2 Answers

ইন্টারনেটের অপ্রয়োজনীয় ব্যবহার কমান। প্রতিদিন একটু একটু করে জীবনটাকে ধরাবাঁধা নিয়মের মধ্যে আনার চেষ্টা করুন। পড়াশোনা করুন। ধৈর্যশীল হোন। ক্ষমা করতে শিখুন। শুনুন বেশি, কথা কম। সোস্যাল মিডিয়ায় শোঅফ কমান। সাধ্যমত মানুষকে সাহায্য করুন। নিজের ব্যক্তিগত বিষয় নিজের মধ্যে রাখার চেষ্টা করুন। ক্রোধ, অহমিকা, হিংসা, ঘৃনা, কামসূত্র, লোভ-লালসা, অলসতা, পরনিন্দা থেকে নিজেকে মুক্ত রাখতে পারলে অবশ্যই ভালো থাকতে পারবেন। হিন্দি-তামিল-তেলুগু মুভি দেখা কমিয়ে দিন। মেডিটেশন করুন। মাঝে মধ্যে ধর্ম কর্মে মনোযোগ দিন। অন্যের ব্যক্তিগত বিষয়ে হস্তক্ষেপ বন্ধ করুন। সত্য কথা বলুন নেতিবাচক চিন্তাভাবনা কে দূরে সরিয়ে দিন। সরল চিন্তা করুন। অতিরিক্ত আশা করা ছেড়ে দিন। আত্মনির্ভরশীল হোন। কঠোর হবেন না। ভালোবাসুন সবাইকে। দয়াশীল হোন। মানসিকতা ও চিন্তাধারার ইতিবাচক পরিবর্তন ঘটান। জীবনে যত কষ্ট আসুক, হোক তা ভয়ানক— সবসময় হাসুন আর মন থেকে কষ্ট দূর করুন।

5239 views Answered

যেহেতু জীবনে সুখ দুঃখ দুটোই আসবে তাই আমার মনে হয় আমাদের উচিত দুই পরিস্থিতিকেই সহজভাবে গ্রহণ করা।কেননা যদি পরিস্থিতি পরিবর্তন করার ক্ষমতা আমাদের না থাকে তাহলে এইটা নিয়ে ভেবে কি লাভ?আর ডেল কার্নেগির বই হতে আমি জেনেছি যে সুখীহতে চাইলে সবসময় চুরান্ত ফলাফল মেনে নাও আর চেষ্টা কর তা ঘটার আগেই এর থেকে উত্তরন পেতে। তবে ধৈর্য   হল সুখী জীবনেের মুল চাবিকাঠি।ধন্যবাদ

5239 views Answered

Next steps