বাস (শ্বাসযন্ত্রের কষ্ট)। মাড়ি থেকে রক্তপাত। গুরুতর পেট ব্যথা। অধিক ক্লান্তি এবং অস্থিরতা